ঈদে বাড়ি যেতে একটা টিকিট চাই

প্রকাশিতঃ ১:০৫ অপরাহ্ণ, শুক্র, ১৭ মে ১৯

স্টাফ রিপোর্টার : আসছে ঈদ। ঈদে বাড়ি ফিরতে চাহিদা বাড়ে সড়ক পথে। তাই টিকিট পেতে ভোর থেকেই লাইনে দাড়িয়ে আছে নগরবাসী। কারন ঈদে বাড়ি যেতে চাই একটা টিকিট।

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাসের আগাম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে শুক্রবার (১৭ মে) সকাল সাড়ে ৬টায়। রাজধানীর কল্যাণপুর, শ্যামলী, গাবতলী, মহাখালী ও আসাদগেট বাস কাউন্টারে দেয়া হচ্ছে অগ্রিম টিকিট।

শুক্রবার দেওয়া হচ্ছে ২৭ মে থেকে ৪ জুন পর্যন্ত যাত্রার টিকেট। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ৫ জুন বাংলাদেশে ঈদ হবে। সে কারণে আগের তিন দিনের টিকেটই বেশি চাচ্ছেন ক্রেতারা।

টিকিট প্রত্যাশী ও কাউন্টার কর্তৃপক্ষ বলছেন, এবার ৩০ মে ও ৩ জুনের টিকিটের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। তবে ভিন্ন চিত্রও দেখা গেছে কিছু জায়গায়।

গাবতলী, মাজার রোড, কল্যাণপুরসহ বিভিন্ন বাসের কাউন্টার ঘুরে দেখা গেছে ২, ৩ ও ৪ জুনের টিকেটের চাহিদাই সবচেয়ে বেশি। বরাবরের মতো এবারো টিকিটের দামে নৈরাজ্য চলছে বলেই অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।

এর আগে গত ৯ মে বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনভুক্ত বাস কোম্পানিগুলোর মালিকদের এক বৈঠকে আগাম টিকিট বিক্রির সিদ্ধান্ত হয়।

বাংলাদেশ বাস ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান রমেশ চন্দ্র ঘোষ বলেন, সংগঠনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আজ শুক্রবার সকাল থেকে বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। যাত্রীরা লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট নিতে শুরু করেছেন।

তিনি আরও জানান, আগামী ৩০ মে থেকে অগ্রিম টিকিটের বাসগুলো নির্ধারিত গন্তব্যে যাত্রা শুরু করবে। প্রতিটি গাড়ির দুটি টিকিট হাতে রেখে বাকি সব টিকিট বিক্রি করে দেওয়া হবে।

শ্যামলী, হানিফ, সোহাগ, গ্রিনলাইন, এস আর, নাবিল, ঈগল, এনা, দেশ ট্রাভেলস, আগমনী এক্সপ্রেসসহ প্রায় পঁচিশটি বড় পরিবহন কোম্পানির বাসেরও অগ্রিম টিকিট বিক্রি করা হবে বলে জানান রমেশ ঘোষ।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এবার ঈদে দীর্ঘ ছুটি থাকায় একই সময়ে বাসের চাপ কম পড়বে। ৩০ মে থেকে মানুষ বাড়ি যেতে শুরু করবে বলে আশা করছেন তারা।

৩১ মে শুক্রবার ও ১ জুন শনিবার পড়ায় অনেকেই আগভাগে ছুটি নিয়ে বাড়ি চলে যাবেন। ৪ জুন থেকে তিন দিন ঈদের ছুটি থাকার কথা রয়েছে।

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ