‘জবির সমাবর্তনে ইলেকট্রিক ডিভাইস সঙ্গে রাখা যাবে না’

প্রকাশিতঃ ৬:২৫ অপরাহ্ণ, বুধ, ৮ জানুয়ারি ২০

আবদুল্লাহ পাটওয়ারী, জবি : আগামী ১১ জানুয়ারী অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের(জবি) ১ম সমাবর্তন। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ (ধূপখোলা মাঠ)-এ সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হবে। প্রায় ১৯ হাজার গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে সমাবর্তনটি অনুষ্ঠিত হবে।

ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানটি ভাষা আন্দোলন, ছয় দফা, এগার দফা, মহান মুক্তিযুদ্ধসহ আরও অনেক আন্দোলনের সূতিকাগার। এই সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতি আসাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

সমাবর্তন স্থলে মোবাইল ফোন, হ্যান্ডব্যাগ, ব্রিফকেস, ক্যামেরা, ছাতা ও পানির বোতল বা অন্য কোন ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস সঙ্গে নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না। আগতদের আমন্ত্রণপত্রটি সঙ্গে আনতে হবে। প্রবেশের সময় জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদত্ত পরিচয়পত্র আনতে হবে।

বুধবার(৮ জানুয়ারী) বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয় ।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গ্র্যাজুয়েট ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ ১নং গেইট দিয়ে সমাবর্তন স্থলে প্রবেশ করবেন। তাঁদের জন্য সকাল ১০টায় গেইট খোলা হবে এবং তাঁরা সকাল ১১টার মধ্যে অবশ্যই সমাবর্তনস্থলে আসন গ্রহণ করবেন। বেলা ১১.৫৫ মিনিটে সমাবর্তন শোভাযাত্রা, ১২.০০ টায় মহামান্য রাষ্ট্রপতির আগমন ও জাতীয় সংগীত, দুপুর ১২.০১ মিনিটে সমাবর্তনের উদ্বোধন ঘোষণা করবেন ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, চ্যালেন্সর শোভাযাত্রা প্যান্ডেলে প্রবেশের সময় থেকে মাননীয় চ্যান্সেলর মঞ্চে আসন গ্রহণ না করা পর্যন্ত অতিথিবৃন্দসহ সমাবর্তনে অংশগ্রহণকারী সকল অনুগ্রহপূর্বক নিজ নিজ আসনের সামনে দাঁড়িয়ে থাকবেন। দুপুর ১.১০ মিনিটে সমাবর্তনের সমাপ্তি ঘোষণা করবেন চ্যান্সেলর। চ্যান্সেলর কর্তৃক সমাবর্তন অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণার পর মাননীয় চ্যান্সেলর শোভাযাত্রা সমাবর্তনস্থল ত্যাগ না করা পর্যন্ত সবাই অনুগ্রহপূর্বক নিজ নিজ আসনে অবস্থান করবেন।

সমাবর্তনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি এম পি। সমাবর্তন বক্তা হিসেবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ইমেরিটাস ড. অরুণ কুমার বসাক গ্র্যাজুয়েটদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য প্রদান করবেন। সমবর্তনে আরও উপস্থিত থাকবেন, জাতীয় সংসদের স্পিকার, মন্ত্রীবর্গ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, সিনিয়র সচিবগণ, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ, বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিদলসহ আমন্ত্রিত অন্যান্য সুধীবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।

এছাড়াও সমাবর্তন অনুষ্ঠান শেষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে দুপুর ৩টায় নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের নির্দেশনায় ৫টি নাটক ধারাবাহিকভাবে কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে মঞ্চায়িত হবে একইসাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন বিল্ডিংর নীচতলায় চিত্রপ্রদর্শনী আয়োজন হবে, বিকাল ৪টায় সংগীত বিভাগের উদ্যোগে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান কলা ভবন সংলগ্ন কাঠালতলায় এবং বিকাল ৫টায় বিশিষ্ট্য সংগীত শিল্পী বাপ্পা মজুমদারের গানের কনসার্ট অনুষ্ঠিত হবে।

সমাবর্তন নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মোস্তফা কামাল বলেন, আমরা সমাবর্তনকে সফল করার জন্য সর্বাত্নক চেষ্টা করছি । কোথাও কোন ধরণের কমতি রাখছি না । সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি ।

তিনি আরও বলেন, সমাবর্তনের সব প্রস্তুতি শেষের দিকে । বাকী যে কাজগুলো আছে , সেগুলো খুব তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যাবে ।

সময় জার্নাল/আরইউটি/

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ