শনিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২২

কাচপুরে মাইক্রোবাস-অটোরিকশা সংঘর্ষ: নিহত বেড়ে ৫

রোববার, অক্টোবর ৯, ২০২২
কাচপুরে মাইক্রোবাস-অটোরিকশা সংঘর্ষ: নিহত বেড়ে ৫

নিজস্ব প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের কাচপুরে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে মো. জামাল হোসেন (৪০) নামে আরও একজন মারা গেছেন। এ নিয়ে এ ঘটনায় নিহত বেড়ে পাঁচজনে দাঁড়িয়েছে।

রোববার (৯ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। পেশায় তিনি নরসুন্দর ছিলেন। ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, কাচপুরে অটোরিকশা ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে আহত চারজনকে ঢাকা মেডিকেলের নিয়ে আসা হলে প্রথমে তিনজন মারা যান। পরে জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন জামাল নামের আরও একজন মারা যান। তাদের মরদেহ মর্গে রাখা আছে।

নিহত জামালের ভাই জানান, তার ভাই পেশায় নরসুন্দর ছিলেন। আজ সকালে কাচপুরের বাসা থেকে অটোরিকশায় নিজের দোকানে যাওয়ার পথে মাইক্রোবাসের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। পরে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হলে মারা যান।

এর আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মাইক্রোবাস ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। নিহত অন্য চারজন হলেন কাচপুর এলাকার শামসুদ্দিন খন্দকারের ছেলে নুরউদ্দিন (৪৫), অটোরিকশার যাত্রী মো. হানিফ (৩০), মো. মামুন (৩১) ও নাম না জানা এক পোশাকশ্রমিক (৩৬)।

দুর্ঘটনায় আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হলে একজন মারা যান। চারজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে চারজনই মারা যান।

কাচপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নবীর হোসেন জানান, আজ সকালের দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাচপুর ব্রিজের ঢাকামুখী লেনে একটি অটোরিকশা উল্টোপথে যাচ্ছিল। এ সময় ঢাকামুখী একটি হাইস মাইক্রোবাসের সঙ্গে অটোরিকশার সংঘর্ষ হয়। অটোরিকশার এক যাত্রী মদনপুরের আল-বারাকা হাসপাতালে মারা যান। আহত চারজনকে ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়।

নিহত মামুনের ছোট ভাই সুমন বলেন, আমার ভাই আদমজী ইপিজেডে একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। আজ কাজ শেষে সিএনজিতে আমার বাসায় আসার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান।

তিনি আরও বলেন, আমাদের গ্রামের বাড়ি ঝালকাঠিতে। বাবার নাম মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন। বর্তমানে আদমজী এলাকাতেই থাকতেন। তার এক ছেলে রয়েছে। নিহত হানিফের গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলায়। বাবার নাম বিল্লাল হোসেন। থাকতেন যাত্রাবাড়ীতে। তার এক ছেলে এক মেয়ে রয়েছে।

সময় জার্নাল/এলআর


Somoy Journal is new coming online based newspaper in Bangladesh. It's growing as a most reading and popular Bangladeshi and Bengali website in the world.

যোগাযোগ:
এহসান টাওয়ার, লেন-১৬/১৭, পূর্বাচল রোড, উত্তর বাড্ডা, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ
কর্পোরেট অফিস: ২২৯/ক, প্রগতি সরণি, কুড়িল, ঢাকা-১২২৯
ইমেইল: somoyjournal@gmail.com
নিউজরুম ই-মেইল : sjnewsdesk@gmail.com

কপিরাইট স্বত্ব ২০১৯-২০২২ সময় জার্নাল