বিজয়ের মাস শুরু আজ

প্রকাশিতঃ ১১:০০ পূর্বাহ্ণ, রবি, ১ ডিসেম্বর ১৯

সময় জর্নাল ডেস্ক: আজ পহেলা ডিসেম্বর থেকে শুরু হলো বিজয়ের মাস। একাত্তরের এই মাসেই পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিলো। বাঙলার ঘরে ঘরে স্বাধীন স্বমহিমায় উড়তে শুরু করছিল লাল-সবুজ পাতাকা। বাঙালি রচনা করেছিলো নতুন এক ইতিহাস। বিশ্বের মানচিত্রে স্থান করে নিয়েছিল নতুন দেশ বাংলাদেশ।

একাত্তরের ২৬ শে মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে ‘যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে’ স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল বাঙালি জাতি। দীর্ঘ নয়মাস ব্যাপী ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদের প্রাণের বিনিময়ে পেয়েছিলাম স্বাধীন দেশ। অসংখ্য মা বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে কিনেছিলাম স্বাধীন মানচিত্র। এই ডিসেম্বর মাসেই বাঙালিরা হাজার বছর ধরে লালন করা স্বাধীনতার স্বপ্ন ছুঁয়ে দিয়েছিল।

তবে এই ডিসেম্বর মাসেই স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি তাদের এদেশীয় দোসর রাজাকার-আলবদর আল শামসদের সহযোগিতায় জাতির মেধা, শ্রেষ্ঠ সন্তান-বুদ্ধিজীবী হত্যার নৃশংসযজ্ঞে মেতে ওঠেছিল। সমগ্র জাতিকে মেধাহীন করে দেয়ার এমন ভয়াবহ হতাযজ্ঞ বিশ্ব ইতিহাসে আরো কোনো নজির নেই।

এমনকি স্বাধীনতা অর্জনের পরেও সেই স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি থেমে থাকেনি। পঁচাত্তরে স্বাধীনতাযুদ্ধের মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুরকে সপিরবারে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। পঁচাত্তরের ৩ নভেম্বর জেলখানায় হত্যা করা হয় জাতীয় চার নেতাকে। এভাবেই দফায় দফায় বাংলাদেশকে পাকিস্তান বানানোর চেষ্টা হয়েছে।

তবে স্বাধীনতাবিরোধীদের কোনো ষড়যন্ত্রই পুরোপুরি সফল হয়নি। মুক্তিকামী বাঙালিরা সব সময়ই সামনে এগিয়েছে। সব ষড়যন্ত্রকে রুখে দিয়ে উঠে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ এখন বিশ্বের বুকে উন্নত, সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখছে। বিজয়ের মাস এলে সেই স্বপ্ন আরো বেশি করে তাড়না সৃষ্টি করে।

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ