দেশে ১ কোটি মেট্রিক টন আলু উৎপাদনের টার্গেটে চাষীরা মাঠে

প্রকাশিতঃ ৬:১৫ অপরাহ্ণ, বুধ, ১১ ডিসেম্বর ১৯

সরকার মাজহারুল মান্নান, রংপুর থেকে: চলতি মৌসুমে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ মেট্রিক টন আলু উৎপাদনের টার্গেট নিয়ে দেশের বিস্তৃর্ন অঞ্চলে মাঠে আলু লাগানো নিয়ে ব্যস্ত সময় পারি দিচ্ছেন প্রায় সাড়ে ৭ লাখ চাষী। যা দেশের মোট চাহিদার অর্ধেকেরও বেশি। এরমধ্যে রংপুরসহ উত্তরের ১৬ জেলাতেই আলুর ফলন হবে সাড়ে ৭০ লাখ ৮৭ হাজার মেট্রিক টনের ওপরে। এবারও আলু সংরক্ষণ জটিলতায় পড়ার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ অ্যসোসিয়েশন কর্তৃপক্ষ। উৎপাদনের ধারাবাহিকতা রক্ষায় উত্তরাঞ্চলে পটেটো প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প প্রতিষ্ঠা, কোল্ড স্টোরেজ প্রতিষ্ঠা, বিদেশে রপ্তানি এবং ন্যায্য দাম নিশ্চিত করার দাবি জানিেেছন কৃষক, ব্যবসায়ী, বাজার ব্যবস্থাপনা ও কৃষি বিশেষজ্ঞরা।

বাংলাদেশের পরিসংখ্যান ব্যুরোর থেকে পাওয়া তথ্যে প্রকাশ, ২০১৩-১৪ সালে বাংলাদেশে ৪ লাখ ৬২ হাজার ৩২ হেক্টর জমিতে দেশি ও উচ্চ ফলনশীল জাতের আলু চাষ হয়েছিল। ওই বছর আলু উপাদন হয়েছিল ৮৯ লাখ ৫০ হাজার ২৪ মেট্রিক টন। কিন্তু বাংলাদেশে আলুর বার্ষিক চাহিদা ৬৫ লাখ টন। এই হিসাবে দেশে বছরে প্রায় ২৫ লাখ টন অতিরিক্ত আলু উৎপাদন হয়। এছাড়াও এই কাজে ৭ লাখ ৫০ হাজার কৃষক সরাসরি জড়িত। যার ৩০ ভাগই নারী। সূত্রমতে বাংলাদেশ পৃথিবীর ৭ম বৃহত্তম আলু উৎপাদনকারী দেশ এবং এশিয়া ও প্যাসিফিক অঞ্চলে আলু উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়।

অন্যদিকে জাতিসংঘের সহযোগী সংগঠন ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার অর্গানাইজেশনের (এফএও) হিসাবে, এখন বাংলাদেশে আলুর মোট চাহিদা ৪২ লাখ টন। এর সঙ্গে খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্প ও রফতানি যোগ করলেও সর্বোচ্চ চাহিদা কোনোভাবেই ৫০ লাখ টনের বেশি হবে না। ফলে উৎপাদন ও চাহিদার মধ্যে ব্যবধান ৫০ লাখ টনের বেশি। বাজার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য ও সংরক্ষণব্যবস্থায় দুর্বলতার কারণে ভোক্তাদের বেশি দামে আলু কিনতে হচ্ছে। এফএও এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের হিসাব মতে, ১৯৯৫-৯৯ সাল পর্যন্ত জনপ্রতি আলু গ্রহণ ছিল প্রায় ২৯ গ্রাম। পরবর্তী পাঁচ বছরে এর পরিমাণ দাঁড়ায় ৫০ দশমিক ৮২ গ্রাম। ২০০৫-০৯ সময়ে মাথাপিছু আলু গ্রহণ হয় ৭৬ দশমিক ১৭ গ্রাম। বাড়তি এ চাহিদার সঙ্গে উৎপাদনও বেড়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ সূত্র জানায়, সারাদেশে আলু লাগানোর পিক পিরিয়ড চলছে এখন। গতকাল পর্যন্ত সারাদেশে লক্ষমাত্রার ৭০ ভাগ আলূ লাগানো হয়েছে। বাকী ৩০ ভাগ আলূ লাগানোর প্রক্রিয়া চলতি মাসের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে। এবার সারাদেশে প্রায় ৫ লাখ ১০ হাজার হেক্টর জমিতে আলু লাগানোর প্রাথমিক টার্গেট নিয়েছে কৃষি বিভাগ। যা থেকে প্রায় ১ কোটি লাখ ২০ মেট্রিক টন আলু উৎপাদনের টার্গেট করা হয়েছে। এরমধ্যে সারাদেশের টার্গেটের ৩ ভাগই উৎপাদন হবে উত্তরের ১৬ জেলায় বলে জানিয়েছে কষি বিভাগ। এই অঞ্চল থেকেই উৎপাদন হবে প্রায় ৭০ লাখ ৮৭ হাজার ৮০০ মেট্রিক টনেরও ওপরে।

আঞ্চলিক খামার বাড়ি রংপুর, দিনাজপুর, বগুড়া ও রাজশাহী অফিস সূত্র জানায় , এবার উত্তরাঞ্চলে গত বছরের চেয়ে ৩৩ হাজার হেক্টর বেশী জমিতে আলুর আবাদ হবে। রংপুর কৃষি অঞ্চলের ৫ জেলায় ৯১ হাজার ৬২০ হেক্টর, বগুড়া কৃষি অঞ্চলের চার জেলায় ৯৭ হাজার ৩২৮ হেক্টর, দিনাজপুর কৃষি অঞ্চলের ৩ জেলায় ৮৬ হাজার ১১৪ হেক্টর, রাজশাহী কৃষি অঞ্চলের ৪ জেলা৭৯ হাজার ৩২৮ হেক্টর মোট ৩ লাখ ৫৪ হাজার ৩৯০ হেক্টর জমিতে। এরমধ্যে রংপুরে সর্বোচ্চ ৫৭ হাজার ৫৪৪ হেক্টর জমিতে।

সেন্টার ফর স্ট্যাটিক্সটিক্স এন্ড ডেভলেপমেন্ট(সিএসডি) তাদো জরিপে বলেছে, কৃষি বিভাগ এবার গড়ে প্রতি হেক্টরে ২০ মেট্রিক টন হিসেবে চলতি মৌসুমে উত্তরাঞ্চলে ৩ লাখ ৫৪ হাজার ৩৯০ হেক্টর জমি থেকে প্রায় ৭০ লাখ ৮৭ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন আলু উৎপাদনের টার্গেট নিয়েছেন। ২০১০ সালে এই অঞ্চলে ২ লাখ ৯৮ হাজার ৬৫০ হেক্টর জমিতে আলুর আবাদ হয়েছিল। যা থেকে ৫২ লাখ ২৬ হাজার ৩৭৫ মেট্রিক টন আলু উৎপাদন করেছিলেন কৃষকরা। ২০০৯ সাল থেকে মুন্সিগঞ্জকে ছাড়িয়ে সর্বোচ্চ আলু উৎপানদকারী জেলা হিসেবে রংপুর বাংলাদেশের কৃষিখাতে নাম লেখায়।

এদেিক মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, চাষীরা গত বছরের দামে মন্দা, ভাল বীজের অভাব, বীজ, সার, কর্ষনসহ উৎপাদন খরচ বেশী হওয়া সত্বেও আলু লাগাচ্ছেন ব্যপক উৎসাহ নিয়ে। তারা এবারও আলুর বাম্পার ফলন পাওয়ার আশা করছেন। তবে এবারও যেন দাম নিয়ে বিপাকে পড়তে না হয়, সংরক্ষণ নিয়ে জটিলতায় পড়তে না হয়, সেদিকেই সরকারের উদ্যোগ দাবি করেছেন তারা।

আবহাওয়া এখন পর্যন্ত অনুকুলে: রংপুরের বুড়িরহাট কৃষি গবেষনাকন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এ প্রতিবেদককে জানান , আলু চাষের জন্য সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫ থেকে ১০ ডিগ্রী সেলসিয়াস এবং দিনে গড়ে তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ২৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস এবং রাতে সর্বোচ্চ ১৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস থাকা প্রয়োজন। আবাদের শুরু থেকে শীত বেশী পড়লে তাপমাত্রা কমে যায় এবং এই অবস্থা দীর্ঘদিন ধরে অব্যাহত থাকলে আলূর আবাদ ভাল হয়। তিনি বলেন বর্তমানে এই অঞ্চলে যে আবহাওয়া বিদ্যমান তা আলু আবাদেন জন্য বেষ্ট। এই আবহাওয়া গোটা ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত অব্যাহত থাকলে এবার আলুর ষোলআনা ফলন ঘরে তুলতে পারবেন কৃষকরা।

আশংকা: ওই কৃষি বিশেষজ্ঞ আরও বলেন , যদি ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত তাপমাত্রা ক্রোমান্বয়ে বৃদ্ধি পেতে থাকে, দিনে গরম এবং রাতে ঠান্ডা অনুতূত হয়, পশ্চিমা বা পুবাল হাওয়া বেশী বইতে থাকে তবে আলুতে পচন বা লেট ব্রাইট রোগ হবে। আর সেটা হলে ফলন বিপর্যয় আসা স্বাভাবিক।

কৃষকদের করনীয়: তিনি আরও জানান , এখন যে সব আলু গাছের বয়স ৪০ দিনের নীচে । সেসব জমিতে বেশী শীত হলে ছত্রাক নাশক ব্যবহার করতে হবে। আর যেসব আলু গাছের বয়স ৪০ দিনের উপরে সেসব জমিতে ৭৫ দিন পর্যন্ত আবহাওয়ার তারতম্য ঘটলে পচন দেখা দেয়ার আশংকা বেশী । সেগুলোতে ম্যটাসিক্সটকস জাতীয় পচন রোধক ব্যবহার করলে পচন রোধ করা সম্ভব হবে।

কৃষি সম্প্রসরাণ বিভাগ রংপুর আঞ্চলিক অফিসের অতিরিক্ত পরিচালক ড. মোহাম্মদ সরওয়ারুল হক জানান, এবারও গতবছরের চেয়ে রেশি আবাদ হবে রংপুর কৃষি বিভাগের ৫ জেলায়। আর্লিব্রাইট বা লেটব্রাইটসহ কোন রোগই যেন আলু আবাদের হ্যাম্পার করতে না পারে সেজন্য কৃষি বিভাগ এখন থেকেই আলু আবাদকে নিবিড় তত্বাববধায়ন করছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবারও এই অঞ্চলে লক্ষমাত্রার চেয়েও বেশী আলু উৎপাদন হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সংরক্ষন জটিলতায় পড়বেন কৃষকরা: বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশন (বিসিএসএ) সূত্রে জানা গেছে, আলু সংরক্ষণের জন্য বেসরকারি পর্যায়ে ৩৩৫টি হিমাগার এবং সরকারি পর্যায়ে বিএডিসির নিয়ন্ত্রণাধীন ১৭টি হিমাগার রয়েছে। এর মধ্যে ২৩টি বন্ধ আছে। এখন বেসরকারিভাবে ও সরকারি পর্যায়ে সর্বোচ্চ সংরক্ষণক্ষমতা ৩৫ লাখ টন, যা চাহিদার তুলনায় ৪০ শতাংশ কম। ২০১০ সালে ১০ লাখ টন এবং ২০১৩ সালে ১৫ লাখ টন আলু বাজার চাহিদার অভাবে হিমাগারে নষ্ট হয়ে গেছে। হিমাগারে ধারণ ক্ষমতার অভাব এবং কৃষকদের নিজস্ব সংরক্ষণ ব্যবস্থা না থাকায় প্রতি বছর উৎপাদনের ১৫ থেকে ২০ আলু নস্ট হয়। এছাড়াও কৃষক পর্যায়ে আলু সারা বছর সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেই, জাতীয় পর্যায়েও সংরক্ষণ ব্যবস্থা অত্যন্ত সীমিত। আলুর রপ্তানিও সন্তোাষ জনক নয়। যা সারা বছরে ১ লাখ টনেরও কম। অন্যতিকে উত্তরাঞ্চলের এক’শটির মতো কোল্ড ষ্টোরে আলু সংরক্ষণের ধারণ ক্ষমতা ১০ লাখ মেট্রিক টনের নিচে। কৃষি বিভাগের টার্গেট অনুযায়ী এই অঞ্চলে এবছর ৭০ লাখ ৮৭ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন আলু উৎপাদন হলে বাকী ৬০ লাখ ৮৭ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন আলু সংরক্ষণের বাইরে থেকে যাবে। এরমধ্যে কিছু চলে যাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কোল্ড ষ্টোরে। এছাড়াও বড় বড় মৌসুমী ফড়িয়া দালালরা সংরক্ষন করেন এবং তারা নিজেদের ইচ্ছা মতো বাজার নিয়ন্ত্রণ করে বিক্রি করেন। এছাড়াও আলু উঠার পরই চাষিরা আলু বিক্রি শুরু করেন। দেশে প্রায় ৪৪ লাখ টন আলু চাষিরা বিভিন্নভাবে বাড়িতে মজুত করে রাখেন।

এদিকে দেশে বিপুল আলু উত্পাদন হতে চললেও এ নিয়ে কোনো আগাম প্রস্তুতি নেই সরকারের। আলু সংরক্ষণ বা রফতানি নিয়ে সরকার এখনও কিছুই ভাবেনি। এরই মধ্যে ব্যবসায়ীরা আলুর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হিমাগারে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, বন্ধ হিমাগার চালু ও রফতানিতে ইনসেনটিভ বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন। দেশে সাধারণ খাদ্য হিসেবে আলু ব্যবহার হয় ৩০ লাখ মেট্রিক টন। বাকি আলু দেশে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চিপসসহ অন্যান্য খাদ্য তৈরিতে ব্যবহার এবং সরাসরি রফতানি হয়ে থাকে। কিন্তু বাণিজ্যিক ব্যবহার এবং রফতানির জন্য আলু সংরক্ষণে দেশে প্রয়োজনীয় সংখ্যক হিমাগারও নেই। বিদ্যুতের অভাবে বেসরকারি খাতও হিমাগার তৈরিতে আগ্রহী হচ্ছে না।

এ ব্যপারে এই অঞ্চলের সব চেয়ে বেশি হিমাগারের মালিক মোতাহার গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বিসিআই এর সাবেক সভাপতি, এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সহ-সভাপতি ও বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সহ সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু এ প্রতিবেদককে জানান, গতবছর মাত্রাতিরিক্ত আবাদ ও আলুর বাম্পার ফলন হওয়ায় সংরক্ষণ জটিলতায় পড়তে হয়েছিল। এবার গত বছরের চেয়ে বেশী টার্গেট নেয়ায় এবং মাঠে আলু চাষে কৃষকদের উৎসাহই বলে দিচ্ছে এবার আলু নিয়ে সংরক্ষণ জটিলতায় পড়বেন কৃষকরা। দেশে উৎপাদিত বিপুল আলু সঠিকভাবে ব্যবহার করতে তারা হিমাগারে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা, বন্ধ হিমাগার চালু, ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল দ্রুত ছাড় করা, রফতানিতে ২০ ভাগ ইনসেনটিভ ঘোষণা এবং অন্তত ১০ টি পটেটো ফ্লেক্স শিল্প চালু করতে হবে। সরকার এ ক্ষেত্রে দ্রুত ব্যবস্থা নিলে আলু নিয়ে কৃষক বা ব্যবসায়ীরা কোনো বিপাকে পড়বে না।

তিনি বলেন আলুর ন্যায্য দাম নিশ্চিত করতে, সংরক্ষণক্ষমতা না থাকায় বাড়তি উৎপাদন নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে বছরের শেষ দিকে আলুর দাম বেড়ে যায়। কৃষকদের লোকসান কাটিয়ে তুলতে এবং আলু আবাদের উদ্যোগ অব্যাহত রাখতে এই অঞ্চলে পটোটো প্রক্রিয়াজাতকরণ বিভিন্ন মিল প্রতিষ্ঠা জরুরী হয়ে পড়েছে। এজন্য সরকারকে স্বল্প সুদে ঋণ দিয়ে বেসরকারী খাতকে উৎসাহ করার দাবি জানান তিনি।

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ