ইউরোপে ঘন নীল পানি দেখে বুড়িগঙ্গা প্রেমী এক বাঙালীর কান্না

প্রকাশিতঃ ৪:১৩ অপরাহ্ণ, বৃহঃ, ১৪ নভেম্বর ১৯

মাহবুব কবীর মিলন

ইউরোপের বিভিন্ন শহর বা সিটির ভিতর দিয়ে যাওয়া অসংখ্য খাল বা ক্যানেলের ঘন নীল রঙের পানি দেখলে বুকটা ব্যথায় মোচড় দিয়ে ওঠে। একটা ময়লা বা কাগজের টুকরো নেই পানির উপর। বিলিয়ন ডলার আয় করছে টুরিজম থেকে।

স্বাধীনতার ৪৮ বছর যাচ্ছে। আমরা বুড়িগঙ্গার এক ইঞ্চি পানি পরিস্কারের ব্যবস্থা করতে পারিনি। পারিনি বেদখল হয়ে যাওয়া এলাকা স্থায়ীভাবে উদ্ধার করতে।

১৯০১ সালে ক্যানেলের একটি অংশ ভরাট করে ট্রাম লাইন করতে চেয়েছিল এদের সরকার। কিন্তু জনগণের চাপে পারেনি। আজ থেকে ১১৮ বছর আগে জনগণ খালের পানিতে হাত দিতে দেয়নি সরকারকে।

মাহবুব কবীর মিলন

এরা জমির বিরোধ নিস্পত্তি করে আকাশ থেকে নেয়া গুগল ম্যাপ দিয়ে। কেউ কারো এক ইঞ্চি জায়গাও বেদখল করতে পারে না। চেইন ফিতা দিয়ে জমি মাপামাপির কারবার নেই এদের।

ডেনমার্কের প্রত্যন্ত এক গ্রামে একজন লোক বাস করে। তার জন্য প্রতিদিন বাস যায় সেখানে। এদের সাথে তুলনা করে কষ্ট পাই না। আমরাও পারি বা পারব, কিন্তু করি না। কষ্ট সে কারণেই।

১৭ কোটি মানুষের বুকের আগুন একসাথে জ্বালিয়ে দেয়া সম্ভব এই সোনার দেশে। জানি না কবে কখন জ্বলে উঠবে তা।

অনেকেই বলে আপনি শুধু খারাপ জিনিসেই দেখেন বা বলেন। ভাল কি কিছু নেই আমাদের। আছে ভাল অনেক। কিন্তু খারাপ একটিও থাকতে পারবে না। আমার লিখে যাওয়া সে কারণেই।

সূর্যোদয়ে তুমি, সূর্যাস্তেও তুমি..
ও আমার বাংলাদেশ, প্রিয় জন্মভূমি।

(ফেসবুক থেকে নেয়া)
লেখক: মেম্বার, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ।

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ