পাঁচজন মুসল্লী নিয়ে হলেও যেন খতমে তারাবীহ হয়

প্রকাশিতঃ ৬:২২ অপরাহ্ণ, রবি, ১২ এপ্রিল ২০

আব্দুল হালিম বিন ইউসুফ, ফেনী : সাম্প্রতিক করোনাভাইরাস এর কারণে সারাবিশ্ব স্থবির হয়ে গেছে, মানুষের জীবনযাত্রায় পড়েছে এর মারাত্মক প্রভাব। এই কঠিন অবস্থা থেকে বাদ পড়েননি হাফেয সাহেবরাও।

এ সময়ের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে হাফেযদের প্রতিনিধিত্বকারী আন্তর্জাতিক সংগঠন ‘আহলুল হুফফাজ ফাউন্ডেশন’ এর চেয়ারম্যান, তুরস্ক বিশ্ব হিফযুল কুরআন প্রতিযোগীতায় বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বলকারী ক্বারী শেখ নাজির উল্লাহ বলেন, বাংলাদেশে হাজার হাজার কোরআনের হাফেয আছেন।

যারা প্রতিবছরের ন্যায় এবারও তারাবীহ পড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন কিন্তু করোনা ভাইরাসের কারণে সবকিছু স্থগিত হয়ে আছে। যেহেতু আমাদের দেশে মসজিদগুলো চালু রাখার ব্যাপারে সরকার ওলামায়ে কেরামের সাথে পরামর্শক্রমে মসজিদগুলো সীমিত আকারে খোলা রেখেছে।

সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, প্রতি ওয়াক্তে পাঁচজন করে আর জুমু’আতে ১০ জন করে [সর্বোচ্চ] সালাত আদায় করবে। আমরা আশা করছি, মাহে রমাদ্বনের পূর্বে এই করোনা ভাইরাস থেকে আমরা পরিত্রাণ পাবো।

আল্লাহ না করুন পরিস্থিতি যদি এমনই থেকে যায়, তাহলে পাঁচজন মুসল্লী নিয়ে হলেও যেন খতম তারাবীহ পড়া হয়।

সরকারী-বেসরকারী মসজিদগুলো যেন কুরআনের সুরে মেতে ওঠে। আমরা আশা করি, হয়তোবা কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে আমরা এই বৈশ্বিক দুর্যোগ থেকে পরিত্রাণ পাবো, ইনশাআল্লাহ।

আরেকটি বিষয় হচ্ছে, বাংলাদেশের হাফেযরা সাধারণত: মধ্যবিত্ত-নিম্ন মধ্যবিত্ত ঘরের সন্তান আর তাদের বিশাল একটা অংশ এখনও শিক্ষার্থী।

প্রায় ৯০ শতাংশ হাফেয শিক্ষার্থীরা তারাবীহ’র এই টাকাগুলো দিয়ে সারা বছরের পড়াশোনার খরচ চালায়। যেহেতু সীমিত আকারে মাসজিদে নামাজ হচ্ছে, সেহেতু আমি অনুরোধ করব সরকার যেন সীমিত আকারেই তারাবীহ চালু রেখে আমাদের/হাফেয সাহেবদের কল্যাণের সুযোগ করে দেয়, আমিন।

লেখক : কোরআনে হাফেজ

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ