সীমান্তে অস্ত্রপূজা করে চীনকে হুশিয়ারি দিল রাজনাথ

প্রকাশিতঃ ১০:২০ অপরাহ্ণ, সোম, ২৬ অক্টোবর ২০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সীমান্তের কাছে অস্ত্রপূজা করে চীনকে হুশিয়ারি দিয়েছেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি বলেন, চীন সীমান্তে যে পরিস্থিতি চলছে, ভারত চায় তা শেষ হোক। শান্তি বজায় থাকুক। আমার সম্পূর্ণ ভরসা রয়েছে যে, আমাদের সেনা জওয়ানরা কোনো পরিস্থিতিতেই দেশের এক ইঞ্চি জমিও অন্য কারো হাতে যেতে দেবেন না।

রোবাবার শিলিগুড়ির কাছে সুকনা সেনাছাউনি ‘ওয়ার মেমোরিয়ালে’ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। অনুষ্ঠান শেষে প্রতিরক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন। সেখান থেকে সিকিমের চীন খুবই কাছে। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন দেশটির সেনা প্রধান মনোজ মুকুন্দ নারাবানে।

এ সময় নাথু লাতে চীন সীমান্তে যাওয়ার বিকল্প রাস্তারও উদ্বোধন করেন তিনি।

লাদাখে ভারত-চীন সীমান্তে উত্তেজনা অব্যাহত। এখনও দুই দেশের সেনা মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর সাবেক লেফটন্যান্ট জেনারেল উৎপল ভট্টাচার্য বলেছে, সীমান্তের উত্তেজনা এতটুকু কমেনি বরং বেড়েছে। দুই দেশই সব আধুনিক যুদ্ধাস্ত্র প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার খুব কাছে নিয়ে রেখেছে।

রাজনাথ সিংহ জানান, গ্যাংটক এবং নাথু লা সংযোগকারী জাতীয় সড়ক ৩১০ পূর্ব সিকিমের বাসিন্দাদের কাছে লাইফ লাইন। ওই জাতীয় সড়কের নতুন বিকল্প ১৯.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ রাস্তাটি সেনা এবং বাসিন্দাদের অনেক আশা পূরণ করবে।

কলকাতার সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার জানিয়েছে, দুই দিনের দার্জিলিং এবং সিকিম সফরে শনিবার দুপুরে বাগডোগরায় পৌঁছান প্রতিরক্ষামন্ত্রী। সেখান থেকে সেনা হেলিকপ্টারে সুকনা সেনা ছাউনিতে যান। রোববার রাস্তা উদ্বোধন ও অন্য কর্মসূচিতে সিকিমে যাওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তিনি সিকিমে যাননি। সুকনা সেনা ছাউনিতে শস্ত্র পূজা এবং সেখান থেকে পরে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গ্যাংটক-নাথু লা বিকল্প রাস্তা উদ্বোধন করেন।

ভারতীয় সেনা সূত্রের তথ্য অনুসারে, এই মুহূর্তে পূর্ব লাদাখে ভারত এবং চীনের ট্যাংকের মধ্যবর্তী দূরত্ব মাত্র চারশ মিটার। যা নজিরবিহীন। সেনা পর্যায়ে একাধিক বৈঠকেও কোনো সমাধানসূত্র মেলেনি। অরুণাচল এবং সিকিম সীমান্তেও রেড অ্যালার্ট জারি রয়েছে।

সময় জার্নাল/

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।