পাকিস্থান থেকে ১৫ বছর পর পেঁয়াজ আমদানি করছে বাংলাদেশ

প্রকাশিতঃ ২:৩২ অপরাহ্ণ, রবি, ১০ নভেম্বর ১৯

নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি করাচি ভিত্তিক রোশান এন্টারপ্রাইজের সঙ্গে ঢাকার তাসো এন্টারপ্রাইজের মধ্যে ৩০০ টন পেঁয়াজ নিয়ে চুক্তি হয়েছে। যা বানিজ্যিক দিক থেকে বাংলাদেশের কাছ থেকে সাথে প্রায় ১৫ বছর পর সবজি রপ্তানির অর্ডার পেল পাকিস্থান।

ট্রেড ডেভেলপমেন্ট অথোরিটি অব পাকিস্তানের (টিডিএপি) এক কর্মকর্তা খবরটি নিশ্চিত করেছেন বলে জানায় দেশটির দ্য নিউজ ইন্টারন্যাশনাল।

সেখানে বলা হয়, প্রতিবেশী দেশের ওপর ভারতীয় সবজি রপ্তানির নিষেধাজ্ঞার কারণে বাংলাদেশের স্থানীয় বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে।

ওই কর্মকর্তা জানায়, কমপক্ষে ১২ কনটেইনার পেঁয়াজ বাংলাদেশে যাবে। এরপর আরও রপ্তানি হবে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ প্রতিবছর ৭ লাখ থেকে ১১ লাখ টন পেঁয়াজ আমদানি করে। এর ৭৫ ভাগই যায় ভারত থেকে।

স্থানীয় বাজারে সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য তুরস্ক, মিয়ানমার ও মিসরের মতো বিকল্প বাজারের সন্ধান করছে ঢাকা। ওই কর্মকর্তা জানান, ভারতীয় নিষেধাজ্ঞার কারণে পাকিস্তান সম্ভাব্য বাজার হিসেবে হাজির হয়েছে।

তিনি আরও জানান, পেঁয়াজ বাণিজ্য নিয়ে দুই দেশের সরকারও একমত হয়েছে।

একজন রপ্তানিকারক জানান, বাজারের বর্তমান অবস্থা বিবেচনায় পেঁয়াজ রপ্তানি লাভজনক হবে।

অল পাকিস্তান ফ্রুট অ্যান্ড ভেজিটেবল এক্সপোর্টার্স, ইমপোর্টার্স অ্যান্ড মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান ওয়াহিদ আহমেদ বলেন, টন প্রতি পেঁয়াজের মূল্য ৬০০ ডলার। একেকটি কনটেইনারে ধরে ২৮ টন।

পাকিস্তানি পণ্যের বাজার হিসেবে বাংলাদেশ বেশ গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য বলেও জানানো হয় প্রতিবেদনে। এশিয়ার মধ্যে চীনের পর বাংলাদেশেই বেশি পণ্য রপ্তানি করে দেশটি। তবে উড়োজাহাজ যোগাযোগের স্বল্পতার কারণে সম্প্রতি তা কমে এসেছে।

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ