জয়পুরহাটে অসহায় মানুষের পাশে চিকিৎসকরা

প্রকাশিতঃ ৬:২৮ অপরাহ্ণ, রবি, ৫ এপ্রিল ২০

মোমেন মুনি, জয়পুরহাট : করোনাভাইরাসের কারণে শ্রমজীবী মানুষ আজ কর্মহীন। বাধ্য হয়েই ঘরবন্দি  তারা। করোনার এ পরিস্থিতিতে সরকারের পাশাপাশি ব্যক্তি উদ্যোগ, সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মতো চিকিৎসকরাও এগিয়ে এসেছেন অসহায় মানুষের পাঁশে।

চিকিৎসা দিতে ও খাদ্য সাামগ্রী পৌঁছাতে বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন জয়পুরহাট বাংলাদেশ মেডিক্যাল এসোসিয়েশন (বিএমএ) ও স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) একদল চিকিৎসক।

চিকিৎসকরা আর্থিকভাবে অক্ষম মানুষদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও পরামর্শ দেওয়াসহ প্রতি জনকে চাল, ডাল, আলু, লবণ, তেল ও সাবান পৌঁছে দিচ্ছেন তারা।

রোববার (৫ এপ্রিল) এ কর্মসূচি শুরুর দিনে ১৫০ জনকে এ সহায়তা দেওয়া হয়। তাদের এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান চিকিৎসক নেতৃবৃন্দ।

এ ত্রাণ বিতরণে অংশ গ্রহণ করেন, বিএমএ জয়পুরহাট জেলা শাখার সভাপতি ডা. মোজাম্মেল হক, সাধারণ সম্পাদক ডা. কে এম জোবায়ের গালীব, স্বাচিপ এর জয়পুরহাট জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. আনোয়ার হোসেন, সহকারি অধ্যাপক (মেডিসিন) ডা. আব্দুর রাজ্জাকসহ প্রমূখ চিকিৎসক।

বাসস্ট্যান্ড এলাকার বৃদ্ধা ছফুরা বেগম সময় জার্নালকে জানান, ‘বাবা প্রতিদিন সন্ধ্যায় রাস্তার মোড়ে সিদ্ধ ডিম ও সরিষার তেল দিয়ে ভাজা ডিম বিক্রি করে যা আয় হতো তা দিয়ে সংসার চালাতাম। কিন্তু করোনায় সর্বনাশ করল। এখন ঘরে থাকতে হচ্ছে। পেট তো আর চলে না। এই ডাক্তার বাজানরা যা দিল তা কদিন চলবে। এরপর কি খাব বাবা। বলতে বলতে কেঁদে ফেললেন বৃদ্ধা ছফুরা।

জেয়পুরহাট রেলবস্তির আসলাম, সিমেন্ট ফ্যাক্টরি সড়কের হারুন মিয়া, ষ্টেশন সড়কের ভ্রাম্যমাণ ভিক্ষুক আমেছা বিবিসহ অনেকে জানান, ‘বিভিন্ন স্থানে সরকারি অনুদান দেওয়ার কাজ চললেও তারা এখনো সেই সহায়তা পাননি। তাই করোনাভাইরাস মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত তারা প্রয়োজন মত সরকারি-বেসরকারি ত্রাণ সামগ্রী পাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

সময় জার্নাল/

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ