হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান ফের ৫ দিনের রিমান্ডে

প্রকাশিতঃ ৪:০৯ অপরাহ্ণ, রবি, ৮ নভেম্বর ২০

আদালত ডেস্ক : অস্ত্র ও মাদক মামলায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ওয়ার্ড কাউন্সিলর এবং সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ছেলে মোহাম্মদ ইরফান সেলিম ও তার দেহরক্ষী মোহাম্মদ জাহিদের ফের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

রোববার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত শুনানি শেষে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এদিন ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর হাকিম কায়সারুল ইসলামের আদালতে তাদের বিরুদ্ধে করা অস্ত্র মামলার সাত দিনের রিমান্ড শুনানি হয়। আদালত শুনানি শেষে তাদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

অপর দিকে ঢাকা মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদারের আদালতে মাদক মামলার সাত দিনের রিমান্ড শুনানি শেষে বিচারক তাদের দু’দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। খবর বাসসের

এর আগে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ইরফান সেলিম ও তার দেহরক্ষী জাহিদের বিরুদ্ধে চকবাজর থানার অস্ত্র ও মাদক আইনে করা পৃথক মামলায় সাত দিন করে ১৪ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চকবাজার থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. দেলোয়ার হোসেন। আদালত শুনানির জন্য এদিন ধার্য করেন।

নৌ বাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধরের ঘটনায় এর আগে গত ১ নভেম্বর তাদের বিরুদ্ধে দু’দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। তার আগে গত ২৮ অক্টোবর ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর হাকিম আসাদুজ্জামান নুর তাদের তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গত ২৫ অক্টোবর রাতে হাজী সেলিমের ‘সংসদ সদস্য’ লেখা সরকারি গাড়ি থেকে নেমে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিফ আহমদ খানকে মারধর করা হয়। রাজধানীর কলাবাগান সিগন্যালের পাশে এ ঘটনা ঘটে।

ওইদিন রাতে এ ঘটনায় জিডি হলেও পরদিন ভোরে ওয়াসিফ আহমদ খান বাদী হয়ে ইরফান সেলিম, তার দেহরক্ষী মো. জাহিদ, এ বি সিদ্দিক দিপু এবং গাড়িচালক মিজানুর রহমানসহ ৭ জনকে আসামি করে ধানমন্ডি থানায় একটি মামলা করেন। ঘটনার পরের দিন এ মামলায় ইরফানকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

এছাড়া পুরান ঢাকায় তার বাসায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ৩৮টি ওয়াকিটকি, পাঁচটি ভিপিএস সেট, একটি পিস্তল, একটি একনলা বন্দুক, একটি ব্রিফকেস, একটি হ্যান্ডকাফ, একটি ড্রোন এবং সাত বোতল বিদেশি মদ ও বিয়ার উদ্ধার করা হয়।

বাসায় বিদেশি মদ ও অনুমোদনহীন ওয়াকিটকি রাখার দায়ে কাউন্সিলর ইরফান সেলিম ও তার দেহরক্ষী মো. জাহিদকে এক বছর করে কারাদণ্ড দেন র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। রাতেই তাদের কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

সময় জার্নাল/

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।