পিভিডিএস’র কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি গঠন ও আলোচনা সভা

প্রকাশিতঃ ১১:৫০ অপরাহ্ণ, রবি, ১৫ নভেম্বর ২০

সময় জার্নাল প্রতিবেদক : প্রাইমারি ভিলেজ ডক্টরস্ সোসাইটির (পিভিডিএস) কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হয়েছে এবং এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সুবর্ণ রান গ্রুপ ও আরডিএসএ’র সার্বিক সহযোগিতায় এবং প্রাইমারি ভিলেজ ডক্টরস্ সোসাইটি (পিভিডিএস)’র আয়োজনে অনুষ্ঠিত সংগঠনটির অস্থায়ী কার্যালয়- ১৪/২৮, ট্রপিক্যাল পি.এম মদিনা ভিলা, শাহজাহান রোড, মোহাম্মদপুরে দুপুরে জুমার নামাজ আর মধ্যাহ্ন ভোজের জন্য একঘন্টা বিরতি দিয়ে সকাল দশটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত প্রায় দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের নবনির্বাচিত আহ্বায়ক মো. গাউসুল আজম। প্রধান আলোচক ছিলেন আ. ন. ম. রুস্তম আলী। বিশেষ আলোচক ছিলেন মো. বেলাল আহম্মদ ও আলী আহম্মদ।

সকাল দশটা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত অনুষ্ঠানের প্রথম অধিবেশনে সংগঠনের বিষয়ে ব্যাপক আলোচনা করা হয়। এরপর জুমার নামাজ আর মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতির পর পিভিডিএস’র একুশ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়।

নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক নির্বাচিত হয়েছেন মো. গাউসুল আজম। যুগ্ম আহ্বায়ক নির্বাচিত হয়েছেন তিনজন, যথাক্রমে বেলাল আহম্মদ, আলী আহম্মদ ও আব্দুল জলিল। সদস্য সচিব নির্বাচিত হয়েছেন আ.ন.ম রুস্তম আলী। যুগ্ম সদস্য সচিব নির্বাচিত হয়েছেন দুজন, যথাক্রমে দেওয়ান আবুল হাসেম ও এস.এম কুতুবি, সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন চৌদ্দজন, যথাক্রমে রেজাউল করিম রেজা(ঢাকা), দীন মোহাম্মদ মুর্শিদ(গাজীপুর), সুরজিত দাস(সিলেট), হযরত আলী(সিলেট), ফায়েল উদ্দিন(মেহেরপুর), রাশেদুল ইসলাম(সাতক্ষীরা), মুফাসসিল হোসেন(কুমিল্লা), আবুল কালাম আজাদ(ঢাকা), ইকবাল হোসেন(ঢাকা), সৈয়দ মুনিরুল হক নোবেল(জামালপুর), রোকনুজ্জামান(খুলনা), মোস্তাকিমা(জামালপুর), সাইদুর(টাঙ্গাইল) ও সাফিনুর রহমান সনদ(ঢাকা)।

আলোচনা অনুষ্ঠানে সভাপতি সরকারের কাছে পিভিডিএস’র ৬দফা দাবী তুলে ধরেন। দাবীগুলো হচ্ছেঃ ১. অনতিবিলম্বে পল্লী চিকিৎসকদের পেশাগত স্বীকৃতি প্রদান করা; ২. পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বৈধ ও যথাযথ স্বীকৃতি প্রদানের লক্ষ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ কর্তৃক টাস্কফোর্স গঠনের মাধ্যমে পরীক্ষা গ্রহণ পূর্বক সনদ প্রদান করা; ৩. “পল্লী চিকিৎসকগণ নামের পূর্বে ডাক্তার লিখিতে পারবে না” এই মর্মে ২০১০ সালে সংসদে পাসকৃত আইন ২৯(১), ২২(১) ধারা উপধারাগুলো বাতিল করা; ৪. পল্লী চিকিৎসকগণের জন্য স্বাস্থ্য বীমা প্রকল্প চালু করা; ৫. পল্লী চিকিৎসকগণের চিকিৎসা সেবা ও স্বাবলম্বিতার জন্য ড্রাগ লাইসেন্স বিহীন তিন লাখ টাকার ঔষধ রাখার সুবিধা প্রদান করার জন্য যথার্থ ব্যবস্থা গ্রহণ করা, সেইসাথে যত্রতত্র-মুদির দোকানে ঔষধ বিক্রি বন্ধ করতে ব্যবস্থা নেয়া এবং ৬. আবেদনের যোগ্যতা সাপেক্ষে পল্লী চিকিৎসক ও সন্তানদের ইউনিয়ন কমিউনিটি ক্লিনিকসহ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির চাকরিতে ১০% কোটা সংরক্ষিত করা হোক।

এসময় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী পল্লী চিকিৎসকগণকে পিভিডিএস’র নির্ধারিত শপথবাক্য পাঠ করানো হয়, দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনা করে দোয়া করা হয় এবং উপস্থিতিকে মিষ্টিমুখ করানোর পাশাপাশি সকল অংশগ্রহণকারীগণকে একটি চলতি বছরের ডায়েরি, একটি কলম ও ব্যাগ প্রদান করা হয়।

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।