অস্ত্র মামলায় অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাসহ ৪ জনের যাবজ্জীবন

প্রকাশিতঃ ৩:২৮ অপরাহ্ণ, মঙ্গল, ১০ নভেম্বর ২০

নিজস্ব প্রতিবেদক : অস্ত্র আইনের মামলায় অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল শহিদ উদ্দিন চৌধুরীসহ চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ রবিউল আলম এই রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত অপর তিনজন হলেন-কর্নেল শহিদ উদ্দিন চৌধুরীর স্ত্রী ফারজানা আনজুম খান, সৈয়দ আকিদুল আলী ও খোরশেদ আলম পাটওয়ারী। আকিদুল আলী ও খোরশেদ আলম কারাগারে রয়েছে। রায় ঘোষণার আগে তাদের আদালতে হাজির করা হয়। রায় ঘোষণার পর সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

কর্নেল শহিদ উদ্দিন চৌধুরী ও তার স্ত্রী মিসেস ফারজানা আনজুম খান পলাতক রয়েছেন। আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাসহ সাজা পরোয়ানা ইস্যু করেছেন। জহুরুল হক খন্দকার মারা যাওয়ায় তাকে মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মাদ সালাহউদ্দিন হাওলাদার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

শহিদ উদ্দিন চৌধুরীর স্ত্রীর মালিকানাধীন ক্যান্টনমেন্ট থানাধীন বারিধারা ডিওএইচএস এর দুই নম্বর রোডের ১৮৪ নম্বর বাসা থেকে দীর্ঘদিন একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপ পরিচালনা করছে বলে জানতে পারে পুলিশ। এমন সংবাদের ভিত্তিতে গত বছর ১৭ জানুয়ারি ওই বাসায় অভিযান চালিয়ে ৫ রাউন্ড গুলি ভর্তি ম্যাগাজিনসহ একটি পিস্তল, ৬ রাউন্ড গুলি ভর্তি ম্যাগাজিনসহ আরকেটি পিস্তল, একটি শর্টগান, দুই রাউন্ড কার্তুজ এবং শর্টগানের দুইটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের ফেইক কারেন্সী নোট টিমের পুলিশ পরিদর্শক (নি.) বিপ্লব কিশোর শীল ওই দিনই ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত করে একই বিভাগের উপ-পুলিশ পরিদর্শক জহুরুল হক ৫ জনের বিরুদ্ধে গত বছরের ৪ এপ্রিল আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

গত বছর ১৩ আগস্ট মাসে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলাটির বিচার চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষে ২১ জন সাক্ষীর মধ্যে ৯ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।

সময় জার্নাল/

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।