লালপুরে সরকারি অনুমতি ছাড়া বিদ্যালয় ভবন ভাঙার অভিযোগ

প্রকাশিতঃ ৫:৩৬ অপরাহ্ণ, শুক্র, ৩ জুলাই ২০

ইসাহাক আলী, নাটোর প্রতিনিধি : সরকারি অনুমতি ছাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত ভবনের বারান্দা, দেয়াল ও খুঁটি ভাঙার অভিযোগ উঠেছে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে এলাকাবাসী ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও চলছে সমালোচনার ঝড়।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, লালপুর উপজেলার পাইকপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত ভবনের দেওয়াল, বারান্দা ও খুঁটি ভাঙ্গা হচ্ছে। শ্রমিকরা জানায়, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তাদের ভবন ভাঙতে বলেছেন।

স্থানীয়রা জানায়, নতুন ভবন হওয়ার পর থেকে পুরাতন ভবনটি কয়েক বছর ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। এটা সরকারি সম্পদ টেন্ডার বা অকশন ছাড়া ভাঙ্গা সম্ভব নয়। তবুও কিসের জোরে বিদ্যালয়ের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক ভবনটি ভাঙার অনুমতি দিয়েছে তা বলতে পারবো না।

সরকারি অনুমতি ছাড়া ভবন ভাঙার কথা স্বীকার করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরজাহান জানান, সরকারি নির্দেশনা ছাড়া পরিত্যক্ত ভবন ভাঙ্গা বা সেখান থেকে ইট নেওয়া যাবে না এটা জানা ছিলো না। স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির (এসএমসি) রেজুলেশনে শহিদ মিনার করার জন্য সামনের কয়েকটি পিলার ভাঙার কথা আছে। এজন্য ভাঙার নির্দেশ দিয়েছিলাম।

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ইউসুফ আলী জানান, পুরাতন ভবন ভাঙার আদেশের ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক ভালো বলতে পারবেন। আমার কাছে সরকারি বা ভবন ভাঙ্গা সম্পর্কিত সে রকম লিখিত কোন আদেশ নাই। আর বিল্ডিং ভাঙিনি শুধু বারান্দার পিলার ও খুঁটি ভাঙ্গা হয়েছে।

লালপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম জানান, সরকারি কোন সম্পদ অনুমতি ব্যতিত ভাঙ্গা বা দখলে নেওয়ার সুযোগ কারো নেই। অনুমতি ব্যতিত সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক এটা করতে পারেন না। অবশ্যই তদন্ত করে তাদের ব্যাপারে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

লালপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মুল বানীন দ্যুতি জানান, সরকারি সম্পদ নিয়ম-নীতির বাহিরে ভাঙার কোন সুযোগ নেই। আমি খবর নিয়ে দেখছি।

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।