ডেঙ্গুজ্বরে প্রাণ গেল ডেঙ্গু প্রতিরোধ সেলের সদস্যের

প্রকাশিতঃ ৮:১৯ অপরাহ্ণ, বৃহঃ, ১৫ আগস্ট ১৯

নিউজ ডেস্ক: ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি আদেশে ঢাকা এসে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ডেঙ্গু প্রতিরোধ সেলের সদস্য ও মাদারীপুর সদর উপজেলার স্বাস্থ্যসহকারী তপন কুমার মণ্ডল (৩৫)।

বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে তিনি মারা যান।

এই নিয়ে মাদারীপুরে ডেঙ্গুজ্বরে ৭ জনের মৃত্যু হল।

তপন কুমার মণ্ডল মাদারীপুর সদর উপজেলার পেয়ারপুর ইউনিয়নের বড়াইলবাড়ি গ্রামের জদুনাথ মণ্ডলের ছেলে। তিনি মাদারীপুর সদরের স্বাস্থ্যসহকারী ছিলেন। ডেঙ্গু প্রতিরোধ সেলের সদস্য হিসেবে মাদারীপুর থেকে তাকে ঢাকা আনা হয়েছিল।

সিভিল সার্জন অফিস ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুর সদরে কর্মরত স্বাস্থ্যসহকারী তপন কুমার মণ্ডল ১৬ দিন আগে সরকারি আদেশে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৫৮নং ওয়ার্ডে ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য যান। সেখানে কর্তব্যরত অবস্থায় গত ১১ আগস্ট তিনি ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হন।

ঈদের ছুটিতে বাড়িতে আসলে অসুস্থতা বাড়লে তপন কুমারকে প্রথমে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তী সময়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। তখন তপন কুমারের শরীরে প্লাটিনেটের পরিমাণ ত্রিশ হাজার ছিল।

সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে ঢাকার বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে বুধবার থেকে আইসিইউতে থাকার পর বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টার দিকে তিনি মারা যান।

এই নিয়ে মাদারীপুরে ডেঙ্গুজ্বরে ৭ জনের মৃত্যু হল। তাদের মধ্যে কালকিনি ও শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুইজন মারা গেছেন। অন্যরা ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ, বরিশাল মেডিকেল কলেজ ও ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

মাদারীপুর সিভিল সার্জন মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের সদরের একজন স্বাস্থ্যসহকারী সরকারি দায়িত্বে ঢাকার দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের একটি ওয়ার্ডের ডেঙ্গু প্রতিরোধ করার কাজে নিয়োজিত ছিলেন। সেখানে থাকা অবস্থায় তিনি ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হন। তিনি ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ