প্রথম স্বর্ণের চালান আনল ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড, কমতে পারে দাম

প্রকাশিতঃ ৬:০০ অপরাহ্ণ, বুধ, ১ জুলাই ২০

সময় জার্নাল প্রতিবেদক : স্বাধীনতার ৪৮ বছরের ইতিহাসে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি তত্ত্বাবধায়নে ২০১৮ সালে এদেশের জুয়েলারী শিল্পের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ স্বর্ণ নীতিমালা প্রণয়ন করা হয় যা স্বর্ণ নীতিমালা ২০১৮ নামে অবহিত এ জন্য জুয়েলারী ইতিহাসে তার নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৯ সালের জুন মাসে স্বর্ণ মেলার আয়োজন করা হয় যা সাধারণ জুয়েলার্সগণের রক্ষাকবচ বলে বিবেচিত। স্বর্ণ নীতিমালায় দেশীয় শিল্পের বিকাশ ও রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণের জন্য স্বর্ণ আমদানীর জন্য গোল্ড ডিলার নিয়োগের বিধান রাখা হয়।

বিধি মতে, গোল্ড ডিলার নিয়োগের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১৯ সালের মার্চ মাসে সাকুর্লার দেয়। এই সাকুর্লারে আনুমানিক ৫০টি প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংক আবেদন করলেও সকল শর্ত পূরণ না হওয়ায় মাত্র ১টি ব্যাংক ও ১৮টি প্রতিষ্ঠানকে নবায়ন যোগ্য দুই বছর মেয়াদি লাইসেন্স প্রদান করা হয়। কিন্তু বিদ্যমান শুল্ক জটিলতার কারণে লাইসেন্স পাওয়ার ৬ মাসের মধ্যেও কোন প্রতিষ্ঠান স্বর্ণ আমদনিতে আগ্রহ প্রকাশ করেনি। সর্বশেষ (২০২০-২০২১) মেয়াদের বাজেটে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির যৌক্তিক দাবীর প্রেক্ষিতে আমদানী পর্যায়ে স্বর্ণে ভ্যাট প্রত্যাহার করা হয়।

ফলে চলতি বছরের ১০ জুন ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড তাদের গোল্ড ডিলারশীপের অনুকূলে ১১ হাজার গ্রাম পাকা সোনা আমদানির জন্য আবেদন করে। আবেদনটি যাচাই বাচাই পূর্বক বাংলাদেশ ব্যাংক অনাপত্তি প্রদান করলে দেশের ইতিহাসে পূর্ণাঙ্গ স্বর্ণ নীতিমালার বিধান অনুসরণ করে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড গত ৩০ জুন স্বর্ণ আমদনি করে। এ্যামিরেটস এয়ালাইন্সের একটি বিশেষ বিমান স্বর্ণের চালানটি নিয়ে হজরত শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমান বন্দরে অবতরণ করে, ফলে এদেশের ইতিহাসে একটি সোনালী অধ্যায়ের শুভ সূচনা হলো। এর আগে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশে প্রথম ও একমাত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে আইএম ৪ এর মাধ্যমে রাফ বা অমসৃন ডায়মন্ড আমদানি করে কাটিং ও পলিশিং করে পলিশড ডায়মন্ড বিদেশে রপ্তানি করে।

এ সম্পর্কে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও এফবিসিসিআই এর ভাইস-প্রেসিডেন্ট ও বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা বলেন আমি ও আমার প্রতিষ্ঠান সব সময়ে চেষ্টা করি আমাদের সেরাটি উপহার দিতে। প্রথম বা দ্বিতীয় হওয়ার জন্য নয়। আমি এই অজর্নের জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী, প্রেসিডেন্ট-এফবিসিসিআই ও বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে। এর ফলে এ দেশের জুয়েলারী ইতিহাসে একটি সোনালী অধ্যায় যুক্ত হল। আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি জুয়েলারী শিল্পে আমাদের যে ঐতিহ্য ও সক্ষমতা রয়েছে তাতে আমরা অতি অল্প সময়ের মধ্যে বিশ্ববাণিজ্যে নেতৃত্ব দিতে পারব যদি আমার মতো সকলে এগিয়ে আসে।

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।