করোনার আড়ালে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ

প্রকাশিতঃ ১১:২৯ পূর্বাহ্ণ, শনি, ২৮ মার্চ ২০

নিউজ ডেস্ক : গেল বছরের প্রথম তিন মাসের তুলনায় এ বছর ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা কয়েকগুণ বেশি, ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশার ঘনত্বও বেশি। কীটতত্ত্ববিদ ও নগরবাসীরা বলছেন, এখনই আগাম পদক্ষেপ না নেয়া হলে এবারও ডেঙ্গু পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে।

উত্তর সিটি কর্পোরেশন জানিয়েছে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে কাজ চলছে। তবে করোনাভাইরাসের কারণে নিরাপত্তা সামগ্রী নিয়ে কাজ করতে চায় সিটি কর্পোরেশন।

করোনার পাশাপাশি মশার উৎপাতে ডেঙ্গুর শঙ্কায় আছে রাজধানীবাসী। গেল বছরের মতো এবার যেন ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা না বাড়ে, সে বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে দায়িত্বশীলদের প্রতি আহ্বান নগরবাসীর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশনস সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের তথ্য বলছে, এ বছর ১লা জানুয়ারি থেকে ২৩শে মার্চ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন ২৬৯ জন। এর মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৬৫ জন। হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৪ জন। গত বছর প্রথম তিনমাসে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৭৩।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার সহকারী পরিচালক ডা. আয়শা আক্তার বলেন, এ সংখ্যাটা অন্যান্য বছরের তুলনায় বেশি। তবে গত বছরে সারা বাংলাদেশে যেভাবে ছড়িয়েছে সে তুলনায় এবার তা কম।

এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে আগাম পদক্ষেপ না নিলে করোনার মাঝে সংকট আরও ঘনিভূত হবে মনে করেন কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক কবিরুল বাশার। তিনি বলেন, যারা এডিশ মশা নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে আছেন তারা যেন এদিকে নজর দেন। আর যারা করোনা নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে আছেন, তারা সেদিকেই নজর দেন। দুই টিম দুইদিকে নজর দিলে দ্বিতীয় সংকটটি আমাদের ঘনীভূত হবে না।

সিটি কর্পোরেশন বলছে করোনাভাইরাস সংক্রমণের মাঝে এডিস মশা যাতে বংশ বিস্তার করতে না পারে সেদিকে কাজ করছেন তারা।

উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোমিনুর রহমান মামুন বলেন, কর্মীরা যারা কাজ করবে তারা তাদের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি নিয়ে কাজ চালিয়ে যাবে। আমাদের কাজ আমরা চলমান রাখবো।

মার্চ, এপ্রিল ও মে মাস এডিস মশার প্রজনন স্থল ধ্বংস করতে নগরবাসী ও সিটি কর্পোরেশনকে এক হয়ে করা করার অনুরোধ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ