সাংবিধানিক কারণেই করোনার মধ্যে উপ-নির্বাচনের সিদ্ধান্ত : সিইসি

প্রকাশিতঃ ২:১৭ অপরাহ্ণ, শনি, ১১ জুলাই ২০

প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, কোনো ব্যক্তি বা দলকে সুবিধা দিতে নয়, সাংবিধানিক কারণেই করোনার মধ্যে উপ-নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের কাছে নির্বাচন পেছানোর আইনগত কোনো সুযোগ নেই। তবে মহামান্য রাষ্ট্রপতি বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে নিতে পারেন। আমরা মহামান্য রাষ্ট্রপতির শরণাপন্ন হয়েছিলাম। তিনিও বলেছেন নির্বাচন না করার কোনো সুযোগ নেই।

শনিবার দুপুরে যশোর-৬ কেশবপুর আসনের উপ-নির্বাচন উপলক্ষে আইন শৃঙ্খলা সংক্রান্ত ও প্রার্থীদের সাথে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

যশোর জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে কেশবপুর আবু শারাফ সাদেক অডিটোরিয়ামে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। তিনি বলেন, উপনির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করার জন্য সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ভোটাররা যাতে নির্বিগ্নে ভোট কেন্দ্রে এসে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন তার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর থাকবেন।

এর আগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, করোনার কারনে সবকিছু বন্ধ রাখা যাবে না। দৈনন্দিন কাজ ও নির্বাচনের মতো কাজ এর মধ্যেই করতে হবে। এজন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভোটারদের কেন্দ্রে আসতে প্রচারণা চালানোর জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি। একইসাথে ভোট কেন্দ্রে ভোটারদের মাস্ক খুলে পরিচয় নিশ্চিত করতে হবে বলে উল্লেখ করেন সিইসি। এদিকে প্রার্থীদের সাথে মতবিনিময় সভায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী শাহীন চাকলাদার ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী হাবিবুর রহমান বক্তব্য রাখেন। এ সময় তারা সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করতে নির্বাচনের সার্বিক সহায়তা দাবি করেন।

এ সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরী, নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ, যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহমেদ খান, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার ড. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার ও ডিআইজি ড. খন্দকার মহিদ উদ্দিন।

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।