কিশোরগঞ্জে নদী ভাঙ্গনের মুখে ৩০ পরিবার

প্রকাশিতঃ ৯:০১ অপরাহ্ণ, শুক্র, ২৬ জুন ২০

খাদেমুল মোরসালিন শাকীর, নীলফামারী প্রতিনিধি : গত কয়েক দিনের অব্যাহত বৃষ্টিপাতসহ উজান থেকে পানি নেমে আসায় ধাইজান নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নীলফামারী কিশোরগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের কেশবা তেলিপাড়া গ্রামের প্রায় ৩০টি পরিবার নদী ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে। কিশোরগঞ্জ শহরের সাথে এ অঞ্চলের জনগণের যোগাযোগের একমাত্র সড়কটিও নদীর তীব্র ভাঙ্গনে হুমকির মুখে পড়েছে।

এলাকাবাসী জানান, নদীর ভাঙন অব্যাহত থাকায় কেশবা গ্রামের তেলিপাড়া এলাকার প্রায় ৩০টি পরিবার নদী গর্ভে বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়েছে। শহরের সাথে ওই এলাকার জনগণের যোগাযোগের একমাত্র সড়ক ইতিমধ্য নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ফলে ওই এলাকার মানুষ ভয়ে দিনাতিপাত করছেন।

ওই গ্রামের রুস্তম জানান, কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে নদীর ভাঙ্গন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। নদী ভাঙ্গন রোদ করতে না পারলে হয়তো দুই এক দিনের মধ্যেই তার একমাত্র বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। এই অবস্থায় বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেলে অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নেওয়া ছাড়া আর কোন উপায় থাকবে না। একই গ্রামের বাসিন্দা জামিল ও ফরিদুল আমিন জানান, এখনই সড়কসহ নদীর তীরে স্থায়ী বাঁধ না দিলে আরো কয়েক শত বাড়িঘরসহ ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তারা আরো জানান, জীবনের শেষ সম্বলটুকু যদি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়, অন্যের বাড়িতে আশ্রয় না মিললে উদ্বাস্তু হয়ে যাওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না।

নদী ভাঙ্গনের খবর পেয়ে দ্রুত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহ মো. আবুল কালাম বারী পাইলট, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুল কালাম আজাদ, সৈয়দপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসডি মোফাখখারুল ইসলাম নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন। ভাঙ্গনের ভয়াবহতা দেখে কর্মকর্তারা দ্রুত স্থায়ী বাঁধের আশ্বাস দেন।

এ ব্যাপারে সৈয়দপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসডি মোফাখখারুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি নদীর ভাঙ্গনের বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করে বলেন, নদী ভাঙ্গন রোধকল্পে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের জন্য ইতিমধ্যে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।