‘ডক্টরস ব্যাংক’ প্রতিষ্ঠার যৌক্তিক দাবি

প্রকাশিতঃ ১২:১৬ অপরাহ্ণ, সোম, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০

ডা. কামরুল হাসান সোহেল :

সামরিক বাহিনীর সদস্যদের সেবা দিতে বর্তমানে সেনাকল্যাণ ফাউন্ডেশনের অধীনে ট্রাস্ট ব্যাংক নামে একটি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর জন্য ‘আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক’ নামে রাষ্ট্র মালিকানাধীন একটি বিশেষায়িত ব্যাংক রয়েছে।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশেরও (বিজিবি) ‘সীমান্ত ব্যাংক’ নামে একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে।

ব্যাংকটির অনুমোদিত মূলধন ধরা হয়েছে এক হাজার কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৪শ’ কোটি টাকা। সীমান্ত ব্যাংকের লভ্যাংশের পুরো অর্থ ব্যয় করা হবে কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত বিজিবি সদস্য, দুস্থ মুক্তিযোদ্ধা বিজিবি সদস্য ও তাদের পরিবারের নানামুখী কল্যাণে। এই ব্যাংকে চাকরিসহ অন্যান্য ক্ষেত্রেও বিজিবির কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পরিবারের সদস্যরা বিশেষ সুবিধা পাবেন। তাদের কোটাও থাকবে। এ ব্যাংক থেকে শহজ শর্তে ঋণ দেওয়া হবে।

এ ছাড়া থাকবে পেনশন স্কিম, গৃহ নির্মাণ ঋণ, দুরারোগ্য রোগের জন্য দেশি ও বৈদেশিক চিকিৎসা সহায়তা। এ ছাড়া ভবিষ্যতে বিবাহঋণ, কৃষিঋণ, একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের মতো প্রান্তিক ও সীমান্তবাসী জনগোষ্ঠীর উন্নয়নেও ব্যাংকটির পক্ষ থেকে ঋণ সহায়তা দেওয়া হবে।

বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের পরিচালনায় ‘কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড’ এর তফসিলি ব্যাংক হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

নৌ ও বিমান বাহিনীর জন্য যৌথভাবে একটি বাণিজ্যিক ব্যাংকের লাইসেন্স দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্মতি দিয়েছেন।

চিকিৎসকদের জন্য এই ধরণের একটি ব্যাংক “ডক্টরস ব্যাংক” প্রতিষ্ঠা করা যায় না, যা পরিচালিত হবে ডক্টরস ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট গঠনের মাধ্যমে।

বিজিবি বা অন্যান্য সংস্থার ব্যাংকগুলোর মত চিকিৎসকদের নানা সুযোগ সুবিধা দিবে এই ব্যাংক, সহজ শর্তে, অল্প সুদে( ৪% বা ৫%) দীর্ঘ মেয়াদে ঋণ সুবিধা দিবে।এ ছাড়া থাকবে পেনশন স্কিম, গৃহ নির্মাণ ঋণ, দুরারোগ্য রোগের জন্য দেশি ও বৈদেশিক চিকিৎসা সহায়তা। এ ছাড়া উচ্চশিক্ষার জন্য ঋণ দিবে, বিবাহঋণ সহ আরো বেশ কিছু সেবা দিবে এই ব্যাংক।

লেখক : উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, শাল্লা, সুনামগঞ্জ।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ