গোপালগঞ্জে টাকার বিনিময়ে স্কুলে অফিস সহকারী নিয়োগের অভিযোগ

প্রকাশিতঃ ৪:২১ অপরাহ্ণ, বৃহঃ, ২১ নভেম্বর ১৯

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: জেলার মুকসুদপুরের বাঁশবাড়ীয়া উজানী কাশালিয়া (বিইউকে) ইউনিয়ন উচ্চবিদ্যালয়ে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে ১০ লাখ টাকা উৎকোচের বিনিময়ে অযোগ্য ব্যক্তিকে নিয়োগ দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। ওই নিয়োগ বাতিলের দাবিতে স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ফরিদ আহম্মেদ জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান সোহেল বলেন, ওই প্রার্থীকে অবৈধভাবে নিয়োগ দেয়ার জন্য প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির পূর্ব পরিকল্পনা ছিল। প্রার্থী তন্ময় সরকারের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা উৎকোচ নিয়ে পরিকল্পনা অনুযায়ী পরীক্ষা নেয়া হয় এবং পরীক্ষার দিনই ফল প্রকাশ করার কথা থাকলেও এক মাস পর গোপনে ফোনের মাধ্যমে রেজাল্ট জানিয়ে তার পরদিনই নিয়োগপত্র দেয়া হয়।

ম্যানেজিং কমিটির শিক্ষক প্রতিনিধি ফরিদ মোল্লা বলেন, স্কুলের দুই শিক্ষকের বিদায় অনুষ্ঠানের এজেন্ডায় সভা আহ্বান করে সেই সভায় জোর করে নিয়োগ সংক্রান্ত রেজুলেশন করা হয়। অন্য সদস্যরা প্রতিবাদ করায় স্কুল ম্যানিজিং কমিটির সভাপতি দেড় মাসের জন্য সব শিক্ষকদের স্কুল থেকে প্রদেয় সুযোগ বন্ধ করে দেন।

স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি কাশালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল হক বলেন, যথাযথ নিয়ম মেনেই নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এখানে কোনো প্রকার আর্থিক লেনদেন হয়নি।

বিইউকে ইউনিয়ন উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাম্মী আক্তার তার বিরুদ্ধে আনীত সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, নিয়ম মেনেই ওই প্রার্থীকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। নিয়োগের বিষয়টি আমাদের স্থানীয় এমপিও জানেন। টাকা নেয়ার কোনো প্রশ্নই ওঠে না।

জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা খায়রুল আনাম মোহাম্মদ আফতাবুর রহমান হেলালী বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ