রাষ্ট্রের সংকট ও সামাজিক মুক্তি (পর্ব-২)

প্রকাশিতঃ ৯:২৩ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গল, ১০ নভেম্বর ২০

ইমরান মাহফুজ

অভাবী দেশে সবার উচ্চশিক্ষার প্রয়োজন নেই! কারণ অধিকাংশ কাজের সাথে পড়ার যেখানে মিল থাকে না, যাদের জীবনের সাথে কমিটমেন্ট নেই, পথ ও পথচারীর কাজ আলাদা করতে পারে না। অবাস্তব ধারণায় নামের বাহার তথা অহেতুক বিশৃঙ্খলা, ক্যাম্পাস ইগো, গায়ে গতরে হাফ ভাড়ার গেঞ্জিতে ফেসবুকে পাইকারি খুচরা সরবরাহ ত আছেই!

মানসিক গরীব লোকের জীবন হিসেবে কাটিয়ে দেয় বছরের পর বছর। নিদারুণ নিষ্ঠুর অমায়িক বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা! কেউ দেখার নেই।
কার টাকায় চলে, কেউ কী জানে? দরকার কি!

তাই সরকারের উচিত বছর বছর নতুন প্রতিষ্ঠান না করে সঠিক জায়গায় বিনিয়োগ করে মানুষকে দক্ষ জনসম্পদে রূপান্তর করা। তাহলেই দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণ হবে। হাজার হাজার উচ্চশিক্ষিত কর্মহীন, বেকার থাকবে না। সেই সাথে স্বাধীনতা এবং মুক্তির চেতনা ফিরে পাবে।

অত্যন্ত নিদারুণ সইত্য —
আজও এই দেশের মানুষের মৌলিক চাহিদার সমাধান হল না, ভাতের অভাব গেলো না। সংকটে আমাদের উন্নয়নের মূল জায়গা পরিষ্কার হয়ে গেছে! ঝুলে আছে ২১, ১১ ও মুক্তির সনদ ৬ দফা! অধরা সুখ পাখি…

অথচ শিক্ষার প্রধান উদ্দেশ্য নৈতিকবোধে নিজেকে আবিস্কার। দ্বিতীয়ত নিজের মুক্তির সাথে সামাজিক মুক্তি। যা বাংলাদেশের মতো দেশের ৫০ বছরেও বোঝার মতো শক্তি হয়েছে কিনা সন্দেহ!

যাই হউক রাষ্ট্রের বহুমাত্রিক সংকট থেকে বের হতে কারো দোষ না দিয়ে নিজের কাজ নিজে করে যাওয়া।

(বিশ্বের মাঝে কেবলমাত্র বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চশিক্ষা টেক্সটে আলাদা ধরনের! ভিন্ন গ্রহের! অন্য কারো সাথে মিল নেই, যারা ভালো করে নিজের খেয়ালে! এখানে অহংকার করে, গর্ব হয় বড়ো বড়ো দালান আর সবুজ ক্যাম্পাস কেন্দ্রিক যাদুবিশ্বাসের ছোঁয়ায়। কিন্তু বোকারা অক্সফোর্ডের সিলেবাস দেখে না, দেখে দেয়াল।)

লেখক : কবি ও গবেষক; সভাপতি, জেনারেশন ফর বাংলাদেশ।

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।