প্রেমের ফাঁদে ব্ল্যাকমেইল, বিয়ের প্রলোভনে ছাত্রীদের ধর্ষণ

প্রকাশিতঃ ১২:১৮ পূর্বাহ্ণ, বুধ, ৩ জুলাই ১৯

নিউজ ডেস্ক: সহকারী সিনিয়র শিক্ষক আরিফুল ইসলাম মঙ্গলবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আহাম্মদ হুমায়ূন কবিরের আদালতে ছাত্রীদের ধর্ষণ এবং কয়েকজন ছাত্রীর অভিভাবককে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে জবানবন্দী দিয়েছেন। জবানবন্দিতে দিনের পর দিন শিক্ষার্থীদের ধর্ষণের বিষদ বর্ণনা দেন আরিফুল।

ভিকটিমদের কাউকে প্রেমের ফাঁদে, কাউকে বিয়ের প্রলোভনে আবার কাউকে ব্ল্যাকমেইল করে শয্যাসঙ্গী করেছেন ওই শিক্ষক।

এখানেই শেষ নয়, গোপনে পাঁচজন ছাত্রীকে ওষুধ খাইয়ের গর্ভপাতও করিয়েছেন। ভয় দেখিয়েছেন আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে।

অভিযুক্ত আরিফুল ইসলাম (৩০) মাদারীপুর সদর থানার শ্রীনদী (শিরখাড়া) এলাকার মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে। তিনি সিদ্ধিরগঞ্জের পশ্চিম মিজমিজি মাদরাসা রোড এলাকায় বুকস গার্ডেনে ফ্ল্যাট নিয়ে বসবাস করতেন।

উল্লেখ্য, সিদ্ধিরগঞ্জে মিজমিজি মাদরাসা রোড এলাকায় ২০ জনের অধিক শিক্ষার্থীকে ব্ল্যাকমেইল করে ধর্ষণের অভিযোগে সহকারী সিনিয়র শিক্ষক আরিফুল ইসলাম ও তাকে সহায়তাকারী প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-১১।

এ ঘটনায় পৃথক দুটি মামলায় আরিফ ৬ দিন ও রফিকুল ইসলাম একদিনের রিমান্ডে রয়েছেন। রিমান্ড শেষে আরিফুল স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করলে গণ রোষ এড়াতে র‌্যাব তাকে আদালতে হাজির করে।

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ