রামিন কাউছার, জাবি প্রতিনিধি:
শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে আয়োজিত ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিমকে বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা মিলে কুপিয়ে হত্যা করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাত ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন কলা ভবনসংলগ্ন মুরাদ চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে বটতলা এলাকা প্রদক্ষিণ করে রফিক-জব্বার মোড়ে গিয়ে পুনরায় বটতলা এলাকায় ফিরে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
বিক্ষোভ মিছিলে বিভিন্ন স্লোগান দিতে শোনা যায়—
‘ছাত্রশিবির দিচ্ছে ডাক, চাঁদাবাজি নিপাত যাক’,
‘নির্বাচন কমিশন, বন্ধ করো প্রহসন’,
‘তারেক জিয়ার অনেক গুণ, নির্বাচনে মানুষ খুন’,
‘বিএনপি মানুষ মারে, নির্বাচন কমিশন কী করে’,
‘চাঁদাবাজদের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না’,
‘বিএনপি খুন করে, ইন্টেরিম কী করে’,
‘বিএনপির সন্ত্রাসীরা, হুঁশিয়ার সাবধান’,
‘হোয়াট ইজ ইয়োর প্ল্যান, মার্ডার মার্ডার’,
‘হোয়াট ইজ ইয়োর প্ল্যান, চাঁদাবাজি চাঁদাবাজি’,
‘বিএনপির অনেক গুণ, চাঁদাবাজি মানুষ খুন’।
জাবি শিবিরের সেক্রেটারি ও জাকসুর জিএস মাজহারুল ইসলাম বলেন, “আফসোস হয় আমাদের জুলাই শহিদদের প্রতি, যারা অকাতরে জীবন দিয়ে স্বাধীনতা এনে দেওয়ার পরও এমন দুর্ভাগা দেশ আমাদের দেখতে হচ্ছে। আমরা বলেছিলাম, ফ্যাসিবাদ নির্মূলের পর আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ গঠন করবো, যেখানে চাঁদাবাজি, খুন, সন্ত্রাস ও নারী নিপীড়ন থাকবে না। কিন্তু একটি দল সেই স্পিরিট ভুলে পুরোনো বস্তাপচা রাজনৈতিক ধারায় চলতে চায়। জনম্যান্ডেটের আস্থা হারিয়ে এই সন্ত্রাসী বাহিনী সারাদেশে মা-বোনদের ওপর হামলা করেছে, নেকাব খুলেছে, কুপিয়ে হত্যাচেষ্টা করেছে। আজ বিএনপি কর্তৃক জামায়াত নেতা হত্যার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং অতিসত্বর বিচার দাবি করছি।”
জাবি শিবিরের সদস্য ও জাকসুর এজিএস ফেরদৌস আল হাসান বলেন, “আমরা বলেছিলাম জুলাইয়ের পর নতুন রাজনীতি তৈরি করবো। কিন্তু আপনারা সেই পুরোনো পেশিশক্তির রাজনীতি থেকে বের হতে পারেননি। সময় থাকতে সুস্থ ধারার রাজনীতিতে ফিরে আসুন, নতুবা জনগণ আপনাদেরকেও হাসিনার মতো লাল কার্ড দেখাবে। ইন্টেরিমকে বলতে চাই, আগামী চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে এই হত্যার বিচার করতে হবে, নতুবা কীভাবে বিচার আদায় করতে হয় আমরা জানি।”
এমআই