চুয়াডাঙ্গা বাসিন্দারা দর্শনা থানাভুক্তিতে নারাজ

প্রকাশিতঃ ১০:৩১ অপরাহ্ণ, সোম, ৪ নভেম্বর ১৯

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: চুয়াডাঙ্গা জেলায় সদ্য ঘোষিত দর্শনা থানার অধিনে সদরের বেগমপুর, তিতুদহ, নবগঠিত নেহালপুর ও গড়াইটুপি ইউনিয়নের বাসিন্দারা নতুন থানার সাথে যুক্ত হতে চাননা বলে সর্বদলীয় জনগন “সদরের বাসিন্দা সদরেই থাকতে চানন” স্লোগানে সদর থানা রক্ষা আন্দোলনে একটি কমিটি গঠন করে প্রতিবাদ জানান।

নতুন থানায় অন্তভূক্তি করার প্রতিবাদে ৩ নভেম্বর সন্ধ্যার দিকে হিজলগাড়ী বাজারে বেগমপুর ও নেহালপুর ইউনিয়নবাসীর ব্যানারে সর্বদলীয়ভাবে প্রতিবাদ সভা অনুষ্টিত হয়েছে।

“চুয়াডাঙ্গা সদরের বাসিন্দা সদরেই থাকতে চাই” শ্লোগানে সর্বদলীয় সদর থানা রক্ষা আন্দোলন নেহালপুর ইউনিয়ন আ.লীগ সভাপতি হাবিবুর রহমান কাজলকে আহবায়ক ও আশরাফুল হক মাসুমকে যুগ্ন আহবায়ক করে ৮ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, আ.লীগ নেতা সেলিম উদ্দিন, সুজাহান আলী জোয়ার্দ্দার, ফারুক হোসেন, আবুল হোসেন লাবু, বিএনপি নেতা আব্দুর রহিম ও মাসুদ রানা।

প্রসঙ্গত, ২২ শে অক্টোবর সারাদেশে নতুন ০৭টি থানা ঘোষনা করা হয়। যার মধ্যে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ৪টি ইউনিয়ন ও দামুড়হুদা উপজেলার ২টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে দর্শনা থানার নাম ঘোষনা করা হয়। ঘোষিত দর্শনা থানার মধ্যে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ৪টি ইউনিয়নকে অন্তভুক্ত করার প্রতিবাদে ও চুয়াডাঙ্গা সদরের বাসিন্দা সদরেই থাকতে চাই শ্লোগানে সদরের ৪টি ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়। ফলে একটি সর্বদলীয়ভাবে হিজলগাড়ী বাজারে প্রথম প্রতিবাদ সভা অনুষ্টিত হয়েছে।

সদর থানা রক্ষা আন্দোলন সর্বদলীয় কমিটির আহবায়ক হাবিবুর রহমান কাজল বলেন, আমার বিভিন্ন মাধ্যম থেকে জানতে পেরেছি, চুয়াডাঙ্গা সদর থানার বৃহত্তম চারটি ইউনিয়নকে ভেঙ্গে নিয়ে দামুড়–হুদা উপজেলার সদ্য ঘোষিত দর্শনা থানার মধ্যে নেওয়া হয়েছে। আমরা চুয়াডাঙ্গা সদরের বাসিন্দা। কোন ভাবেই দর্শনা থানার মধ্য যাবো না। সদরের মানুষ সদরেই থাকতে চাই।

তিনি বলেন, কারো ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের জন্য আমাদের এই বৃহত্তম এলাকাকে তুরুপের তাস হিসাবে ব্যবহার করবে তা কোন ভাবেই হতে দেওয়া হবে না। অতিসত্তর দর্শনা থানার মধ্যে থেকে আমাদের সদরের চার ইউয়িনকে বাদ দিতে হবে। আমরা কোনভাবেই সদর থানা থেকে অন্য থানাতে যাবো না। প্রয়োজনে এই চার ইউনিয়ন বাসীকে সাথে নিয়ে বৃহত্তম আন্দোলন করে তোলা হবে।

যুগ্ম-আহবায়ক আশরাফুল বলেন, চুয়াডাঙ্গা সদর থানার এই চার ইউনিয়ন ভেঙ্গে দর্শনা থানাতে নেওয়ার প্রতিবাদে ও চুয়াডাঙ্গা সদরের বাসিন্দা সদরেই থাকতে চাই এই শ্লোগানে বেগমপুর, তিতুদহ, নবগঠিত নেহালপুর ও গড়াইটুপি ইউনিয়নবাসী একসাথে কাজ করবে ইত্যেমধ্যে চার ইউনিয়নে গণস্বাক্ষর কর্মসূচী চলছে।

প্রতিবাদ সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, আ.লীগ নেতা ছহির উদ্দিন, নুরুজ্জামান, মানিক, লাবু, ইসমাইল হোসেন, নয়ন মিয়া, শান্তি জোয়ার্দ্দার সহ বেগমপুর ও নেহালপুর ইউনিয়নের নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ।

সময় জার্নাল, ইব্রাহিম

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ