আজ রোববার, জানুয়ারী ১৭, ২০২১ | ৪ মাঘ, ১৪২৭

শিরোনাম

জন্মদিনে সময় জার্নালের মুখোমুখি কবি শাহানা সিরাজী

প্রকাশিত: বুধবার, ডিসেম্বর ১৬, ২০২০


জন্মদিনে সময় জার্নালের মুখোমুখি কবি শাহানা সিরাজী

আজ কবি, কথাশিল্পী ও শিক্ষক শাহানা সিরাজীর শুভ জন্মদিন। ১৯৬৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর নোয়াখালীতে জন্মগ্রহন করেন তিনি। পড়াশোনা ও বসবাস ঢাকায়। কিন্তু চাকরি কারণে বর্তমানে আছেন মুন্সিগঞ্জে। কবিতা গল্প উপন্যাস ও শিশুসাহিত্য মিলিয়ে তার প্রকাশিত বই প্রায় ২০টি।

তার কবিতা ও গল্পে জীবনের আনন্দ বেদনার বয়ান অসামান্য দরদীভাবে উঠে এসেছে। সাহিত্য সংস্কৃতি সমাজের শিল্পিত চর্চা তার মন মননে প্রায় ৪ দশক। মাটি মানুষের দায় অনুভব করে দায়িত্ব নিয়েছেন শিক্ষকতার মতো মহান পেশায়। নেশায় থাকে কবিতা গল্প। সব মিলিয়ে জন্মদিন উপলক্ষে সময় জার্নালের মুখোমুখি হন তিনি। সঙ্গে ছিলেন তরুণ গবেষক ও জেনারেশন ফর বাংলাদেশ -এর সভাপতি কবি ইমরান মাহফুজ

সময় জার্নাল  : আপনার সাহিত্য সংস্কৃতি জীবন যেভাবে শুরু করলেন সে গল্পটা শেয়ার করতে পারেন। 

শাহানা সিরাজী : জীবনের সাথে চলতে চলতে কখন লিখতে শুরু করেছি সঠিকভাবে মনে নেই। যখনই পড়তে শিখেছি তখন থেকে আজ অবধি একদিনের জন্যও পড়া বিমুখ হইনি। পড়তে পড়তেই লিখতে শুরু করেছি। নিজেকে যখন সাউন্ড করে প্রকাশ করতে অপরাগ ছিলাম তখনই কলমের আশ্রয় নিলাম। ব্যক্তিগত ডায়েরি তারপর কবিতা গল্প উপন্যাসে জীবনের ঘাত-প্রতিঘাত, দেখা-অদেখা সব কিছুই আঁকতে শুরু করেছি কলমের মাধ্যমে।

সময় জার্নাল : কবিতা খুব কঠিন মাধ্যম। কিন্তু আপনি সেখানে খুব সহজে অসামান্য চিন্তা গেঁথে দেন। এটা কীভাবে সম্ভব? 

শাহানা সিরাজী : কবিতা কঠিন কিনা বুঝি না। আমার মনে হয় এখানে প্রতিবাদ এখানেই সফল-বিফল সব কিছুকেই নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা যায়। জীবনটাই একটি মহাকাব্য। এর খণ্ডাংশ আঁকতে গেলেই এক একটি কবিতা হয়ে যায়।

সময় জার্নাল : প্রায় কবিতা গল্পে আপনি সামাজিক সচেতনতা ও উপদেশমূলক বার্তা দেন। তা শিক্ষক বলে কী সব সময় শেখানোর আগ্রহ? 

শাহানা সিরাজী : শিক্ষক বলে হয়তো মাত্রায় বেশী চোখে পড়ে কিন্তু আমার মনে হয় আমাদের আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিক বা যে কোন প্রেক্ষাপটে সঠিক পথ নির্দেশ করাই একজন লেখকের ধ্যান-জ্ঞান হওয়া উচিত। আমার দর্শন আমি কোথায় প্রকাশ করবো? এখানে গল্পে, কবিতায়, উপন্যাসেই আমি পারি আমার চিন্তা ভাবনা প্রকাশ করতে। হয়তো সে কারণেই  আমার লেখায় সামাজিক সচেতনতামূলক বিষয় বেশী পরিলক্ষিত হয়।

সময় জার্নাল : সাহিত্য সংস্কৃতি সমাজের মানুষের জন্য শিক্ষকতা কতটা সহায়ক?

শাহানা সিরাজী : আমার মতে একজন শিক্ষকই পারেন শিল্প-সাহিত্য  সংস্কৃতিকে একেবারেই রুটে পৌঁছে দিতে। শিক্ষকতার সাথে এর কোন বৈরিতা নেই। কিংবা শিক্ষকতার চেয়ে ভিন্ন বা আলাদা নয় সাহিত্য সংস্কৃতি। বরং এ পেশার সাথে সাহিত্য সংস্কৃতি ওতোপ্রোতো ভাবে জড়িয়ে আছে। 

সময় জার্নাল : ছোটবেলার কোন স্মৃতি আপনাকে তাড়িয়ে বেড়ায়?

শাহানা সিরাজী : আব্বার সাথে একদিন খুব জেদ করেছিলাম। তিনদিন ভাত খাইনি। আব্বা কথা বলেননি। পরে বড়ো মামী আম্মা আব্বাকে বকা দিয়ে আমাকে ভাত খাইয়েছেন। এছাড়া সিরাজপুর কিশোর সমবায় সমিতির সহসম্পাদক ছিলাম। সেই সমিতির কার্যক্রম সারাক্ষণ ব্রেইনে ঢেউ খেলে যায়।



সময় জার্নাল : আপনার প্রিয় লেখক কারা? তারা কী আপনাকে অনুপ্রেরণা দেয়?

শাহানা সিরাজী : প্রিয় লেখকের নাম যদি বলি রবীন্দ্রনাথ-নজরুল আগেই আসে। এরপর সমরেশ প্রচন্ড রকম নাড়া দেয়। শরৎ, বঙ্কিম, বুদ্ধদেব গুহ আমার শৈশবকে ধরে রেখেছে। শামসুর রাহমান, আল মাহমুদ উনাদেরকে পাঠ্য বইয়েও পাঠ করেছি। এখন যারা লিখছেন তাদের অনেকের লেখাই নিয়মিত পড়ি। 

সময় জার্নাল : আপনি ফুলটাইম শিক্ষক পার্ট টাইম কবি। শিল্প-সাহিত্য কীর্তি কী পুরো জীবন দাবী করে না? 

শাহানা সিরাজী : ব্যক্তির থেকে ব্যক্তির ভাবনাকে যেমন বিচ্ছিন্ন করা যায় না তেমনি ফুল টাইম শিক্ষক, পার্ট টাইম শিল্প-সাহিত্য বলা যাবে না। আমি যেখানে যে অবস্থায় থাকি সেখানে সে অবস্থায় শিল্প-সাহিত্যও থাকে আমার শিক্ষকতাও থাকে। বরং দুটো এক সাথে ধারণ করি বলেই সহজে শিক্ষার্থীদের ছুঁতে পারি। সাহিত্যের নানান উপাদান ধরা দেয়।

সময় জার্নাল : দেশ স্বাধীন হয়েছে, কিন্তু সামাজিক মুক্তি আসেনি। কাদের মাধ্যমে মুক্তি আসবে বলে আপনি মনে করেন...

শাহানা সিরাজী : একটি স্বাধীন ভূ-খণ্ড, সার্বভৌমত্ব, জনগণ এবং সরকার পেলেও প্রকৃত স্বাধীনতা আসেনি। মানুষ যতো শিক্ষিত না হবে নিজের অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন না হবে, মানুষের মনের মুক্তি না মিলবে, আইনের শাসন দ্রুত এবং নিরপেক্ষ না হবে ততোদিন কোন স্বাধীনতা নেই। কারণ মানুষ নিজের কাছেই নিজে পরাধীন। নিজে স্বাধীনতার স্বাদ  পেতে হলে আগে স্বাধীনতা সম্পর্কে জানতে হবে, স্বাধীনতা রক্ষা করতে হবে তারপরই স্বাধীনতা ভোগের প্রশ্ন আসবে। 
মানুষের হাতে মানুষ বন্দি
মানুষে মানুষে ফন্দি... আমার কবিতাংশ।

সময় জার্নাল : জন্মদিন মানে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাওয়া। এটা আপনাকে কীভাবে ভাবায়...

শাহানা সিরাজী : বেঁচে থাকা খুবই আশ্চার্যের ব্যাপার। জীব জগৎ জড়ো জগৎ একে অপরের উপর নির্ভরশীল হলেও জড় জগতের ক্ষমতা বেশি। সে ক্ষমতার অপব্যবহার করে আমরা দিব্যি বেঁচে আছি -এটা অলৌকিক। কতোদিন বেঁচে থাকবো যেহেতু জানি না সেহেতু জন্মদিন মানেই মৃত্যুর পথে এক ধাপ এগিয়ে যাওয়া। হিসেব করা যা ফেলে এসেছি তার কতো পার্সেন্ট উপযোগী  ছিলো? কতো পারসেন্ট না হলেও চলতো? নিজের সাথে নিজের বোঝাপড়া করে নেয়া গুরুত্বপূর্ণ। সেই সাথে যতক্ষণ প্রাণ আছে টিকে থাকার লড়াই এক মনে চালিয়ে যাওয়াই মৃত্যু ভাবনা থেকে মানুষকে কর্তব্য ভাবনায় নিয়ে যাবে। মৃত্যু নিয়ে ভাবনার কিছুই নেই। যখন আসার যেভাবে আসার আসবেই। বেঁচে থাকাটাকেই জীবন্ত করে রাখতে হবে।

সময় জার্নাল/শাহ্ আলম

ময়মনসিংহের দুটি পৌরসভায় মেয়র পদে নৌকার প্রার্থীরা বিজয়ী

ময়মনসিংহের দুটি পৌরসভায় মেয়র পদে নৌকার প্রার্থীরা বিজয়ী

নরওয়েতে ফাইজারের টিকা নেওয়ার পর ২৩ জনের মৃত্যু

নরওয়েতে ফাইজারের টিকা নেওয়ার পর ২৩ জনের মৃত্যু

নির্বাচিত হয়েই খুন হলেন বিএনপি সমর্থিত কাউন্সিলর

নির্বাচিত হয়েই খুন হলেন বিএনপি সমর্থিত কাউন্সিলর

উইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে দল ঘোষণা

উইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে দল ঘোষণা

খাগড়াছড়ি পৌরসভা নির্বাচনে নৌকার বিজয়

খাগড়াছড়ি পৌরসভা নির্বাচনে নৌকার বিজয়

হোমনা পৌর নির্বাচনে অ্যাড. নজরুল পুনরায় নৌকা পাওয়ায় সমর্থকদের আনন্দ মিছিল

হোমনা পৌর নির্বাচনে অ্যাড. নজরুল পুনরায় নৌকা পাওয়ায় সমর্থকদের আনন্দ মিছিল

৩৬তম বিসিএস ক্যাডারস এসোসিয়েশনের শীতবস্ত্র বিতরণ

৩৬তম বিসিএস ক্যাডারস এসোসিয়েশনের শীতবস্ত্র বিতরণ

শৈলকূপা পৌর নির্বাচনে গোপন কক্ষে গিয়ে ভোট দিলেন নৌকার এজেন্ট!

শৈলকূপা পৌর নির্বাচনে গোপন কক্ষে গিয়ে ভোট দিলেন নৌকার এজেন্ট!

হাকিমপুরে ১০ বছর বয়সী মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টায় শিক্ষক আটক

হাকিমপুরে ১০ বছর বয়সী মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টায় শিক্ষক আটক

ভোট দিয়ে জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের পরিস্থিতি এখন বাংলাদেশে নেই : রিজভী

ভোট দিয়ে জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের পরিস্থিতি এখন বাংলাদেশে নেই : রিজভী

দাগনভুঞা পৌরসভায় নৌকা প্রতীকের ওমর ফারুক খান নির্বাচিত

দাগনভুঞা পৌরসভায় নৌকা প্রতীকের ওমর ফারুক খান নির্বাচিত

বোয়ালমারীতে ব্যালট পেপারে অগ্নিসংযোগ, সহিংসতার জেরে ১০ বাড়িঘর ভাংচুর, আহত ২

বোয়ালমারীতে ব্যালট পেপারে অগ্নিসংযোগ, সহিংসতার জেরে ১০ বাড়িঘর ভাংচুর, আহত ২

মোংলায় নৌকার প্রার্থী আব্দুর রহমান জয়ী

মোংলায় নৌকার প্রার্থী আব্দুর রহমান জয়ী

বসুরহাটে বিপুল ভোটে জয়ী হলেন আলোচিত কাদের মির্জা

বসুরহাটে বিপুল ভোটে জয়ী হলেন আলোচিত কাদের মির্জা

সাতক্ষীরা পৌরসভা নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে ২১ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল

সাতক্ষীরা পৌরসভা নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে ২১ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল

রিয়েলমির প্রথম ‘সেলস অ্যান্ড সার্ভিস’ ফ্ল্যাগশিপ সেন্টারের যাত্রা শুরু

রিয়েলমির প্রথম ‘সেলস অ্যান্ড সার্ভিস’ ফ্ল্যাগশিপ সেন্টারের যাত্রা শুরু

ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও সম্পাদকের পদ স্থগিত

ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও সম্পাদকের পদ স্থগিত

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের গবেষণা সহায়তা পেলেন কুবি শিক্ষক

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের গবেষণা সহায়তা পেলেন কুবি শিক্ষক

দেশে করোনায় আরও ২১ মৃত্যু, শনাক্ত ৫৭৮

দেশে করোনায় আরও ২১ মৃত্যু, শনাক্ত ৫৭৮

মার্কিন স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ

মার্কিন স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ