ইসলামের মানবিক দিকগুলো তুলে ধরতে চাই : এ. কিউ. এম. ছফিউল্লাহ

প্রকাশিতঃ ১১:৩৯ পূর্বাহ্ণ, সোম, ৮ জুন ২০

ইসলামের মানবিক দিকগুলোকে তুলে ধরার ভাবনা থেকেই অনলাইনসহ বিভিন্ন মিডিয়ায় সরব ভূমিকা পালন করে চলেছেন শরিয়াহ ভিত্তিক ইসলামী ব্যাংক ‘এক্সিম ব্যাংক’ এর ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং ব্যাংকের শরিয়াহ বিভাগের প্রধান এ. কিউ. এম. ছফিউল্লাহ (আরিফ)। সময় জার্নালকে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি নিজ ভাবনার কথা শোনান।

কথার শুরুতে তিনি দুঃখ করে বলেন, স্বাভাবিকভাবে বাংলাদেশে ইসলাম নিয়ে জনগণের পড়ালেখা খুবই কম। অথচ কুরআনে কারীমের প্রথম শব্দ ছিল ইক্বরা। যার অর্থ হল পড়। কিন্তু পরিতাপের বিষয় এই আধুনিক একটা গ্রন্থ, চির আধুনিক একটা গ্রন্থকে আমরা নামেমাত্র ধারণ করে আছি। কিন্তু আমাদের মুসলিম জনগোষ্ঠীর দুই-তৃতীয়াংশের বেশি কুরআনের বিষয়ে সম্পূর্ণ অজ্ঞ। বাকী এক-তৃতীয়াংশ, যাদের আমরা হিসেবে রেখেছি- তাদেরও বেশিরভাগই কুরআনের চর্চা করেন না। দিস ইজ দ্যা ব্যাসিক প্রবলেম ফর দ্যা মুসলিমস। হোল-ওয়ার্ল্ডে; তবে আমাদের সাব-কন্টিনেন্টে এই প্রবলেমটা বেশি।

আরেকটা দিক, আল্লাহ তায়ালার বাণী আল-কুরআন এটা হল লাস্ট সল্যুউসন্স এন্ড মোর সাইন্টফিক। আল্লাহ নিজেই বলেছেন, আমি বিজ্ঞানময় সত্ত্বা। আর কুরআন হচ্ছে বিজ্ঞানময় গ্রন্থ।

বিশ্ব মুসলিম তথা আমাদের এই সাব-কন্টিনেন্টের মুসলমানদের অন্যতম বড় সমস্যা হচ্ছে- আমরা নিজেদেরকে বিজ্ঞান থেকে দূরে সরিয়ে রেখেছি। যেমন, আমরা একসময় বলেছিলাম, ইংরেজি শিক্ষা করা যাবে না। এটা মুসলিমদের ভাষা নয়। আবার এখন বলছি- ইংরেজি শিক্ষা করা ছাড়া আমাদের উন্নতি সম্ভব না। এটা ছিল আমাদের অজ্ঞতার বহিঃপ্রকাশ। কারণ পৃথিবীর সকল ভাষা আল্লাহ তায়ালার সৃষ্টি। কুরআন পাকে আল্লাহপাক বলেছেন, আমি মানুষকে কথা বলতে শিখিয়েছি। তিনি বলেন, তাহলে একেকজনের একেকটা ভাষা কেন? এটা পরিচিতির জন্য। কেউ ইংরেজিতে কথা বলে, কেউ আরবীতে, কেউ-বা বাংলাতে। এখানে ভাষাগত দিক থেকে শ্রেষ্ঠত্বের কিছু নেই।

শরিয়তে-কুরআনে পাকে শ্রেষ্ঠত্বের মাপকাঠি হল তাকওয়া। আপনি সাদা, আমি কালো। কিংবা কেউ ছোট অফিসার, কেই বড় পদে আসীন- এসবের কোনটাই কিয়ামতের দিন শ্রেষ্ঠত্বের মাপকাঠি হবে না। সেদিন শ্রেষ্ঠত্বের মাপকাঠি হবে তাকওয়া। আমরা খেয়াল করে দেখলাম, রমজানে তাকওয়া নিয়ে আলোচনা বেড়ে যায়। রেডিও-টিভির সব অনুষ্ঠানেই তাকওয়ার গুরুত্বের কথা বলা হয়। এক কথায় তাকওয়ার আলোচনার ফুলঝুড়ি ওঠে রমজানে।

তাকওয়া নিয়ে অনেক আলোচনা হয়, কিন্তু ইসলামের আরও যে মানবিক দিক আছে, সৌন্দর্যের দিক আছে, সেগুলো নিয়ে অনেক কম আলোচনা হয়।

সেজন্য আমরা ইসলামের মানবিক দিকগুলোকে তুলে ধরতে চাই। এখনকার মুসলমানদের দেখে ইসলামের প্রকৃত সৌন্দর্য খুঁজে পাওয়া যাবে না। এজন্য আমাদেরকে কুরআন অধ্যয়ন করতে হবে। আর মানুষের চরিত্র দেখে জানতে হলে নবীজীর জীবন, তাঁর সাহাবাদের জীবন তথা হাদীস পড়তে হবে।

আমরা আমাদের চোখের সামনে যাদের দেখি, ভাবছি এরা ভালো মুসলমান। কিন্তু তাদের ভেতর-বাহির তথা কুরআন-হাদীসের সাথে জীবন সামঞ্জস্যপূর্ণ না হলে, তাদেরকে প্রকৃত মুসলমান বলা যেতে পারে না।

দুঃখজনক হলেও সত্য যে, পাশ্চাত্যের খৃষ্টানেরা ইসলামের শিক্ষাকে কাজে লাগিয়েছে। অথচ তারা মুসলমান নন। আজ আপনি কানাডা, ফিনল্যান্ড, নেদারল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, বৃটেন, আমেরিকাতে যান, তাদের সোস্যাল এনভায়রনমেন্ট এর বেশিরভাগই ইসলামের শিক্ষায় পূর্ণ। মানুষের প্রতি মানুষের যে ভালোবাসা-শ্রদ্ধাবোধ সেটা কিন্তু তাদের মধ্যে আছে। যেটা ছিল ইসলামের শিক্ষা। তাদের নেতারা এটি প্রয়োগ করছে। মুসলমান না হয়েও তারা ইসলামকে কাজে লাগিয়েছে।

আমাদের দেশে আমরা বেশিরভাগই কালেমা পড়া মুসলমান। কিন্তু আমরা ইসলামের চর্চা করি না। আমরা কেবল নামেই মুসলমান। জন্মগতভাবে মুসলমান। আমাদের এখানে নানা ধরনের মুসলমান আছেন- কেউ মনে করেন- কুরআন পবিত্র ধর্মীয় গ্রন্থ, এটা পড়লে সওয়াব- সে-ও মুসলমান। কেউ মনে করেন কুরআন ১৪-১৫শ বছরের পুরনো গ্রন্থ। এটা মধ্যযুগীয় ব্যাপার-স্যাপার, সেও কিন্তু সমাজে পরিচিত মুসলমান হিসেবে। কেউ আছেন, যারা ভাবেন এটা মহাগ্রন্থ কিন্তু পড়তে পারেন না। আবার অনেকে আছেন এটাকে পবিত্র ও জ্ঞানগর্ভ বৈজ্ঞানিক গ্রন্থ ভাবেন আবার জ্ঞান চর্চাও করেন। কিন্তু সমাজে বাস্তবায়নের কথা ভাবেন না। আর অল্পকিছু সংখ্যক মুসলমান আছেন, যারা মহাপবিত্র ও বিজ্ঞানময় কুরআনকে স্টাডি করেন, চর্চা করেন এবং অধিকতর চর্চার কথা ভাবেন। এদের সংখ্যাটা আসলেই অল্পসংখ্যক। কিন্তু অল্পসংখ্যক মানুষ দিয়ে তো আর সমাজ পরিবর্তন করা যায় না। সমাজকে পরিবর্তন করতে হলে কমপক্ষে ৫০ ভাগের অধিক মুসলমানকে এই মানের যোগ্যতা সম্পন্ন হতে হবে।

সমাজ পরিবর্তন মানে, আপনি আগামীকালই কিছু একটা কায়েম করে ফেলবেন- এমনটা নয়। সমাজ চেঞ্জ করা মানে, আমার- আপনার প্রতি সমাজের শ্রদ্ধাবোধটা জাগ্রত করা। সমাজ চেঞ্জ করা মানে, আমি আপনার সাথে প্রতারণা না করা। সমাজ চেঞ্জ করা মানে খাদ্যদ্রব্যের সঙ্গে ভেজাল না মেশানো। সমাজ চেঞ্জ করা মানে বিয়েতে যৌতুক না নেয়া, সমাজ চেঞ্জ করা মানে নারীর মর্যাদা দান করা। সমাজ চেঞ্জ করা মানে অফিসে-কর্মক্ষেত্রে ফাঁকি না দেয়া। সমাজ চেঞ্জ করা মানে আপনার সকল লেনদেন শরীয়াহ্ মোতাবেক করা।

আমরা মুসলমানেরা এখন যেসব কাজ করি – তা হচ্ছে, আমরা নামাজ পড়ি, রোজা রাখি, যাকাত দেই। হজ্ব-ওমরায় যাই । এটাই কিন্তু পরিপূর্ণ ইসলাম নয়। এটা ইসলামের একটা পার্ট।

এই অংশে যদি আপনি ভুল করেন। উদারহরণ স্বরূপ: নামাজ ঠিকমত পড়তে পারলেন না, রোজায় ভুল হয়ে গেল- এগুলো হল আল্লাহর সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। তাওবা করে আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি করলে, আল্লাহ হয়তো ক্ষমা করে দেবেন।

কিন্তু কোন ব্যক্তির সাথে যদি প্রতারণা করেন, মিথ্যাচার করেন, ফাঁকি দেন- তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি মাফ না করলে আল্লাহ মাফ করবেন না।

বিশ্বজগতকে পরিচালনাকারী সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী সর্বশক্তিমান আল্লাহ। তিনি ইচ্ছা করলেই সবকিছু করতে পারেন। কিন্তু তিনি এলোমেলো বিচ্ছিন্নভাবে কিছু করেন না। কাজের ক্ষেত্রে আল্লাহপাক নির্ধারিত নীতি বা পলিসি মেইনটেইন করেন। কারণ যখন যা ইচ্ছে কিছু করলে বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে।

দুনিয়াতে যেমন সরকার বা রাষ্ট্রপরিচালকগণ তাদের কাজের গণ্ডি সংবিধানের মা্ধ্যমে সুনির্দিষ্ট করে রাখেন। মন্ত্রিপরিষদ, সভাষদ কিংবা সংসদের অনুমোদন সাপেক্ষে আইন তৈরি করেন। সেই আলোকে তারা কাজ করেন।

তেমনিভাবে আল্লাহপাকও একেক সময় একেক পন্থা অবলম্বন করেন না। তিনি নিজের কাজের জন্য সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন তৈরি করে নিয়েছেন। আল্লাহর বানানো সেই গাইডলাইনের নাম হল পবিত্র কুরআন-মাজীদ।

আমি আপনার সঙ্গে প্রতারণা করলে আল্লাহ সেটা মাফ করবেন না। এটা আল্লাহর বিধান নয়। যদি তাই হত, তাহলে একজন আরেকজনের সম্পত্তি আত্মসাৎ করে আল্লাহর কাছে মাফ চেয়ে নিত। অন্যায়ভাবে কাউকে খুন করলেও আল্লাহ মাফ করেন না। যদি তা-ই হত, তাহলে দুনিয়াটা খুন-খারাবিতে ভরে যেত। দুনিয়াতে জোর যার মুল্লুক তার – নীতি প্রতিষ্ঠা হয়ে যেত।

এ কারণে কোন মানুষের সম্পদ আত্মসাৎ বা চুরি করলে তা ঐ ব্যক্তিকে ফেরত দিয়ে তার কাছে মাফ চাইতে হবে। এবং আল্লাহর কাছে তাওবা করতে হবে। কারণ আত্মসাৎ বা চুরি করা মাল -সম্পদ ফেরত দেয়ার সঙ্গে সঙ্গেই অপরাধ থেকে মুক্তি মিলবে না। সম্পদ ফেরত দেয়ার পাশাপাশি মাফও চাইতে হবে।

এসব কারণে আমরা চিন্তা করলাম, তাকওয়া নিয়ে আমাদের আলেমগণ আলোচনা করছেন। এটা আল-হামদুলিল্লাহ ভালো কথা। কিন্তু আমাদের পারস্পরিক লেনদেন, ওঠা-বসা, সামাজিক সম্পর্কের বিষয়গুলো কেমন হবে- এ বিষয়ে কুরআন-হাদীস কি বলে- সেগুলোও আলোচনায় নিয়ে আসা।

এ কারণেই আমাদের আলোচ্য বিষয় ইসলামে নারীর মর্যাদা, ইসলামের দৃষ্টিতে যৌতুকপ্রথা ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমাদের সমাজে বলা হয় কন্যা দায়গ্রস্ত পিতা। আমরা এই ধরনের শব্দের ঘোরতর বিরোধী। কন্যা দায়গ্রস্ত কেন? শব্দটা কি ছেলে দায়গ্রস্ত পিতা হতে পারে না?

অথচ, ইসলামে মেয়েদের কত মর্যাদা দেয়া হয়েছে। মেয়েদের সঠিক শিক্ষা দান করতে হবে। সৎ ছেলেদের কাছে বিয়ে দিতে পারলেই পিতা-মাতার জন্য জান্নাত। এভাবে দুটো/তিনটা মেয়েকে বড় করতে পারলে বিনিময়ে জান্নাত দেবেন আল্লাহপাক। আমরা দর্শক-শ্রোতাদের কাছে বলেছি, আল্লাহর রাসুল তাঁর মেয়ে হযরত ফাতিমাকে সবচেয়ে বেশি ভালোবেসেছেন।

অথচ সমাজে অনেক পিতা-মাতা আছেন, যারা মেয়েদের পেছনে খরচ করতে চায় না। ছেলেদের পেছনে খরচ করাকে বিনিয়োগ বলে মনে করে। অথচ মেয়েদের জন্য খরচ করাকে অহেতুক মনে করে।

তাদের ধারণা ছেলেদের দিয়ে বংশরক্ষা হয়। মেয়ে দিয়ে বংশরক্ষা হয় না। অথচ আল্লাহর রাসুলের বংশ-উত্তরসূরী পৃথিবীতে টিকে আছেন তাঁর মেয়ে হযরত ফাতেমার সন্তানদের দ্বারা। ইসলাম যেমন বলেছে, ছেলে পিতার পরিচয়ে পরিচিত হবে- এটা যেমন ঠিক আছে। তেমনি মায়ের পরিচয়ে পরিচিত হবে। সেটাও ঠিক আছে।

আমরা কুরআন হাদীসের আলোকে মানুষকে এসব বিষয় বুঝানোর চেষ্টা করেছি যে, কুরআনের চর্চা করুন। ইসলামের সঠিক জ্ঞান অর্জন করে তা নিজ জীবন ও সমাজে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আজ মুসলমানদের মৌলিক সমস্যা হল – কুরআনের চর্চা না থাকা। বেশি বেশি কুরআনের চর্চা থাকলে কেউ ইচ্ছামাফিক ধর্মকে বিকৃত করতে পারবে না।

আরেকটা বিষয় হল- কেউ কেউ ইসলামকে আজ লেবাসে গন্ডিবদ্ধ করতে চাইছে। মানুষের মধ্যে ভ্রান্ত ধারণা ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে যে, যার যত বড় দাড়ি, টুপি, পাঞ্জাবি আছে সে তত বড় মুসলমান। এটা কিন্তু ঠিক না। লেবাস-পোশাক হচ্ছে ইসলামের একটা দিক। কিন্তু পুরোটা নয়।
লেবাস নিয়ে আজ সমাজে বাড়াবাড়ি হচ্ছে। অথচ একজন মুসলমান যখন কারখানায় কাজ করবেন তিনি জুব্বা-পাগড়ী পড়তে পারবেন না। সেখানকার উপযোগী পোষাকই তাকে পরিধাণ করতে হবে। প্রয়োজনে জিন্স-টিশার্ট পরে কাজ করবে। এক্ষেত্রে বাড়াবাড়ি করলে দুর্ঘটনায় পড়ার আশঙ্কা তৈরি হবে।

শরীয়াহর মূল বক্তব্যটা আপনাকে বুঝতে হবে। সেখানে বলা আছে : ছেলেরা মেয়েদের পোষাক পরতে পারবে না। মেয়েরাও ছেলেদের পোষাক পরতে পারবেনা । এটা হারাম। এছাড়া আপনি প্যান্ট পরেন-সাফারি পরেন, জুব্বা পরেন-কোনটাতেই বাধা নেই। আমরা বলতে চেয়েছি, জুব্বা পাগড়ি পরিধান করাটা কেবল সুন্নত নয়। পুরুষেরা সিল্কের পোষাক পড়তে পারবে না। সোনার গহনাও হারাম করা হয়েছে। আর প্রতিটি হারামের পেছনে যথোপযুক্ত যুক্তি তথ্য খুঁজে পাচ্ছেন বিজ্ঞানী ও গবেষকেরা।

তবে মুমিনেরা কিন্তু বৈজ্ঞানিক তথ্যের জন্য বসে থাকবেন না। আল্লাহ নিষেধ করেছেন, তাই তারা সেটা পরিহার করে চলবেন। এটাই ইসলামের বিধান। এটা মানতে হবে যে, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা যেটা নিষেধ করেছেন বা হারাম করেছেন, সেটা পরিহার করার মধ্যেই কল্যাণ। না মানলে চরম ক্ষতি হবে।

মাদক দ্রব্যকে আল্লাহ পাক হারাম করেছেন। সেই হুকুম অমান্য করে কেউ যদি সেটা গ্রহণ করে, তাহলে সে বড় গুনাহগার হবেন। আর বিজ্ঞান বলছে, মাদকগ্রহণকারীর নানান ক্ষতিকর রোগব্যাধী হবে।

মোটকথা ইসলামের মর্মবাণীকে তুলে ধরার ভাবনা থেকেই মিডিয়ায় কথা বলা। মহান আল্লাহর ইচ্ছায় জীবনের শেষদিন পর্যন্ত কুরআনের সঠিক কথাগুলোকে ধারণ করে নিজে আমল করব। সঙ্গে সঙ্গে মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার সাধ্যমত চেষ্টা চালিয়ে যাবো ইন-শা-আল্লাহ।

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।