রবিবার, ২১ জুলাই ২০২৪

ভারতে ভোটের আগে বিতর্কিত সিএএ কার্যকর

মঙ্গলবার, মার্চ ১২, ২০২৪
ভারতে ভোটের আগে বিতর্কিত সিএএ কার্যকর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ভারতে লোকসভা ভোট ঘোষণার আগেই কার্যকর করা হলো বিতর্কিত সিটিজেন অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট বা নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ)। 'মুসলিমবিরোধী' এই নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন কার্যকর করা নিয়ে কটাক্ষ করেছেন বিরোধী দলীয় নেতারা।

সোমবার (১১ মার্চ) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৯ সালে সংসদের দু’কক্ষে পাস হওয়ার পরে রাষ্ট্রপতিও সিএএ বিল অনুমোদন দিয়েছিলেন। তবে গত চার বছরে সিএএ কার্যকর করা নিয়ে কোনো বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়নি। সোমবার (১১ মার্চ) একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সিএএ চালু হওয়ার কথা জানিয়ে দিল দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার।

দ্বিতীয় বার ক্ষমতায় আসার পর ২০১৯ সালের ১১ ডিসেম্বর মোদী সরকার সিএএ পাশ করায়। আইন অনুযায়ী, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মতো মুসলিম ধর্মাবলম্বী দেশ থেকে যদি সে দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা ধর্মীয় উৎপীড়নের কারণে এ দেশে আশ্রয় চান, তা হলে তা দেবে ভারত।

সংসদের দু’কক্ষে পাস হওয়ার পরে দেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দও অনুমোদন দিয়েছিলেন সিএএ বিলে। কিন্তু এত দিন ধরে সিএএ কার্যকর করা নিয়ে কোনও বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়নি।

তবে তৃণমূল নেতৃত্ব বরাবরই সিএএ প্রসঙ্গে দাবি করে আসছেন, যে নাগরিকেরা ভোট দেন, আধার কার্ড, ভোটার কার্ড আছে, তারাই এ দেশের নাগরিক। তাই তাদের নতুন করে নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রয়োজন নেই।  মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিএএ-কে ‘ক্যা ক্যা’ বলে কটাক্ষ করেছিলেন।তারা বিষয়টিকে ‘উদ্বাস্তু মানুষদের ভাঁওতা দেওয়ার চেষ্টা’ বলে কটাক্ষ করে। 



মুসলিম সম্প্রদায়কে নাগরিকত্বের সুযোগের বাইরে রাখায় বেশ কয়েকটি মানবাধিকার গোষ্ঠী আইনটিকে ‘মুসলিমবিরোধী’ বলে ঘোষণা করেছে। সেই সঙ্গে বিশ্বের সর্ববৃহৎ গণতন্ত্রের দেশটির ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্র নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে।

তবে মুসলিম গোষ্ঠীগুলো বলছে, প্রস্তাবিত ন্যাশনাল রেজিস্টার অফ সিটিজেনস (এনআরসি)-এর সঙ্গে সমন্বিতভাবে সিএএ আইন ভারতের ২০ কোটি মুসলিমের সাথে বৈষম্য করতে পারে। মুসলিমদের আশঙ্কা, সরকার কিছু সীমান্তবর্তী রাজ্যে কাগজপত্র ছাড়াই মুসলিমদের নাগরিকত্ব বাতিল করতে পারে।

কিন্তু মোদি সরকার এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলছে, এটি মুসলিমবিরোধী নয়। সেই সঙ্গে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোতে নিপীড়নের সম্মুখীন সংখ্যালঘুদের সহায়তার জন্য আইনটি প্রয়োজন বলে জানানো হয়।

সময় জার্নাল/এলআর


Somoy Journal is new coming online based newspaper in Bangladesh. It's growing as a most reading and popular Bangladeshi and Bengali website in the world.

উপদেষ্টা সম্পাদক: প্রফেসর সৈয়দ আহসানুল আলম পারভেজ

যোগাযোগ:
এহসান টাওয়ার, লেন-১৬/১৭, পূর্বাচল রোড, উত্তর বাড্ডা, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ
কর্পোরেট অফিস: ২২৯/ক, প্রগতি সরণি, কুড়িল, ঢাকা-১২২৯
ইমেইল: somoyjournal@gmail.com
নিউজরুম ই-মেইল : sjnewsdesk@gmail.com

কপিরাইট স্বত্ব ২০১৯-২০২৪ সময় জার্নাল