ত্রিপুরায় একই পরিবারের ৪ জনের আত্মহত্যা

প্রকাশিতঃ ১:৩২ অপরাহ্ণ, সোম, ২৫ নভেম্বর ১৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের ত্রিপুরায় কাজের অভাব ও এনজিওর চড়া সুদের ঋণের চাপে অবশেষে দিশেহারা একটি পরিবারের চারজনই আত্মহত্যা করেছেন।

ত্রিপুরা পশ্চিম জেলার পূর্ব চানপুর এডিসি ভিলেজের সন্ন্যাসীমুড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

পেশায় দিনমজুর পরেশ তাঁতি শনিবার বাড়ির তিনজনকে নিয়ে আত্মঘাতী হন। প্রাথমিকভাবে উঠে আসে দারিদ্র্য ও ঋণের বোঝার কথা।

বিজেপি-আইপিএফটি জোটের সরকার অবশ্য অভাবের তাড়নায় মৃত্যুর কথা অস্বীকার করেছে। এ অবস্থায় আজ সন্ন্যাসীমুড়ার পরিস্থিতি সরেজমিন দেখতে যান বিরোধী দলনেতা মানিক সরকার, সিপিএমের আরও দুই বিধায়ক সুদন দাস ও রতন ভৌমিক, স্বশাসিত জেলা পরিষদের কার্যনির্বাহী সদস্য পরীক্ষিত মুরা সিংহ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গোটা ত্রিপুরায় অরাজকতা চলছে। কাজ ও খাদ্যের অভাব চারদিকে। এলাকার লোকজন ও পরেশ তাঁতির শাশুড়ি অঞ্জনা তাঁতির বরাত দিয়ে গণমাধ্যমগুলো বলছে, কাজ না পাওয়ায় অনাহারে অবশেষে তারা আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়।

বেসরকারি সংস্থা থেকে ঋণও নিয়েছিলেন পরেশ। তা শোধ করতে না পারার যন্ত্রণাও তাকে হতাশার দিকে ঠেলে দিয়েছে।

স্থানীয় নেতারা বলছেন, রাজ্যে কাজ না পেয়ে অনাহারে যাতে কারও মৃত্যু না হয়, তার জন্য কর্মসংস্থানে নজর দেয়া উচিত রাজ্য সরকারের।

রাজ্যে চড়া সুদে ঋণ দিচ্ছে যেসব সংস্থা, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ারও দাবি এলাকাবাসীর। এক পরিবারের চারজনের আত্মহত্যার কথা জানার পর সিপিএম রোববার অভিযোগ করেছিল, বিজেপি-আইপিএফটি জোটের সরকার উৎসবের আয়োজন করছে সরকারি অর্থের অপচয় করে। এদিকে সারা রাজ্যে চলছে কাজ ও খাদ্যের আকাল।

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ