টটেনহ্যামকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন লিভারপুল

প্রকাশিতঃ ১১:০৬ পূর্বাহ্ণ, রবি, ২ জুন ১৯

স্পোর্টস ডেস্ক: শুরুর ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে পারল না টটেনহ্যাম হটস্পার। শেষ পর্যন্ত হেরেই গেল দলটি। চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে লিভারপুলের কাছে ২-০ গোলে হেরেছে স্পার্সরা। এ নিয়ে ১৪ বছর পর ইউরোপসেরা টুর্নামেন্ট জিতল অলরেডরা।
গেল আসরে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে রিয়াল মাদ্রিদের কাছে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয় লিভারপুলের। পরের বছরই সেই হতাশায় প্রলেপ দিল রেডরা। জিতল ইউরোসেরা খেতাব। ইউরোপের শীর্ষ প্রতিযোগিতায় এটি তাদের ষষ্ঠ শিরোপা জয়। এর আগে সবশেষ ২০০৪-০৫ মৌসুমে জেতে তারা।
গেলবার ফাইনালি লড়াইয়ে শুরুর দিকে চোট পেয়ে অশ্রুসিক্ত চোখে মাঠ ছাড়েন মোহামেদ সালাহ। এক বছর বাদে স্বপ্নপূরণের ম্যাচে তার গোলেই লিভারপুলের হয় দুর্দান্ত সূচনা। ২ মিনিটে সফল স্পট কিকে রেডদের আনন্দের জোয়ারে ভাসান তিনি। ম্যাচের প্রথম আক্রমণে ডি-বক্সে সাদিও মানের শট হাতে লাগে টটেনহ্যামের মুসা সিসোকোর।
ফলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। নিখুঁত শটে লক্ষ্যভেদ করেন মিসরীয় কিং। এটি চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে দ্বিতীয় দ্রুততম গোল। শুরুর ধাক্কা সামলে বল দখলে রেখে আক্রমণে মনোযোগী হয় টটেনহ্যাম। তবে বিরতির আগে একটি শটও লক্ষ্যে রাখতে পারেনি দলটি।
দ্বিতীয়ার্ধে দুদলের খেলায় ছিল গতিহীন। ছিল কোনো ছন্দ। উভয় দলই রক্ষণ সামলে আক্রমণে মনোযোগী হয়। তবে সাফল্য মিলছিল না। ৮৭ মিনিটে সব অনিশ্চয়তার ইতি টানেন দিভোক ওরিগি। জোয়েল মাতিপের পাস ডি-বক্সে পেয়ে নিচু শটে নিশানাভেদ করেন তিনি।
ওরিগির গোলেই উল্লাসে ফেটে পড়েন লিভারপুল সমর্থকরা। ডাগআউটে ক্লপের চোখেমুখে ফুটে ওঠে স্বপ্নপূরণের আনন্দ।

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ