রাজধানীর পাড়া-মহল্লায় ঈদের দ্বিতীয় দিনেও পশু কোরবানি

প্রকাশিতঃ ১:০৫ অপরাহ্ণ, রবি, ২ আগস্ট ২০

সময় জার্নাল ডেস্ক : ঈদের দ্বিতীয় দিনেও রাজধানীর বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় পশু কোরবানি দিতে দেখা গেছে। পেশাদার কসাইয়ের সংকটের কারণেই অনেকে ঈদের দিন দিতে না পেরে, পরদিন কোরবানি দিচ্ছেন।

রোববার (০২ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।

নগরবাসী জানিয়েছেন, ঈদুল আজহার পরদিন কোরবানি দেওয়াটা ধর্মীয়ভাবে বৈধ। ফলে পেশাদার কসাই সংকট, একাধিক পশু কোরবানি দেওয়া এবং ঈদের দিন একটু ঝামেলা এড়াতেই তারা ঈদের পরদিন পশু কোরবানি দিচ্ছেন।

এ ব্যাপারে শেওড়াপাড়ার বাসিন্দা আতিকুর রহমান বলেন, আমাদের এখানে আজ পাঁচটি গরু কোরবানি দেওয়া হচ্ছে। আমরা সবাই প্রায় একই সমস্যার মধ্যে ছিলাম, সেটি হচ্ছে কসাইয়ের সংকট। আমরা মৌসুমি কসাই দিয়ে গরু কোরবানি দেব না বলেই ঈদের দ্বিতীয় দিন কোরবানি দিচ্ছি।

একই বাড়ির আরেক বাসিন্দা কামরুল ইসলাম বলেন, ঈদের দিন কসাই সংকট ও কসাইয়ের রেটও অনেক বেশি ছিল, তাই আজ কোরবানি দিচ্ছি।

ঈদের দিন গরু কোরবানি দেওয়ায় আজ খাসি কোরবানি দিচ্ছেন বলে জানালেন কাজীপাড়ার বাসিন্দা শামসুল ইসলাম।

তিনি বলেন, একাধিক কোরবানি দেওয়ার কারণে এমনটি হয়েছে। শুধু তাই নয়, একটু ঝামেলা এড়াতেই ঈদের দ্বিতীয় দিন খাসি কোরবানি দিলাম।

ঈদের দিন গরু কিনেছেন, তাই সেদিন কোরবানি দিতে পারেননি। আজ কোরবানি দিচ্ছেন মিরপুরের সেনপাড়ার বাসিন্দা খাদেমুল। তিনি বাংলানিউজকে বলেন, ঈদের আগের দিন গরু কিনতে পারিনি। ঈদের দিন গরু কিনতে কিনতে দুপুর হয়ে যায়। তাই আজ কোরবানি দিচ্ছি।

এদিকে ঈদের পরের দিন হওয়ায় কসাইয়ের রেটও কমেছে। গতকাল হাজার (যত হাজার টাকায় গরু কেনা হয়) প্রতি ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা নিলেও আজ সেটি ১০০ থেকে ১৫০ টাকায় নেমে এসেছে।

এ ব্যাপারে মিরপুরের শেওড়াপাড়ার কসাই নাজমুল বলেন, ঈদের দ্বিতীয় দিন হওয়ায় আজ আমাদের রেট অর্ধেকে নেমে গেছে। ঈদের দিন ১০টি গরু কেটেছি ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা করে হাজারে নিয়েছি। অথচ আজ হাজারে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা করে নিচ্ছি। যদিও এ নিয়ে তিনটি গরু কেটেছি। বিকেলে আরও দু’টি কাটার অর্ডার রয়েছে।

সময় জার্নাল/

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।