টিকিট অ্যাপসে ‍দুর্ভোগ
সেবা দিতে না পারার দায় স্বীকার করলেন রেলমন্ত্রী

প্রকাশিতঃ ১:০৪ অপরাহ্ণ, বুধ, ২২ মে ১৯

নিউজ ডেস্ক: ঘরমুখো মানুষকে একটু স্বস্তি দিতে রেলের টিকিট সেবায় অ্যাপস চালু করেছে রেলপথ মন্ত্রণালয়। তবে অ্যাপস ঠিকমতো কাজ করছে না বলেও অভিযোগ করছেন গ্রাহকরা।

কাঙ্ক্ষিত অ্যাপস সেবা ঠিকমতো দিতে পারছেন না স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করেছেন রেলপথমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন।

মন্ত্রী বলেন, অ্যাপসে সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান সিএনএসের সঙ্গে ২০০৭ সাল থেকে চুক্তি। এ চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে আর বাড়ানো হবে না। সিএনএসের ব্যর্থতার দায় আমরা এড়াতে পারি না। তাই অবশ্যই সিএনএসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুধবার (২২ মে) সকাল ১১টায় রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে টিকিট বিক্রি কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে একথা বলেন তিনি।

রেলমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে বিশেষ দিবসগুলোতে পরিবহন সক্ষমতার চেয়েও বেশি যাত্রী থাকে। তাই বিশেষ দিবস নজর দিয়ে প্রস্তুতি নেওয়া হয়। ঈদে যাতে যাত্রীদের কোনো বিড়ম্বনা না হয়, আমরা প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, এবার কার্যক্রমে ভিন্নতা রয়েছে। অ্যাপসে ৫০ শতাংশ টিকিট দেওয়া হয়েছে। অনেক অভিযোগ করেছেন, যে সেবা পাওয়ার কথা, সেই কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন না। এটা দুঃখজনক। যাতে ভবিষ্যতে বিড়ম্বনা না হয়, ঈদের পর আমরা ব্যবস্থা নেবো।

ঈদের স্পেশাল কাউন্টার ৯টি জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬টি পুরুষ ও ৩টি নারী কাউন্টার। যেহেতু অ্যাপসে সমস্যা হচ্ছে, তাই আসন থাকা সাপেক্ষে অবশিষ্ট টিকিট ২৭ মে বিক্রি করা হবে।

২১ মে অনলাইনে ১৪ হাজার ৭৫৪টি, অ্যাপসের মাধ্যমে ১ হাজার ৫৫৭ ও মোবাইলে ৫ হাজার ২৮০টি টিকিট বিক্রির পরিসংখ্যান তুলে ধরেন মন্ত্রী। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, যদি কালোবাজারি থাকে, আপনারা হাতেনাতে ধরে দেন।

সিএনএসের দুদকের অভিযান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তারা কারো সঙ্গে যোগসাজশ করে কালোবাজারে টিকিট বিক্রি করছে কিনা, তা তদন্তসাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এসময় রেলপথ সচিব মোফাজ্জেল হোসেনসহ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সজা/এমএম

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ