‘হাইড্রোথেরাপী’ করোনার বিরুদ্ধে হতে পারে এক কার্যকর অস্ত্র

প্রকাশিতঃ ১২:৩৭ অপরাহ্ণ, সোম, ১৩ এপ্রিল ২০

ডা. মো. এজাজ বারী চৌধুরী 

॥১॥ ১৯১৮-২০ সালে পৃথিবীতে আঘাত হেনেছিলো ভয়ঙ্কর spanish flu যাতে পৃথিবীব্যাপী কমপক্ষে ৫ কোটি মানুষ মারা গিয়েছিলো। তখন তেমন কোন ঔষধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম, টেস্টিং কিট, icu, ভেন্টিলেটর কিছুই ছিলোনা। এমনকি ভাইরাস না ব্যাক্টিরিয়া না অন্য কোনো জীবাণু দিয়ে অসুখটি হয়েছিলো সেটাও মানুষ সেসময় জানতে পারেনি। আর সেই spanish fluতেও মানুষ এখনকার করোনা ভাইরাসের মতো কেবল নিউমোনিয়া হয়েই মারা যাচ্ছিলো। তারপরও মানুষ যুদ্ধ চালিয়ে গেছে এবং একসময় সেই ভয়ঙ্কর spanish Flu এর বিরুদ্ধে জয়লাভ করেছে।

তখন সফলতা পাওয়া এক অদ্ভুত চিকিৎসাপদ্ধতি হলো “Hydrotherapy” যা প্রয়োগ করে মৃত্যুহার উল্লেখযোগ্য হারে কমে এসেছিলো এবং মানুষ দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছিলো।

॥২॥ ভাইরাসের বিরুদ্ধে মানুষের সবচেয়ে বড়ো অসহায়ত্ত্ব হলো, ভাইরাসের জীবন নেই। আর যেটার জীবনই নেই, সেটাকে আবার মেরে ফেলা যাবে কিভাবে? জীবন না থাকলেও ভাইরাসের ক্ষমতা আছে, তার জন্য সুবিধাজনক পরিবেশের জীবিত কোষে ঢুকতে পারলে সেই কোষের যন্ত্রপাতিকে ব্যবহার করে নিজের অজস্র কপি তৈরী করার। তারপর সেই কোষটিকে মেরে ফেলে নতুন ভাইরাসগুলোসহ অন্যান্য কোষে আক্রমণ করা। এভাবে ভাইরাস তার সংখ্যা বাড়াতেই থাকে আক্রান্তের শরীরে।

একটু অন্যভাবে বুঝাই। ধরুন ধূলোবালিরও তো জীবন নেই। কিন্তু সামান্য ধূলো যদি আপনার চোখে এসে ঢোকে তাহলে কি পরিমাণ যন্ত্রণা পোহাতে হয় আপনাকে! চোখ লাল হয়ে যায়, ব্যথা হয়, ফুলে ওঠে, পানি পড়ে ইত্যাদি। ক্ষতিকর কিছু ঢুকলে শরীরের এই reaction গুলোকে মেডিক্যালের ভাষায় বলে inflammation. করোনা ভাইরাস আমাদের ফুসফুসে ঢুকলেও একই ঘটনাই ঘটে।

একটু চিন্তা করে দেখুনতো ধূলারও যদি ভাইরাসের মতো ক্ষমতা থাকতো, অর্থাৎ ১০০ টি ধূলিকণা আপনার চোখে ঢুকে ১ লক্ষ ধূলিকণায় পরিণত হতো… তাহলে কি অবস্থা হতো আপনার!

আবার উল্টোভাবে বললে, ভাইরাসও ধূলোর মতোই নিরীহ হয়ে যায়, যদি সে সংখ্যাবৃদ্ধি করতে না পারে। প্রকৃতিতে এমন অজস্র ভাইরাস আছে, যেগুলো আমাদের জন্য ধূলাবালির চেয়ে বেশী কিছু না, কারণ সেগুলো আমাদের কোষের ভেতর ঢুকতে পারেনা বা ঢুকতে পারলেও বংশবৃদ্ধি করতে পারে না। আর তাই ভাইরাসের মেডিক্যাল চিকিৎসা মানেই হলো ভাইরাসের বংশবৃদ্ধির ক্ষমতা ধ্বংস করে দেয়া৷

॥৩॥ ছোটবেলায় বিজ্ঞান বইতে পড়েছিলাম ১ চা চামচ মাটিতে প্রায় ৩০ কোটি ব্যাক্টেরিয়া থাকে৷ এছাড়া ভাইরাস, প্রোটোজোয়া এবং আরো অজস্র জীবাণুর কথা পড়তে পড়তে ভাবতাম মানবজাতি এখনো টিকে আছে কিভাবে-কবেইতো বিলুপ্ত হয়ে যাবার কথা। এখন অবশ্য কারনটা জানি।

হ্যাঁ, মহান আল্লাহ তা’য়ালা প্রকৃতিতে যতো বিপদ সৃষ্টি করেছেন, সেগুলো থেকে রক্ষা পাবার উপকরণও আমাদের শরীরের ভেতরেই দিয়ে দিয়েছেন৷ রাষ্ট্রের নিরাপত্তায় যেমন পুলিশ, আর্মি, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী থাকে ঠিক তেমনই বিভিন্ন বাহিনী আমাদের শরীরের ভেতরেও দিনরাত যুদ্ধ করে চলেছে বিভিন্ন জীবাণু ও ক্ষতিকর উপাদানের সাথে, এবং সেগুলোকে ধ্বংস করে বা খেয়ে ফেলে, আমাদেরকে সুস্থ রাখছে। যদি কখনো তারা প্রাথমিকভাবে পরাজিত হয়, তখনই আমরা অসুস্থ হয়ে পড়ি৷ শরীর তখন যুদ্ধ আরো জোরদার করে, জ্বর তৈরী করে যা আমাদের ভেতরের সৈন্যদেরকে আরো আধুনিক অস্ত্রসহ যুদ্ধে নিয়োজিত করে। এছাড়া আমরাও বিভিন্ন ঔষধ বা অস্ত্র তাদেরকে সরবরাহ করি। একসময় তারা জয়ী হয়ে আমাদেরকে সুস্থ করে তোলে।

॥৪॥ আমাদের যখন জন্ম হয়েছিলো, (অর্থাৎ কোন রোগ জীবাণুর সাথেই শরীরের পরিচয় হয়নি) তখন আল্লাহ আমাদের শরীরে যেসব প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং অস্ত্র দিয়ে রেখেছিলেন, সেগুলোকে বলে innate immunity.

আর পরবর্তীতে বিভিন্ন টীকা প্রয়োগ করে এবং বিভিন্ন রোগে ভুগে ভুগে যে নতুন নতুন বাহিনী এবং অস্ত্রশস্ত্র আমাদের শরীরে তৈরী হয়েছে, সেগুলোকে একত্রে বলে acquired immunity.

করোনা ভাইরাসের সাথে যেহেতু আমাদের শরীর পরিচিত নয়, সেহেতু একমাত্র innate immunity বাহিনীই এর সাথে সফলভাবে যুদ্ধ করতে পারে৷ শিশুদের innate immunity খুব শক্তিশালী বিধায়, করোনা ভাইরাস তাদেরকে কাবু করতে পারেনি৷ innate immunity র সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হলো monocyte এবং natural killer (nk) cells. (এরপর থেকে লিখবো- m এবং n cells).

আমরা যেমন বিপদে পড়লে পুলিশকে ফোন করি, ঠিক তেমনই ভাইরাস আক্রান্ত কোষগুলোও type 1 interferon নিঃসরণ করে পার্শ্ববর্তী কোষ এবং m ও n cell কে বিপদসংকেত পাঠায়।

কিন্তু করোনা ভাইরাস এই ফোনের লাইন কেটে দিয়েই কোষকে আক্রমণ করে৷ ফলে কোষগুলো তাদের বিপদের কথা কাউকে জানাতে পারেনা এবং অন্যান্য কোষ বা মস্তিস্কও ভাইরাসের আক্রমন টের পায়না৷ এছাড়া করোনা ভাইরাস একই সাথে অজানা কোনো উপায়ে m এবং n cells গুলোকে দুর্বল করতে থাকে অর্থাৎ তাদের পরিমাষ শরীরে কমিয়ে দিতে থাকে।

এজন্যই কেউ করোনা ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হবার পরবর্তী গড়ে ৫ দিন পর্যন্ত তার শরীরে কোন লক্ষণ প্রকাশ পায়না৷ এই ৫ দিনে করোনা ভাইরাস বিনা বাঁধায় ফুসফুসে সংক্রমণ ঘটাতে থাকে এবং নিজেরাও বিশাল সেনাবাহিনীতে পরিণত হয়৷ আর যাদের লক্ষন প্রকাশ পেতে আরো বেশী সময় লাগে, তাদের দেহে করোনা ভাইরাস আরো ভয়ঙ্কর বাহিনীতে পরিণত হয়।

লক্ষণ (জ্বর/কাশি) প্রকাশ পাবার পর থেকে m এবং n cells যুদ্ধে নামে এবং ৮০% রোগীর ক্ষেত্রেই ভাইরাসগুলো ধ্বংস করে তাদেরকে সুস্থ করে তোলে।

কেমন হতো, যদি লক্ষণ প্রকাশ না পাবার এই সময়টাতেই কোনোভাবে m এবং n cells দেরকে ডেকে এনে ভাইরাস নির্মূল করার কাজে লাগিয়ে দেয়া যেতো? Logically চিন্তা করলেই পাওয়া যায়, প্রাথমিক আক্রমনের সেই সময়কার-তুলনামূলক ক্ষুদ্র ভাইরাসবাহিনীকে হারিয়ে দেয়া আমাদের শরীরের জন্য অনেক সহজ হতো।

॥৫॥ Hydrotherapy ঠিক এই কাজটিই করতো, যদিও মানুষ তখন এর রহস্য জানতো না৷ Hydrotherapy র মূলনীতি ছিলো, যখন মানুষ কোন রোগে আক্রান্ত কিন্তু জ্বর আসেনি-তখন কৃত্রিমভাবে তার শরীরের তাপমাত্রাকে ১০২॰-১০৩॰ ডিগ্রী ফারেনহাইট পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হতো, গরম পানিতে গোসল করিয়ে বা heat chamber এ বসিয়ে রেখে৷ এরপর আবার সাথে সাথেই তার শরীরকে ঠান্ডা পানি দিয়ে শীতল করা হতো৷ এতেই spanish flu’র রোগীরা হয় নিউমোনিয়াতে আক্রান্তই হতোনা বা আক্রান্ত হলেও তাদের মধ্যে মৃত্যুর হার কম থাকতো।

পরবর্তীতে বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, শরীরের তাপমাত্রা ১০২॰-১০৩॰ ফারেনহাইট এ পৌঁছানো মাত্র, মস্তিস্ক এটাকে জ্বর হিসেবে ভেবে নেয় এবং m ও n cells শরীরে বেশী তৈরী হতে থাকে। তাপমাত্রা বাড়ার পরপরই আবার তা কমিয়ে আনলে m এবং n cells এর পাশাপাশি innate immunity’র অন্যান্য components গুলোরও পরিমাণ এবং ভাইরাস ধ্বংসের ক্ষমতা বেড়ে যায়।

বিভিন্ন গবেষণায় বিভিন্ন তাপমাত্রা এবং সময় ব্যবহার করা হয়েছে। সমস্ত গবেষণা ব্যাখ্যা করে, সেরা ফলাফল পাওয়া গেছে-মাঝারী মাত্রায় ব্যায়াম করার পর, গরম পানি বা heat chamber দিয়ে শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে, তারপর সাথে সাথে শরীরকে ঠান্ডা করলেই…. immune system এর সর্বোচ্চ ভাইরাস বিধ্বংসী ক্ষমতা আসে।

গবেষণাগুলোতে গরম পানি ব্যবহার করা হয়েছে সর্বোচ্চ ৩৯॰ সেঃ বা ১০৩॰ ফারেনহাইট এবং সময় ১ ঘন্টা থেকে সর্বোচ্চ ৩ ঘন্টা৷ ঠান্ডা পানি ব্যবহার করা হয়েছে সর্বনিম্ন ৫॰ সেঃ থেকে সর্বোচ্চ ১৮॰ সেঃ এবং সময় ১৫ মিনিট থেকে ১ ঘন্টা।

॥৬॥ Hydrotherapy র জনক John Hervey Kellog যাকে আমরা কেবল Kellog’s Corn Flakes এর জনক হিসেবেই চিনি৷ তিনি তৎকালীন ১৫০০ পৃষ্টার একটি বই লিখেছিলেন কেবল Hydrotherapy’র উপর।

Hydrotherapy বিলুপ্ত হয়ে গেছে বহু বছর আগেই৷ Antibiotic আবিষ্কারের পর থেকেই মানুষ এর প্রয়োজন আর সেভাবে অনুভব করেনি৷ তাহলে কেন আজ এই করোনাভাইরাস মহামারীতে Hydrotherapy আবার নতুন করে আলোচনায় আসলো? কারণ, কিছু দেশ – যেসব দেশে sauna খুব জনপ্রিয়, সেসব দেশের করোনার outcome দেখে৷ বলে রাখি, sauna হলো অনেকটা Hydrotherapy র ই অত্যাধুনিক রূপ যেখানে ১৫ মিনিট শরীরকে অত্যন্ত উত্তপ্ত করে তারপর হটাৎ ২-৩ মিনিটেই তাপমাত্রা একদম কমিয়ে আনা হয়।

ফিনল্যান্ডে sauna পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয়৷ ফিনল্যান্ডে করোনা আক্রান্ত মোট ২৭৬৯ জন এবং মৃতের সংখ্যা ৪৮ জন৷ অর্থাৎ মৃত্যুর হার মাত্র ১.৭৩%।

নরওয়েতেও sauna’র প্রচলন বেশী এবং সেখানকার পরিসংখ্যান হলো, আক্রান্ত ৬২৪৪ জন এবং মৃত ১১২ জন (১.৭৯%)।

জাপানিরা গরম এবং ঠান্ডা পানি দিয়ে পর্যায়ক্রমে গোসল করে৷ তাদের পরিসংখ্যান হলো, আক্রান্ত ৫৫৩০ জন এবং মৃত ৯৯ জন (১.৭৯%)।

সমস্ত পরিসংখ্যানই ১০ এপ্রিল রাত ১১টার https://www.worldometers.info/coronavirus/ এর update অনুযায়ী বললাম৷

বাস্তব পরিসংখ্যান এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার ফলাফলগুলোই বলে দেয়, Hydrotherapy বা Thermoregulation যেটাই বলি না কেন, এটা করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে আমাদের প্রধান অস্ত্র Innate Immunity কে অনেক বাড়িয়ে দেয় এবং শক্তিশালী করে তোলে।

করোনাকে পরাজিত করা অনেক সহজ হয়ে যেতে পারে আমাদের জন্য- যদি আমরাও এই কৌশলকে কাজে লাগাতে পারি।

॥৭॥ আমাদের অধিকাংশেরই innate immunity আগে থেকেই দুর্বল হয়ে আছে-আমাদের জীবনযাপনের ধরণ (অলস, রাতজাগা ইত্যাদি), মানসিক চাপ, অস্বাস্হ্যকর খাদ্যাভ্যাস, পুষ্টির অভাব, ভেজাল খাবার এবং বিষাক্ত কেমিক্যাল মিশ্রিত ফল ও সব্জি খাওয়া ইত্যাদির কারনে।

এই বিপদের মুহূর্তে সব রকম উপায়েই আমাদের innate immunity কে শক্তিশালী করে তুলতে হবে৷ আমার জানা উপায়গুলো লিখছি। আপনাদের কারো আরো কিছু জানা থাকলে দয়া করে মন্তব্যে জানাবেন।

# ভাইরাস নির্মূলকারী innate immunity কে শক্তিশালী করার উপায়সমূহ :
১) পর্যাপ্ত ঘুম – দৈনিক অন্তত আট ঘন্টা।
২) নিয়মিত ব্যায়াম-দৈনিক অন্তত আধা ঘন্টা।
৩) টেনশন না করা, stress free থাকা।
৪) রাত না জাগা।
৫) প্রচুর পানি খাওয়া-দিনে অন্তত আড়াই লিটার।
৬) ফাষ্ট ফুড, বেশী তেল চর্বি যুক্ত খাবার না খাওয়া৷ ঘি, মাখন, ডালডা আপাতত না খাওয়া।
৭) রিফাইন্ড সুগার কম খাওয়া।
৮) ভিটামিন ডি-দিনে ১০,০০০ ইউনিট৷ (আনুমানিক হিসেবে সপ্তাহে ১দিন খেতে পারেন)
৯) Zinc – দিনে ৫০ – ১০০ মি.গ্রা.
১০) ভিটামিন সি – দিনে ৩০০০ মি.গ্রা.
১১) ভিটামিন এ – দিনে ১০,০০০ ইউনিট (আনুমানিক হিসেবে সপ্তাহে ১দিন খাবেন)
১২) ভিটামিন ই – দিনে ৮০০ মি.গ্রা.
১৩) ভিটামিন B1+B6+B12 – দিনে ২টা ট্যাবলেট।
১৪) এছাড়া প্রাকৃতিক খাবারগুলোর মধ্যে আছে: কালিজিরা, মধু, রসুন, আদা, পেঁয়াজ, গ্রীন টি, লেবু, আমলকি, সবেদা, বেল, আনারস ইত্যাদি।

ভিটামিন গুলোর এই মাত্রা canadian guideline অনুসরণ করে লিখেছি এবং এই মাত্রাগুলো কেবলমাত্র innate immunity কে বাড়ানোর জন্যই নির্দেশিত৷ করোনা প্রকোপ কমে গেলে এগুলো খাওয়া অবশ্যই বন্ধ করে দেবেন। আর যারা নিয়মিত প্রচুর ফলমূল খাচ্ছেন, তাদের এভাবে ঔষধ না খেলেও চলবে। তবে তাদেরকে অন্তত ১৫-২০ মিনিটের জন্য sunbath নিতে হবে।

॥৮॥ আমরা যেন করোনাকে নিজেরাই পরাজিত করতে পারি, হাসপাতাল পর্যন্ত যেন যেতে না হয়-সেই উদ্দেশ্যেই আজকের লেখাটা লেখা। পরবর্তীতে লিখবো serious এবং critical রোগীদের নিয়ে-যাদের হাসপাতালে ভর্তি হতে হচ্ছে। এছাড়া ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ হিসেবে ডায়াবেটিস রোগীদের করণীয় নিয়েও লিখবো ইনশাল্লাহ খুব শীঘ্রই।

লেখক: ডায়াবেটিস রোগ বিশেষজ্ঞ, কনসালটেন্ট, সিটি হসপিটাল লিমিটেড।

সময় জার্নাল/আরইউটি/

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ