পাখির নিরাপদ আবাসস্থল চুয়াডাঙ্গা মডেল থানা চত্ত্বর

প্রকাশিতঃ ৩:৫৮ অপরাহ্ণ, রবি, ২২ ডিসেম্বর ১৯

ইব্রাহিম: আম, জাম, কাঁঠাল, পেয়ারা, কামরাঙাসহ নানান জাতের গাছের সমারোহ চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা মডেল থানা চত্ত্বর। ছোট-বড় প্রায় দু’শতাধিক গাছে বিভিন্ন প্রজাতির পাখি এক নিরাপদ আবাসস্থল গড়ে তুলেছে। ফলে প্রতিদিন ঘুঘু, চড়ুই, দোয়েল, কোয়েল, শালিকসহ প্রায় ১৫ থেকে ২০ প্রজাতির হাজারো পাখির বিচরণ এ চত্ত্বরে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বেশ কিছুদিন যাবত হাজারো পাখি থানা চত্ত্বরে গাছের ডালে ডালে রাত যাপন করে আসছে। পাখির কিচির-মিচির শব্দে ঘুম ভাঙ্গে এখানকার মানুষের। নানা প্রজাতি পাখির আনাগোনা বিকেলের দৃশ্যকে করে তুলে মনোমুগ্ধকর। বিকেল হলেই খাবার খেতে নেমে আসে এ থানা চত্ত্বরে। এ দৃশ্য দেখতে বাসিন্দারা ভিড় জমায় এখানে।

শীতে গাছে পাতা কমে যাওয়ায় পাখিদের বসবাসের জন্য বিশেষভাবে মাটির তৈরী ১০০টি ভাড় গাছে দেয়া হয়েছে। ভাড়গুলো ডালের ফাঁকে ফাঁকে বেঁধে দেয়া হয়েছে।কৃত্রিম বাসাগুলোতে পাখি আসা-যাওয়া করছে। তবে নতুন ভাড় দেখে পাখিরা ভয় পেলেও কিছু পাখি সেখানে বাসা বাঁধছে।

নিরাপদ আশ্রয়স্থলের অভাবে যখন পাখির সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে সেময় চুয়াডাঙ্গার বেলগাছি গ্রামের কয়েকজন স্বপ্নবাজ যুবক পাখিদের নিরাপদ আবাসস্থল গড়ে তুলেছেন। গাছে গাছে তৈরি করেছেন পাখির কৃত্রিম আবাসস্থল। তারা বেলগাছিকে ‘পাখির গ্রাম’ হিসেবে পরিচিত করে তুলার আশা ব্যক্ত করে কাজ করে যাচ্ছে।

স্বপ্নবাঁজ যুবকরা জানান, নির্বিচারে পাখি হত্যায় পাখির সংখ্যা কমে যাচ্ছে। পাখিদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল গড়ে ‍তুলতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। পাখিদের অভয়াশ্রম হিসেবে আমাদের গ্রামকে গড়ে তুলতে চেষ্টা চালাচ্ছি।

দামুৃড়হুদা মডেল থানার ওসি সুকুমার বিশ্বাস সময় জার্নালকে জানান, প্রতিদিন সকাল-বিকাল বিভিন্ন প্রজাতি পাখির কিচির-মিচির শব্দ সত্যিই আমাকে মুগ্ধ করে। পাখির এ বিচরণে আমাদের থানা চত্ত্বরকে এক সুন্দর পরিবেশ দিয়েছে। বর্তমানে প্রচন্ড শীত। ফাঁকা ডালে তাদের রাত যাপন করা কষ্টকর একটা ব্যাপার। তাই আমাদের সাধ্যমত কিছু ভাড় (পাখির জন্য কৃত্রিম বাসা) এনে ব্যবস্থা করেছে।

সময় জার্নাল/আরইউটি

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ