সরকারকে ১ লাখ মাস্ক দিচ্ছে বিজিএমইএ

প্রকাশিতঃ ১২:১৪ অপরাহ্ণ, রবি, ২২ মার্চ ২০

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সরকারকে ১ লাখ পিছ মাস্ক দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তৈরি পোশাক মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক।

কারখানার মালিকরা পর্যাপ্ত মাস্ক তৈরি করে বিভিন্ন স্থানে বিনামূল্যে সরবরাহ করছে বলেও জানান তিনি। একইসঙ্গে ডাক্তারদের গাউন তৈরিতেও বিজিএমইএর সহায়তা অবহ্যাত আছে বলেও জানান তিনি। তথ্যসূত্র : সারাবাংলা।

প্রসঙ্গত করোনা থেকে সুরক্ষা পেতে চিকিৎসক ও নার্সদের জন্য স্বাস্থ্য সরঞ্জাম পারসোনাল প্রোটেক্টিভ ইকুইপমেন্ট (পিপিই) বানাচ্ছেন বিশ্ববিখ্যাত পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠান ‘মার্কস অ্যান্ড স্পেন্সার’-এর বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার স্বপ্না ভৌমিক ও তার দল। চার লাখ সরঞ্জাম বানাচ্ছে তার দল। এই উদ্যোগটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এখন ভাইরাল।

এ প্রসঙ্গে বিজিএমই সভাপতি রুবানা হক বলেন, ‘করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সুরক্ষা সামগ্রী মাস্ক ও পিপিআই তৈরিতে বিজিএমইএ সর্বাত্মক সহায়তা করছে। কারখানাগুলো মাস্ক তৈরি করছে এবং প্রতিনিয়ত বিনামূল্যে সরবরাহ করে যাচ্ছে। কিছু কিছু কারখানার মালিকেরা নিজের ফ্যাক্টরি তো বটেই, নিজ নিজ গ্রামেও মাস্ক বিতরণ করছেন। আমরা আমাদের পুলিশ বাহিনীকে কিছু কিছু মাস্ক দিচ্ছি। যেখানে যার যতো মাস্ক প্রয়োজন আমাদের জানাবেন, আমরা তা সরবরাহ করব। আমরা সরকারকে ১ লাখ মাস্ক দিচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘এরইমধ্যে স্বপ্না ও মার্কস অ্যান্ড স্পেন্সার ডাক্তারদের গাউন বা পিপিআই তৈরি করছে। তিনিও আমাদের এই সুযোগ দিচ্ছেন। এই ফ্যাব্রিকটি খুবই বিশেষ ধরনের। যে ফ্যাক্টরি এ ধরনের ফ্যাব্রিক পাবে সেই পিপিআই তৈরি করতে প্রস্তুত।’

তিনি আরও বলেন, ‘এরইমধ্যে কিছু কারখানা পানি প্রতিরোধক ফ্যাব্রিক দিয়ে এ ধরনের গাউন তৈরি করছে, হয়ত নিখুঁত হবে না; কিন্তু কিছুটা সুরক্ষা দেবে।’

বিজিএমইএ সিনিয়র সহ সভাপতি ফয়সাল সামাদ বলেন, ‘স্বপ্না ভৌমিক যে পিপিআই বা গাউন তৈরি করছেন, সাধারাণত এর উপকরণ আমাদের হাতে নেই। যদি উপকরণ পর্যাপ্ত হয় আমরাও তৈরি করব।’

বিজিএমইএ পরিচালক রেজওয়ান সেলিম বলেন, ‘করোনা মোকাবিলায় বা আমরা এখন বেশি হারে মাস্ক তৈরি করছি।’

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ