ধলেশ্বরীতে এত মাছ!

প্রকাশিতঃ ৮:০১ অপরাহ্ণ, সোম, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০

সকাল থেকে উৎসুক জনতার উপচেপড়া ভিড় ধলেশ্বরী নদীর পাড়ে। কেউ দাঁড়িয়ে দেখছে, কেউবা পানিতে হাত দিয়েই তুলে নিচ্ছে মাছ। বেলা গড়াতেই শিশু থেকে শুরু করে যুবক এবং বয়স্ক ব্যক্তিরাও যোগ দিয়েছে মাছ ধরার এ লড়াইয়ে। মাছ ধরার জন্য কেউ কেউ নিয়ে এসেছে ঝাঁকিজাল, পাইন জাল কিংবা মইয়া জাল।

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের চান্দের চর গ্রাম বিধৌত ধলেশ্বরী নদীর পাড়ের দৃশ্য এটি। সোমবার সকালে নদীর পাড়ে হঠাৎ দেখা গেল ঝাঁকে ঝাঁকে মাছ। বড় বড় টেংরা, চিংড়ি, বাইম, পুঁটি, বাঘা আইড়, চাপিলা, কাতলা, সরপুঁটিসহ নানা জাতের মাছ উঠে এসেছে নদীর পাড়ে। স্থানীয় গরিব মানুষ, যারা বাজার থেকে চড়া দামে এই দেশীয় মাছগুলো কিনতে পারে না, তাদের চোখে মুখে ছিল আনন্দের ছাপ। স্থানীয়রা অনেকেই এক কেজি থেকে শুরু করে পাঁচ কেজি পর্যন্ত মাছ ধরেছে।

আমাদের স্থানীয় সংবাদদাতা জানিয়েছে, মাছ ধরতে আসা একেকজন নদীর পাড় থেকে প্রায় এক হাজার টাকারও বেশি মূল্যের মাছ ধরেছেন।

কেন হঠাৎ মাছগুলো ঝাঁকে ঝাঁকে উঠে এসেছে, জানতে চাইলে উপজেলা ঊর্ধ্বতন মৎস্য কর্মকর্তা যুধিষ্ঠি রঞ্জন পাল বলেন, “হঠাৎ করে এভাবে নদীর পাড়ে মাছ ভেসে উঠার ঘটনা বিরল। সাধারণত পানিতে পচন জাতীয় কিছু হলে মাছ জীবিত অবস্থায় কিনারে ভেসে ওঠে। তবে, যেখানটায় মাছ ধরা দিয়েছে সেখানের আশেপাশে কোনো কল কারখানার বর্জ্য নিষ্কাশনের আশঙ্কা নেই। কেন এমন হলো সেটাই এখন দেখার বিষয়। আমরা দেখার চেষ্টা করছি।”

এছাড়া, ধলেশ্বরী নদীর মাছ অন্যান্য নদীর মাছের তুলনায় সুস্বাদু এবং বাজারমূল্য অনেক বেশি বলে জানান তিনি।

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ