আজ রোববার, ফেব্রুয়ারী ২৮, ২০২১ | ১৬ ফাল্গুন, ১৪২৭

শিরোনাম

আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও সৌদি আরবের সম্পর্ক

প্রকাশিত: রোববার, ডিসেম্বর ১৩, ২০২০


আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও সৌদি আরবের সম্পর্ক

মাসুদ মিয়াজী 

সৌদি সরকারের সাম্প্রতিক কার্যক্রম  কিছুটা পরিবর্তিত দৃষ্টিভঙ্গির ইঙ্গিত দিচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিদায়ের আগ সময়ে, বিশেষ করে গত দুয়েক সপ্তাহ যাবৎ সৌদি সরকার কিছু জায়গায় যে সুরে কথা বলছে তা পূর্বে দেখা যায় নি। জো বাইডেন দায়িত্ব নেয়ার আগে বিরোধ থাকা রাষ্ট্রগুলোর সাথে সম্পর্ক ঢেলে সাজানোর একধরনের প্রয়াস দেখা যাচ্ছে। শক্তিধর মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর সাথে বিরোধ নিষ্পত্তির পরোক্ষ ইঙ্গিতই হয়তো দিচ্ছে যুবরাজ সরকার।

তুরস্ক, কাতার, ইরানের মত শক্তিশালী মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর সাথে দীর্ঘদিনের বিরোধ সৌদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল মিত্রতায়  বাধ্য করেছে। কিন্তু মিত্রদের সমর্থনও সৌদিকে সত্যিকার অর্থে নিরাপদ রাখতে পারেনি। আরামকো সহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ইয়েমেনের ক্রমাগত হামলা দেশটিকে বিপদের মধ্যে রেখেছে, যেটি আসলে সৌদি-ইরানের একপ্রকার ছায়া যুদ্ধ। নানামুখি উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলায় ইসরাইলের সহিত ঘাট বাঁধার যে চেষ্টা সেটিও সরাসরি করা যাচ্ছে না ধর্মীয়, সামাজিক ও ঐতিহ্যগত বিবেচনায়। এদিকে মুসলিম দেশগুলোর সাথে বিরোধে সুবিধাও করা যাচ্ছে না। এমতাবস্থায় সর্বশেষ জি টুয়েন্টি সামিটে কিছুটা কৌশলী হতে দেখা গেল সৌদিকে। বিপক্ষে থাকা এরদোয়ানের সাথে সরাসরি কথা বললেন বাদশাহ, আগামীর আশার কথা বললেন দুজন। যদিও এরই মধ্যে তুরস্ক আবার খাশোগী হত্যার বিচারও চলমান রেখেছে।

ইয়েমেন ইস্যু, খাশোগী হত্যার পর উদ্ভূত পরিস্থিতি, সৌদিতে মার্কিন সেনা কমিয়ে আনা সহ এরকম ইস্যুগুলোতে বাইডেন প্রশাসন সৌদির প্রতি তাদের পূর্বের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নতুন মার্কিন প্রশাসনের কাছ থেকে কোন অসহযোগিতা  পেলে তা সৌদির জন্য বড় সঙ্কট হয়ে দাঁড়াবে। এমতাবস্থায় মধ্যপ্রাচ্য নিয়ন্ত্রণে সৌদির জন্য শক্তি হিসেবে তুরস্কের সহযোগিতা সহায়ক। যুবরাজ সালমানের প্রশাসনের আগে তুরস্কের সাথে সৌদি আরবের এত বিরোধ ছিল না।

মুসলিমদের প্রধান দুই গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা মক্কা ও মদিনার রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব সৌদিআরবের উপর। মহানবী মোহাম্মদ  (সা.) এর জন্মভূমি এবং ধর্মীয় আরও কারণে মুসলিম জাহানের কাছে সৌদিআরবের গুরুত্ব অনেক। সৌদি বংশোদ্ভূত সাংবাদিক জামাল খাসোগীকে ইস্তাম্বুলে সৌদি দূতাবাসে হত্যা করার পর তুর্কি-সৌদি সম্পর্ক বিরূপ রূপ ধারণ করে। তুর্কী প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান তখন থেকে সৌদি প্রশাসনের কঠোর সমালোচনা করে হত্যার বিচার দাবি করে আসছিলেন। খাশোগী হত্যার পর এরদোয়ানের উপদেষ্টা ইয়াসিন আতকেয়ই সৌদি বাদশাহকে একটি খোলা চিঠি লিখেছিলেন। সেখানে তিনি পরিষ্কার করেছেন সৌদির প্রতি তুর্কীদের মনোভাব কি।

এ দুই রাষ্ট্রের বর্তমান সম্পর্ক সুসম্পর্ক হতে পারে কিনা তা আলোকপাত করতে সে চিঠি'র প্রসঙ্গ টা আনা যায়। ইয়াসিন আতকেই লিখেছিলেন, খাশোগী হত্যার বিচার তুরস্ক জোরালোভাবে দাবি করে, তবে তুরস্ক সৌদিকে কখনো তার শত্রু হিসেবে দেখে না। তিনি বলছিলেন, মুসলমানদের জন্য মহাগুরুত্বপূর্ণ মক্কা ও মদীনার রক্ষক হিসেবে সৌদি বাদশাহর আরও দায়িত্ব রয়েছে সারা বিশ্বের  মুসলিমদের রক্ষা করা, সেখানে কোন স্কলারকে হত্যা করা কেমন কাজ হয়েছে সে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তুর্কী প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা কয়েকবারই বলেছেন তুরস্ক কখনো সৌদি বাদশাহ বা তার দেশের শত্রু নয়, তবে  যুবরাজ সালমানের প্রতি তার অসন্তোষের কথা অন্য জায়গায় স্পষ্ট করে বলেছেন। ফলে বুঝা যায় সৌদি শাসকদের মধ্যে প্রজন্মগত পার্থক্যের রেখা টানছে তুরস্ক।

সৌদি প্রশাসন ও রাজপরিবারে বাদশাহ এবং যুবরাজ সালমানের আদর্শের জায়গায় ভিন্নতা আছে তা টের পাওয়া যায়। সর্বশেষ জি টুয়েন্টি সামিটে সৌদিআরবের প্রতিনিধিত্ব করেছেন বাদশাহ সালমান, যদিও আগের সামিটে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। ফিলিস্তিনিদের অধিকার আদায় নিয়েও সৌদি বাদশাহ সাম্প্রতিক সময়ে তার অবস্থান জানিয়েছে। ফিলিস্তিন ইস্যুতে ইসরাইলের কঠোর সমালোচনা করেছেন আরেক যুবরাজ তুর্কী বিন ফয়সালও, যিনি বাদশাহ সালমানের আস্থাভাজন বলে পরিচিত। সম্প্রতি এক আলোচনায় তিনি বলেছেন, স্বাধীন ফিলিস্তিন না হলে সৌদিআরবের সহিত ইসরাইলের সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে না। এ ব্যাপারে সৌদির কঠোর অবস্থানের কথাও জানিয়েছেন।

কাতারের সহিত সৌদি নেতৃত্বাধীন উপসাগরীয় দেশগুলোর অসহযোগিতায় কাতার কোনভাবে দূর্বল হয়েছে বলে মনে হয় না। ইতিপূর্বে বিরোধ নিষ্পত্তিতে সৌদি-আমিরাত জোট কাতারকে ১৫টি শর্ত দেয়, কাতার সম্মত হয়নি। সৌদি সরকার এখন কাতারের সহিত সম্পর্ককে গুরুত্ব দিচ্ছে, যদিও নিরাপত্তার বিষয়ে আশঙ্কার কথাও বলেছে। সর্বশেষ, সৌদি-কাতার সম্পর্ক উন্নয়নে ট্রাম্প জামাতা কুশানরের সাথে যুবরাজ সালমানের একটা মিটিংও হয়েছে শোনা যাচ্ছে। এ কাতারে মার্কিন সেনাদের পাশাপাশি তুরস্কেরও অবস্থান রয়েছে। এদিকে ২০১৭ সালে সৌদিআরবের সাথে বিরোধের পর ইরানের সাথে কাতারের ঘনিষ্ঠতা বেড়েছে বেশী। এ প্রসঙ্গে কুয়েত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শফিক ঘাবরা'র মন্তব্য টি গুরুত্বপূর্ণ। ব্লুমবার্গের এক রিপোর্ট জানিয়েছেন, সৌদির সাথে কাতারের সম্পর্ক সহজ হচ্ছে মানে এই নয় যে তারা বিশ্বাস স্থাপন করতে পারছে। বিশ্বাসের জায়গাটা এখন কঠিন হয়ে গেছে বলে মনে করেন তিনি। বলা প্রাসঙ্গিক যে, কাতারের সাথে সৌদি নেতৃত্বাধীন রাষ্ট্রগুলোর দ্বন্দ্ব নিরসনে কুয়েত সরকার চেষ্টা করেছে।

পাকিস্তানের সাথে সৌদির দীর্ঘদিনের মিত্রতা ভেঙে পড়েছে। ইমরান খান সরকারের অংশগ্রহণে বিকল্প মুসলিম জোট গঠন এবং কাশ্মীর ইস্যুতে সৌদি তথা ওআইসির ভূমিকাহীন অবস্থা দু'দেশের পরস্পর আপত্তির জায়গা। কিন্তু সর্বশেষ সম্মেলনে কাশ্মীর ইস্যুতে ওআইসি'র পদক্ষেপ নেয়ার পাক দাবির পক্ষে হঠাৎ টার্ন নিতে দেখা গেল সংস্থাটিকে। ওআইসি থেকে কঠোর ভাষায় ভারতের সমালোচনা করা হলো, কাশ্মীরিদের অধিকার ফিরিয়ে দেয়ার আহ্বানও জানানো হলো। যারপরনাই ভারত সরকার ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানালো সাথে সাথে। কিন্তু কেন সৌদি নেতৃত্বাধীন ওআইসি এরকম অবস্থান নিলো, যা ৩৭০ ধারা বাতিলের একবছরে আর দেখা যায়নি। কিছুটা অন্তর্নিহিত কারণ হয়তো পাওয়া যেতেও পারে।

ইমরান খান সরকার বলছিল ইসরাইলকে স্বীকৃতি দিতে তাদের উপর চাপ রয়েছে। কে বা কারা চাপ দিচ্ছে তা সরাসরি বলেন নি। পরবর্তী গণমাধ্যম মারফত কিছু তথ্যের আলোকে ধারণা করা হচ্ছে চাপ এসেছে যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি থেকে। উপসাগরীয় অঞ্চলে নেতৃত্ব দেয়া দেশটি ইসরাইলের সহিত মুসলিম দেশগুলোর সম্পর্কন্নোয়নে প্রভাবক হিসেবে কাজ করছে। এখন পাকিস্তানের সহিত সহযোগিতার মাধ্যমে ভবিষ্যতে ইসরাইলকে খান সরকারের স্বীকৃতির প্রেক্ষাপট তৈরী করা হচ্ছে কিনা তা মনে হওয়া অপ্রাসঙ্গিক হয়তো নয়। যদিও পাকিস্তান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়  জানিয়েছে তারা কেবল ফিলিস্তিনিদের দাবি আদায়ের পক্ষেই আছে।

কিন্তু পাক সরকারকে এরকম স্পষ্ট করে ব্যাখ্যা দিতে হলো কেন? কারণ পাকিস্তান ইসরাইলের সহিত সম্পর্ককে কিভাবে দেখছে তা আসলেই আলোচনায় এসেছে। পাক প্রধানমন্ত্রী যে বললেন, চাপ রয়েছে, আমরা তাদের সরাসরি কিছু বলতে পারি না কারণ তারা আমাদের বন্ধু রাষ্ট্র। পাক-ইসরাইল বিষয়ক প্রশ্নটা এভাবেই আলোচনায় এসেছে। অন্যদিকে সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যায় পাকিস্তান, তুরস্ক, ইরান একটা জোট হয়ে চলে, সৌদির জন্য শঙ্কার বিষয় বটে। পাকিস্তানের তুরস্ক নির্ভরতাও বেড়েছে। এমতাবস্থায় রিয়াদ ভাবতেই পারে, আগামীতে মার্কিন সমর্থন আগের ঠিক না থাকলে মুসলিম দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক আরও বেশী জরুরী।

এদিকে ইরান-সৌদির মুখোমুখি অবস্থান আরও প্রকট হয়েছে। ইরানী পরমাণু বিজ্ঞানী মোহসেন ফাখরিযায়েদ হত্যার ঘটনা এ সম্পর্ককেও প্রভাবিত করেছে। এ বিষয়ে সৌদি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীনার একটা মন্তব্য আলোকপাত করি। সেদিন তিনি বলছিলেন, যেকোন বিষয়ে সৌদিকে দোষারোপ করা ইরানের কাজ হয়ে গেছে, ভবিষ্যতে ভূমিকম্প হলেও নাকি সৌদিআরবকে দোষারপ করা হবে। কার কি ভূমিকা হতে পারে তা বুঝা কঠিন নয়। সত্যিকার অর্থে তুরস্ক, কাতারের সহিত সম্পর্ক উন্নয়ন যতটা সম্ভব ইরানের সহিত সম্পর্কন্নোয়ন সৌদির জন্য তার চেয়ে ঢের কঠিন; এখানে জটিলতা বহুমাত্রিক। আর ইরানের পরমাণু শক্তি সৌদিকে সত্যি বেশী চিন্তায় রেখেছে। সব বিবেচয় বাকি কয়েকটা রাষ্ট্রের সহিত শত্রুতা নিষ্পত্তির কথা হয়তো ভাবছে সৌদি সরকার।

সর্বোপরি নিজেদের নিরাপত্তা ও মুসলিম জাহানের নেতৃত্বে থাকার জন্য পরিবর্তিত পরিকল্পনার বিকল্প নেই। কিন্তু ইসরাইলের মত দেশকে বন্ধু করায় সে পরিবর্তন যেন অসম্ভব পথে যাচ্ছে। নিরাশার দোলাচল দিক খুঁজে পেত যদি আরব নেতারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রজ্ঞাবান হতো, নিয়ন্ত্রিত না হয়ে নিয়ন্ত্রণ করতো।

লেখক : আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক। 
masud.meazi44@yahoo.com

সমন্বিত বাজেট ও হিসাবরক্ষণ পদ্ধতি শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ

সমন্বিত বাজেট ও হিসাবরক্ষণ পদ্ধতি শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ

জবি সাংবাদিক সমিতির আহবায়ক লতিফুল, সচিব জোবায়ের

জবি সাংবাদিক সমিতির আহবায়ক লতিফুল, সচিব জোবায়ের

লেখক মুশতাকের মৃত্যুতে জাবিতে বিক্ষোভ

লেখক মুশতাকের মৃত্যুতে জাবিতে বিক্ষোভ

৩০ মার্চ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে : শিক্ষামন্ত্রী

৩০ মার্চ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে : শিক্ষামন্ত্রী

মোড়েলগঞ্জে বহরবুনিয়ায় দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীর উঠান বৈঠক

মোড়েলগঞ্জে বহরবুনিয়ায় দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীর উঠান বৈঠক

সাতক্ষীরায় সড়কে ঝরলো দুই শ্রমিকের প্রাণ

সাতক্ষীরায় সড়কে ঝরলো দুই শ্রমিকের প্রাণ

ইমাম মুসলিম (রাঃ) ইসলামিক সেন্টারে বোখারী সমাপণী সবক সম্পন্ন

ইমাম মুসলিম (রাঃ) ইসলামিক সেন্টারে বোখারী সমাপণী সবক সম্পন্ন

কক্সবাজার পৌর কাউন্সিলর বাবুর জানাযা সম্পন্ন

কক্সবাজার পৌর কাউন্সিলর বাবুর জানাযা সম্পন্ন

কক্সবাজার পৌর কাউন্সিলর বাবুর জানাযা সম্পন্ন

কক্সবাজার পৌর কাউন্সিলর বাবুর জানাযা সম্পন্ন

ভারতে খেলতে গেলেন সাবেক টাইগার ক্রিকেটাররা

ভারতে খেলতে গেলেন সাবেক টাইগার ক্রিকেটাররা

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুব দ্রুত খুলতে চাচ্ছি: প্রধানমন্ত্রী

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুব দ্রুত খুলতে চাচ্ছি: প্রধানমন্ত্রী

ফরিদপুরে  অবৈধ ৩টি ট্রলি আটক

ফরিদপুরে অবৈধ ৩টি ট্রলি আটক

কারাগারে লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক: হানিফ

কারাগারে লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক: হানিফ

যৌন হয়রানির দায়ে রাবি শিক্ষককে ৬ বছর অব্যাহতির সুপারিশ

যৌন হয়রানির দায়ে রাবি শিক্ষককে ৬ বছর অব্যাহতির সুপারিশ

জামালপুরে ফাঁসিতে ঝুলে কিশোরের আত্মহত্যা

জামালপুরে ফাঁসিতে ঝুলে কিশোরের আত্মহত্যা

জয়পুরহাটে ভ্যান ও ভটভটির মুখোমুখি সংঘর্ষে  নিহত ১

জয়পুরহাটে ভ্যান ও ভটভটির মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১

গেইল সহ শক্তিশালী দল নিয়ে শ্রীলঙ্কায় আসছে ক্যারিবিয়ানরা

গেইল সহ শক্তিশালী দল নিয়ে শ্রীলঙ্কায় আসছে ক্যারিবিয়ানরা

আইসিসিকে পাশে পেয়ে যা খুশি তাই করছে ভারত

আইসিসিকে পাশে পেয়ে যা খুশি তাই করছে ভারত

পুনরায় বঙ্গবন্ধু চেয়ার পদে ইতিহাসবিদ অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন

পুনরায় বঙ্গবন্ধু চেয়ার পদে ইতিহাসবিদ অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন

সংসার চালাতে ২ কন্যা সন্তান বিক্রি করলো মা!

সংসার চালাতে ২ কন্যা সন্তান বিক্রি করলো মা!