১০ ডিসেম্বর ১৯৭১ : পরাজয় নিশ্চিত জেনে নৃশংসতা বাড়ায় পাকবাহিনী

প্রকাশিতঃ ১২:০১ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গল, ১০ ডিসেম্বর ১৯

১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাসের এই সময়ে একদিকে এগিয়ে চলছিল মুক্তিবাহিনীর বিজয়রথ। অন্যদিকে পরাজয় নিশ্চিত জেনে পাকবাহিনীও বাড়িয়ে দেয় নৃশংসতার মাত্রা। রাজধানী ঢাকা ও আশেপাশের এলাকাগুলোতে বাড়তে থাকে লাশের মিছিল।

একাত্তরের এই দিনে খুলনা শিপ ইয়ার্ডে শত্রুর সাথে সম্মুখযুদ্ধে শহীদ হন বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন। আজকের দিনে মুক্ত হয় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ। যৌথবাহিনীর ছত্রীসেনারা নামে নরসিংদীর রায়পুরায়। যৌথবাহিনীর অভিযানে দিনাজপুর, রংপুর ও সৈয়দপুরে পাকবাহিনীর এক দল আরেক দল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

যুদ্ধে জয়ী হতে পারবে না অনুমান করে- পাকবাহিনী ও রাজাকাররা এদেশের কৃতী সন্তানদের হত্যার পরিকল্পনা করে। ঢাকার শান্তিনগরের চামেলীবাগের নিজের বাসা থেকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয় দৈনিক ইত্তেফাকের তৎকালীন কার্যনির্বাহী সম্পাদক সিরাজুদ্দীন হোসেনকে। তাঁর লাশ আর পাওয়া যায়নি। আর এর মধ্য দিয়েই শুরু হয় ইতিহাসের নৃশংসতম গণহত্যার নতুন এক অধ্যায়।

এদিকে, মিত্রবাহিনীর জঙ্গী বিমান ঢাকা বেতারকেন্দ্র ও কুর্মিটোলা বিমানবন্দরের উপর বোমাবর্ষণ অব্যাহত রাখে। সেসময় পৃথিবীর শক্তিশালী সেনাবাহিনী বলে আত্মঅহমিকায় ভুগতে থাকা পাকহানাদারদের কাছে ‘মুক্তি’ শব্দটি হয়ে উঠে এক আতঙ্কের নাম। পরাজয়ের আশঙ্কায় লেফটেনেন্ট জেনারেল নিয়াজি পালাতে চেষ্টা করলে বিবিসি’র এক প্রতিবেদনে তা ফাঁস হয়ে যায়।

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ