রাজাকারের তালিকায় চট্টগ্রামের ২২৩ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী

প্রকাশিতঃ ১২:০০ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গল, ১৭ ডিসেম্বর ১৯

নিউজ ডেস্ক : মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় একাত্তরে বেতনভোগী রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস বাহিনীর যে তালিকা প্রকাশ করেছে সেখানে তৎকালীন সময়ে চট্টগ্রামে কর্মরত অন্তত ২২৩ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর নাম শনাক্ত করা গেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রাজাকার কর্মরত ছিল তৎকালীন পাকিস্তান রেলওয়েতে।

গত রোববার (১৫ ডিসেম্বর) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এক সংবাদ সম্মেলনে এ তালিকা প্রকাশ করে। এ তালিকা সম্পর্ক মন্ত্রী জানান, তারা নতুন কোনো তালিকা তৈরি করেননি। বরং যারা একাত্তরে রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস বা স্বাধীনতাবিরোধী হিসেবে পাকিস্তান সরকার কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছিলেন এবং যেসব পুরোনো নথি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সংরক্ষিত ছিল সেটুকু প্রকাশ করা হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত রাজাকারদের প্রথম তালিকায় ঠাঁই হয়েছে ১০ হাজার ৭৮৯ জন স্বাধীনতাবিরোধীর নাম। তালিকায় মোট ৬৫৯টি ধাপে এই ১০ হাজার ৭৮৯ জন স্বাধীনতাবিরোধীর তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে।

এর মধ্যে আলাদা করে চট্টগ্রামের রাজাকারের কোনো তালিকা নেই। তবে তালিকা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে শীর্ষ ২৭ জনসহ চট্টগ্রামের অনেক স্বাধীনতাবিরোধীর নাম রয়েছে এই তালিকায়। এর মধ্যে ফজলুল কাদের চৌধুরী, ফজলুল কবির চৌধুরী, মাহামুদুন্নবী চৌধুরীসহ অনেক শীর্ষ রাজাকারের নাম আছে।

তালিকার ৬২ নম্বর প্যারায় ‘List of Last of officer other than police accused of collaboration’(p-33-36-30p) শিরোনামে মুক্তিযুদ্ধের সময় সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে থেকে যারা স্বাধীনতা বিরোধিতা কারেছিল তাদের একটি তালিকা দেওয়া হয়েছে।

তালিকায় ১৯৭১ সালে চট্টগ্রামের বিভিন্ন সরকারি দফতরে চাকরিকালে স্বাধীনতার বিরোধিতা কারেছিল এমন ২২৩ কর্মকর্তা-কর্মচারীর নাম পাওয়া গেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি তৎকালীন পাকিস্তান রেলওয়ের ১২৮ কর্মকর্তা-কর্মচারীর নাম আছে রাজাকারের তালিকায়। এছাড়া চট্টগ্রাম বন্দরে কর্মরত অন্তত ৫৮ কর্মকর্তা-কর্মচারী ছিল স্বাধীনতাবিরোধী রাজাকার।

চট্টগ্রামের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পর্যালোচনা করেও এই তালিকার পক্ষে যথেষ্ট তথ্য পাওয়া যায়।

তালিকার হিসেবে প্রায় অর্ধেক রাজাকার রেলওয়ের পাহাড়তলী ওয়ার্কশপ ও সিআরবিতে কর্মরত ছিল। আর পাহাড়তলীর জল্লাদখানায় যুদ্ধের সময় হাজার হাজার বাঙালিকে ধরে এনে জবাই করে হত্যা করা হয়েছিল। পাকিস্তানি সেনাদের সঙ্গে মিলে ঝাউতলার স্থানীয় বিহারীপল্লীর লোকজন পাঞ্জাবি লেন, ওয়্যারলেসসহ আশপাশ থেকে নিরীহ লোকজনকে এনে এখানে জবাই করে হত্যা করত।

সবচেয়ে বেশি হত্যাযজ্ঞ ঘটে ১০ নভেম্বর। ওই দিন দোহাজারী, নাজিরহাট ও ফেনী থেকে আসা তিনটি ট্রেনের যাত্রীদের নামিয়ে এই জল্লাদখানায় একে একে হত্যা করা হয় বলে মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের বইপত্র থেকে জানা গেছে।

১৯৭১ সালে চট্টগ্রামে কর্মরত যেসব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারির নাম সদ্য সংকলিত রাজাকারের তালিকায় রয়েছে তা নিচে তুলে ধরা হলো –

পূর্ব পাকিস্তান রেলওয়ে চেয়ারম্যান আবু ইউসুফ, রেলওয়ে হাসপাতালের তৎকালীন চিকিৎসক ডা. জাফর ইমাম, ডা. এসএন হুদা (রেডিওলজিস্ট), রেলওয়ে হাসপাতালের কর্মকর্তা মুসলিম নকিব, রাঁধুনী বরকত আলী, পূর্ব পাকিস্তান রেলওয়ের প্রধান প্রকৌশলী আবদুল্লাহ, পূর্ব পাকিস্তান রেলওয়ের তৎকালীন চিফ পারসোনাল অফিসার আরশাদ মাহমুদ, রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল সদর দফতর সিআরবি’র তৎকালীন অ্যাকাউন্ট ক্লার্ক নাসির আহমেদ, পূর্ব পাকিস্তান রেলওয়ের তৎকালীন কর্মকর্তা এমজি ইউসুফ, এসএস রিজভী, সোলাইমান সিদ্দিকী, আই এ আনসারি, এ কিউ আনসারি, মো. আনসারি, এস এন জিয়াউদ্দিন, ফুল মোহাম্মদ, এস এন হুদা, এম এস হুদা, একিউ আনসারি, মো. সামসুদ্দীন, এস এন হুদা, মো. খান, মুক্তার মাহমুদ, আব্দুল হাকিম, জিয়াউদ্দিন, আনসারী, ওয়ারসি, ক্লার্ক কাসিম, সিআরবির তৎকালীন কর্মকর্তা ইসরাইল হক, আবু বকর ও রেলওয়ে শ্রমিক নেতা জহির উদ্দিন।

এছাড়া আরো যাদের নাম আছে : সাবেক সিনিয়র রেল কর্মকর্তা এএইচএম হোসাইন, বিভাগীয় পারসোনাল অফিসার মো. ইসরায়েল, পারসোনাল অফিসার এস এম সোলায়মান, সেতু প্রকৌশলী বোরা খান, রেল কর্মকর্তা এসএমএইচ রস্টিন, হাসিম ও মো. ইউসুফ।

পাহাড়তলী রেলওয়ে ওয়ার্কশপ কর্মকর্তা রিয়াজ আহমেদ, ইলেক্ট্রিসিয়ান মো. শফি, চার্জম্যান আব্দুল কাইয়ূম, এসকে ফজলুর রহমান, মো. সেলিম, মো. সালাম, মো. হানিফ, চালক ফরহাদ, স্টোর কিপার এন এইচ খান, ওয়ার্কশপ কর্মকর্তা এম এস হুদা, এম ডি জামিল, এমডি নাসের, সারওয়ার, আজাদ, আলতাফ, হামিদ হাসান, সায়িদ মুনায়িম, জাকির হোসাইন, ডিজাইনাল ওয়ার্কশপ রফিক আহমদ, রেকর্ড সাপ্লাইয়ায় মো. ইয়াকুব, ফোরম্যান সাপ্লাইয়ায় কাসবিউদ্দিন, আবু মুহাম্মাদ, আহমেদ হোসাইন, স্টোর মুন্সি আয়ুব খান, স্টোরম্যান মো. ইউসুফ, আজিজ আক্তার, গোলাম মোহাম্মদ, লুতফুর, মো. ইসমাঈল, জয়নাল আবেদীন ও নাজাত হোসাইন।

আরো আছে- রেলওয়ে কর্মকর্তা সাঈয়েদ এজহারুল হক, মনসুর আলী, তোজাম্মেল হোসাইন, আমির আলি, আমির হোসাইন, মুকতার আহমদ ও পিয়ন এসকে মাহবুব।

রাজাকারের তালিকায় তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান রেলওয়ে টিটি রেজাউল হক, খুরশিদ হোসাইন, সিকিউরিটি অফিসার এসএম জাইদার, খালাসী মুকসেদ, চালক আবদুল আজিজ, কর্মচারী হোসাইন উদ্দিন, সামশুল হক, আনিসুল হক, এনামুর রহমান, কানি খান, মো. জাফয়, মো. মুমিন, মো. হোসাইন, আলতাফ আলি, মাসুদ আলম, চার্জার ম্যান এম এ কাশেম, ফিটার বশিরউদ্দিন, মো. হাবিব, ফজলুল হক, সায়েদ হোসাইন, ক্লার্ক সওকত আলী, রাজ হোসাইন, চালক জামিল উদ্দিন, বোরহান উদ্দিন, ফোরম্যান হাসমত আহমদ খান ও মো. হাবিবেরও নাম আছে।

রাজাকারদের মধ্যে ফিটার হিসেবে কর্মরত ছিল- আলী আকবর, রাশিদ, এম জে খান, সিরাজ মল্লিক, আবুল খাইর, আলী আহসদ, মো. সোলাইমান, মো. রমিজ।

আরও রাজাকারেরা হলো- পাকিস্তান রেলওয়ের তৎকালীন অ্যাসিস্ট্যান্ট কন্ট্রোলার এসকে হুদা, সহকারী ইলেকট্রিক প্রকৌশলী মো. ওমর ফারুক, সিগন্যাল ম্যান এম জি ইউসুফ ও ট্রাফিক ম্যানেজার আলফাজ হোসাইন।

টিএন্ডটি’র ড্রাইভার মো. হাফিজ, ফখরুদ্দীন খান, সুপারভিশন কর্মকর্তা সিরাজ খান, টিএন্ডটি কর্মকর্তা এসকে মনিহার ও আনোয়ার জাভেদ।

এছাড়া চট্টগ্রাম বন্দরের যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারীরা রাজাকার হয়ে স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল তারা হলো- বন্দরের সাবেক সিকিউরিটি ইন্সপেক্টর আব্দুল্লাহ শরীফ, হারবার মাস্টার কেএম মাহবুব, কর্মকর্তা এস এ রফিক, এস এ সাজিদ, এ সাজ্জাদ, এম এ খান, আলী আসগর, এ সাজিদ ও চালক ওয়ারেশ আলী।

বন্দরের তৎকালীন ফোরম্যান নাজির হোসাইন, গিয়াসউদ্দিন, ওয়াজেদ খান, বি আমিনুল্লাহ, শহিদুল্লাহ, এসএস নাজির ও মো. নুরুল ইসলাম।

বন্দরের তৎকালীন পিয়ন আব্দুল মান্নান, হাতেম আলী, নন্দু ও জেটি সুপার এম এ আনসারি।

চট্টগ্রাম বন্দরের স্টোর অফিসার কমান্ডার মোবাস্সির, স্টোর সুপার এম এ বারি, সেড অফিসার ওয়াজেদ আলী, মহিউদ্দিন, কর্মকর্তা এসএম জাফর আলি, সিকিউরিটি ইন্সপেক্টর এম এ খান, গেট সার্জেন এস কে সরদার, সিকিউরিটি গার্ড আলি আকবর, আহমেদ খান, কামাদ রাসুল, এস কে আলম, ফোরম্যান জামাল, ড্রাইভার হালিম, কারপেইন্টার নাসের, ফিটার মো. শাফি, মো. রাফি, মো. নাসের, এরাজ আহমেদ, বসিরউদ্দিন, আলতাফ হোসেন, মো. ইয়াসিন ও মো. ইসরায়েল।

আরো জড়িত ছিল- চট্টগ্রাম বন্দরের তৎকালীন অ্যাসিস্ট্যান্ট সিকিউরিটি রিয়াজউদ্দিন, আখতার মালিক, জাফর আলি, এম এম ইমাম, সিকিউরিটি অফিসার মেজর এ জে রাজ্জাক, সিকিউরিটি গার্ড মতি আহমদ খান, জায়েদ খান, কর্মকর্তা এমএ খান, সিকিউরিটি অফিসার সাঈদ সাইফুদ্দিন ও বন্দর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক সৈয়দ সামশুল হক।

অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারিন্টেন্ডেন্ট পয়গম্বর মিয়া, অ্যাকাউন্ট ক্লার্ক সালাউদ্দিন খান, সিকিউরিটি অফিসার এজি রিজভী, কর্মকর্তা সাগীর আনসারী, অ্যাকাউন্টেন্ড এম এ আনসারী ও চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজ কর্মকর্তা এস এ হাসমত।

সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে রাজাকারদের তালিকায় আরও আছে সে সময় চট্টগ্রাম ডাক বিভাগে কর্মরত সাবেক ক্লার্ক এস কে দস্তগীর, সহকারী পোস্ট মাস্টার আশিক, ডেপুটি পোস্ট মাস্টার শারাফাত উদ্দিন, দেওয়ানহাট শাখা ফায়ার সার্ভিস এর তৎকালীন স্টেশন অফিসার সোলাইমান চৌধুরী ও সরকারি কর্মকর্তা জাফর আহমদ।

চট্টগ্রাম কলেজের আরবি বিভাগের অধ্যাপক ইয়াহিয়া খান, সিএন্ডবি কর্মকর্তা আইনুল হক, রাঙ্গুনিয়া দাউদ জুট মিলের তৎকালীন শ্রমিক নেতা আজিজুল হক, সীতাকুণ্ড ক্যামিকেল ইন্ডাস্ট্রির তৎকালীন ম্যানেজার খসরু আলী, ডাইরেক্টর কে জি আহমাদ, ফ্যাকট্রি ম্যানেজার এসএস কাজিম, রাউজানের পিসিএসআইআর-এর তৎকালীন ডাইরেক্টর এরফান আলী, তেল ও গ্যাস দফতরের তৎকালীন কন্ট্রোলার (অপারেশন) আশরাফ উদ্দিন, পার্টি এক্সিকিউটিভ আবুল কাশেম খান, কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক কর্মকর্তা আব্দুর রহমান চৌধুরী, জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেট এএস চৌধুরী ও চট্টগ্রাম এক্সেন অফিসের পিয়ন নাজিমুদ্দিন।

এদিকে দেরিতে হলেও সরকারের এমন উদ্যোগে সন্তোষ জানিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধারা। বলছেন, বাকিদের নামও প্রকাশ করা উচিত। চট্টগ্রামে বিজয় দিবসের সব আয়োজনে তাই সেটাই বড় ছিল বড় আলোচনার বিষয়।

একাত্তরের এই মুক্তিসেনাদের আশঙ্কা সরকার কিংবা আওয়ামী লীগের মধ্যেও ঘাপটি মেরে বসে আছে অপশক্তি। যাদের দমন করা না গেলে সব রাজাকারের নাম প্রকাশ সম্ভব নাও হতে পারে।

বিশিষ্টজনেরাও মনে করেন, তালিকায় তাদের নাম আছে তাদের বিচার হওয়া উচিত। প্রকৃত রাজাকাররাই যেন তালিকায় থাকে সেটা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন এই বিশিষ্টজনেরা।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম জেলা ইউনিট কমান্ডার সাহাব উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, ৪৮ বছর পরে হলেও রাজাকারদের তালিকা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির বড় বিজয়। তবে জানিয়ে রাখি, বেশ কয়েক বছর আগেই ‌‘মুক্তি’ নামক এক প্রকাশনায় মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়কার রাজাকারদের একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়। যা দেশে প্রথম। এর আগে দেশের অন্য কোনো জেলায় মুক্তিযুদ্ধের এ ধরনের ইতিহাস তুলে ধরা হয়নি।

তবে তিনি হতাশা ব্যক্ত করে বলেন, আফসোস এখনো মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা হলো না। এই দু’টি তালিকা রাজাকারদের তালিকার আগেই হওয়া প্রয়োজন ছিল। আশা করছি স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর আগেই সেই তালিকা আমরা পাবো।

প্রসঙ্গত, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস তুলে ধরতে গিয়ে মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক আ.ক.ম. রইসুল হক বাহার সম্পাদিত ‘মুক্তি’ পুস্তিকায় চট্টগ্রামে মোট রাজাকারের সংখ্যা প্রায় তিন হাজার বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এরমধ্যে ১৯০২ জনের নাম উল্লেখ করে তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছিল।

মুক্তি’তে উল্লেখ করা তথ্য থেকে জানা যায়, চট্টগ্রামে সবচেয়ে বেশি রাজাকার ছিল ফটিকছড়ি উপজেলায়। সেখানে রাজাকারের সংখ্যা ছিল ৩৩৪ জন। আর সবচেয়ে কম সংখ্যক রাজাকার ছিল লোহাগাড়া উপজেলায়। এই উপজেলায় রাজাকার ছিল ২৫ জন।

অন্যান্য উপজেলার মধ্যে মিরসরাইয়ে ১৪৪ জন, সীতাকুণ্ডে ২৮৮ জন, সন্দ্বীপে ৮৩ জন, হাটহাজারীতে ১১৪ জন, রাউজানে ১১০ জন, রাঙ্গুনিয়ায় ১৭৫ জন, বোয়ালখালীতে ৩৫ জন, পটিয়ায় ১২৩ জন, আনোয়ারায় ১৪১ জন, চন্দনাইশে ১০১ জন, সাতকানিয়ায় ১০৩ জন এবং বাঁশখালী ১২৬ জন।

এসজে/মগ

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ