ডিআরইউ নির্বাচন প্রসঙ্গে সদস্যদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ মতামত

প্রকাশিতঃ ২:৩৮ অপরাহ্ণ, শনি, ৩০ নভেম্বর ১৯

সময় জার্নাল ডেস্ক :

ভোট দেওয়ার সকলের অধিকার‌। সঠিক মানুষকে ভোট দেওয়া বিচক্ষণতা আর দূরদর্শিতার পরিচয়।
•••• মোরশেদ হাসিব হাসান, চ্যানেল ২৪
।।।।।।।।।।

ভোট আপনার সিদ্ধান্ত আপনার
••••হাসান আরিফ, সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য
।।।।।।।।।।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নির্বাচনে আজ কাকে ভোট দিচ্ছেন আপনি? চিন্তা করেছেন কি? না করলে একবার ভাবুন কাকে আপনার মুল্যবান ভোট দিবেন। যে রির্পোটার নিজেকে ভাবে আমি হনুরে। আমি সব ক্ষমতার মালিক। ভাবেন তিনিই সব জান্তা। বাকী সবাইকে ভাবেন বোকা।যে সারা বছর কোন সদস্যদের খবর রাখেন না। তাকে ভোট দিবেন? সময় মাত্র কয়েক ঘন্টা ভাবুন কাকে আপনার নেতা বানাবেন। ভোট দেয়ার আগে আরেকবার রিভিউ করে নিতে পারেন,কাকে ভোট দিবেন। কাকে ভোট দিবেন যে সামনে এক কথা বলে পিছনে আরেক কথা বলে তাকে? যে নিজ হাউজের সহকর্মীদের রসালো সমালোচনা করে তাকে বা তার পচিরিত কাউকে ভোট দিবেন? বিভিন্ন সময় যারা শুধু আশ্বাসের বানী শুনিয়েছেন, মাঠ পর্যায়ের সাংবাকিদের কখনও খবর নেননি। বিপদে পাশে দাড়াঁননি! করছেন দলবাজি, পকেটবাজি, তেলবাজি। সাংবাদিকরা বিপদে বা সমস্যা পড়লে সে কোন দলের, তার পাশে দাড়াঁনো ঠিক হবে না! কোন কথা বলা যাবে না! সে অমোক গ্রুপের!?কেন থাকবো তার পাশে। দাড়াঁলে কি লাভ হবে কিনা? এমন চিন্তা ভাবনা যারা করেন তাদের কি আপনার মুল্যবান ভোট দিবেন? একবার চিন্তা করুন। দলীয়করন না করে, সংগঠনের নামে চাঁদাবাজি না করে, সাংবাকিদের কল্যাণে যে কাজ করে, পাশে থাকে তাদের ভোট দিন। মুখের ভালবাসা, চা, বিড়ি আর সিগারেটের ভালবাসার মোহে পড়ে আপনার মুল্যবান ভোট নষ্ট করবেন না। ভোট দেয়ার আগে একবার নিজের বিবেক প্রশ্ন করুন? ভোট দিবেন কাকে…..।
•••••এসএম ফয়েজ, বাংলাভিশন
।।।।।।।।।।
ডিআরইউর সব প্রার্থীই আমাদের সহকর্মী। নির্বাচনে কেউ জিতবে কেউ হারবে এটাই স্বাভাবিক। নির্বাচন শেষে আমাদেরকে ডিআরইউর বাগানে বসে আড্ডা কিংবা এক টেবিলে বসেই খেতে হবে। তাই নির্বাচনটাকে উৎসবমুখর রাখা আমাদেরই দায়িত্ব।
ছোট খাটো বিষয় নিয়ে আমাদের মধ্যে যেন বৈরিতা তৈরি না হয়। ডিআরইউ নির্বাচনে জিতলে কেউ যেমন বিশাল কিছু হয়ে যাবে না, তেমনি হারলেও একদম শেষ হওয়ার কিছু নেই।
দিনশেষে আমাদের সাংবাদিকতা করেই চলতে হবে। আসুন নির্বাচনটাকে সহজভাবে নেই, জয় পরাজয়কে ইতিবাচক হিসেবে গ্রহণ করে ডিআরইউর কল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত রাখি।
•••••সাইফুল ইসলাম, সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য
।।।।।।।।।।

ভোটে দাড়ালে অন্তত ৫০ শতাংশ ভোটারকে চেনা প্র‍য়োজন। অনেক প্রার্থী অনেক ভোটারকে চেনেন না। দুঃখজনক। নির্বাচনের দিন বহিরাগতদের ক্যাম্পেইন দেখতে চাই না।
•••••তৌহিদুর রহমান, বাংলানিউজ
।।।।।।।।।।

রাজনৈতিক মতাদর্শ বাদ দিতে বলছি না। তবে, ব্যালেট বিবেচনায় সেটা যেন সর্বোচ্চ গুরুত্ব না পায়। ডিআরইউ কে নির্লজ্জ দলীয়করণ থেকে রক্ষা করুন।
•••কামরুজ্জামান কাজল, সাবেক অর্থ সম্পাদক
।।।।।।।।।।

তাকেই ভোট দিবো, যাকে আমি চিনি। যিনি আমাকে চেনেন।
•••••রাশেদ নিজাম, চ্যানেল ২৪
।।।।।।।।।।

নির্বাচনে প্রকৃত সাংবাদিক যোদ্ধার জয় হোক। অপশক্তি নিপাত যাক।
••••আবদুর রহমান মাসুম, সদস্য

।।।।।।।।।।
ডিআরইউ নেতা কে হবে- সেটা যদি বাহির থেকেই ঠিক করে ফেলা হয়, তাহলে ভোটের দরকার কি?
নির্বাচনে যে কেউ দাড়াতে পারে, ভোট চাইতে পারে। কিন্তু যে প্রার্থী তার প্রতিদ্বন্ধীকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে, তাকে ভোট না দেয়াই ভাল।
•••••আবদুল্লাহ আল মামুন, দেশ রূপান্তর
।।।।।।।।।।

যাদের সাথে আমি পরিচিত, যাদেরকে সৎ হিসেবে জানি, শিক্ষিত ও তুলনামূলক ভালো সাংবাদিক, আমার মতো ছাপোষা সাংবাদিকের ভোট তাদের জন্য।
••••জাবেদ আকতার, এটিএন নিউজ
।।।।।।।।।।

দল কিংবা সম্পর্কের খাতিরে নয়, যিনি অাপদমস্তক প্রফেশনাল, এখনো দাঁপিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করেন বা করেছিলেন এমন সহকর্মী যোদ্ধাদের নেতা- নেত্রী হিসাবে দেখতে চাই, ভোটও দেবো সেভাবে..
••••••কাবেরী মৈত্রয়, সদস্য
।।।।।।।।।।

ডিআরইউয়ের নির্বাচনে সাধারণত আমি ব্যক্তি ইমেজ দেখি। আমাদের সদস্যদের সুখে-দুখে যারা পাশে থাকেন তাদের সাথেই থাকি। এবারও তাই
•••••সিরাজুজ্জামান, জাগো নিউজ

।।।।।।।।।।

ডিআরইউ’র জন্য যে কাজ করতে পারবেন এবং ব্যক্তিগত সম্পর্ক, এই দু’টো বিষয় মাথায় রেখেই আমি ভোট দিই। অনেক সময় কোনো পদে আমার ভাবনার ব্যক্তি না থাকলে ব্যালটে ফাঁকা রাখি।
••••••ইকরাম উদ দৌলা, বাংলা নিউজ
।।।।।।।।।।

ডিআরইউ’র ভোট যেহেতু স্থানীয় বা বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচন না সেহেতু ভোট ক্যাম্পেইনের সময় এলাকার বা বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় ভাই এসব ট্যাগ না লাগালে ভালো হয়।
•••••••জেসমিন মলি, বণিকবার্তা
।।।।।।।।।।

“সিনিয়র” আতঙ্কের বলী DRU নির্বাচন। এবার কিছ‌ু শী‌তের পা‌খি প্রার্থী হ‌য়ে‌ছে। গত ১৯ বছর য‌াবত আমি ডিআরইউ সদস্য। তা‌দের‌কে বি‌শেষ উপলক্ষ্য ছাড়া দেখ‌তে পাইনি। ক‌য়েকজন আছে এ নির্বাচন উপল‌ক্ষেই প্রথম দেখলাম। আবার নির্বাচ‌নের পর হা‌রি‌য়ে যা‌বে, জয়ী কিংবা পরা‌জিত যা-ই হোক না কেন। তা‌দের‌কে না বলুন।
•••••সাইফুল ইসলাম, ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেসগুলো
।।।।।।।।।।

নির্বাচন ব্যবসায়ীদের বিশ্রামের সুযোগ দিন। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে নতুনদের কাজ করার সুযোগ দিন। অভিজ্ঞ ও বর্ষিয়ানদেরও মূল্যায়ন করুন। তবে যারা প্রতিবার, ১ বছর পরপর প্রার্থী হয়, নির্বাচন যাদের বানিজ্য সেই পরিচিত মুখগুলোকে এবার একটু বিশ্রামের সুযোগ দিন, প্লিজ।
••••কাজী ইমরুল কবীর সুমন, সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক
।।।।।।।।।।

একটি সংগঠন পরিচালনায় যোগ্য নেতৃত্ব দরকার। পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃত্বে মুক্ত মানসিকতার পাশাপাশি সর্বজন গ্রাহ্য, পরিচিত, পেশার মানুষের স্বার্থ অনুধাবন, দাবি উপস্থাপনের যোগ্যতা এবং একই সাথে নিজ পেশায় তার সুনামও জরুরী। পাশাপাশি মানসম্পন্ন ও গ্রহণযোগ্য প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকার বিষয়টিও বিবেচনায় থাকা উচিৎ বলে মনে করি। নির্বাচনে আসতে হলে প্রার্থী হিসেবে নিজেকে সেই আয়নায় দেখে মাঠে নামা উচিৎ। ভোটারদেরও উচিৎ এবিষয়গুলি বিবেচনায় আনা।

একই সাথে বারবার নির্বাচনে দাড়ানো মানুষগুলোর মোটিভ সংগঠনের চেয়ে নিজের আখের গোছানো কিনা তাও একজন ভোটার হিসেবে ভাবা জরুরী।

সবার আগে ভোট পদ্ধতিও পাল্টানো দরকার। সারাবছর খোঁজ নেই, চেনা-জানা নেই। ভোটের আগে ২/১ মাস ফোন, ম্যাসেজে জর্জরিত করে সারা। আর এই ক্যাম্পেইনকে কেন্দ্র করে প্রচারণার খরচ তোলার নামে কিছু প্রার্থীর বানিজ্য করার কথাও জানা। এটা এ পেশাকেই ছোট করে। আবার সাংবাদিকদের মনোতুষ্ট করার জন্য ব্যাপক খরচপাতিও না করার গতান্তর নাকি থাকেনা। এও এক বিপত্তি বৈকি। এজন্য মেয়াদ শেষ হবার আগে এজিএম করার আগে দুদিনে নাম প্রস্তাব করে তা একটা তালিকা সদস্য সবার ইমেইলে পাঠানো যায়। আমরা আম- ভোটাররা এজিএমএর পরের দিন নির্বাচনী আমেজে ভোট দিয়ে এলাম নাহয়। ভবিষ্যতে এভাবে নাহলেও অন্যভাবে ভাবা জরুরি। নতুবা অসাংবাদিকেরা নেতা হয়ে আমাদের প্রতিনিধিত্ব করুক এ বড় বিব্রতকর ও মনোকষ্টের।
•••••নাদিরা কিরন, এটিএন বাংলা

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ