মাইদুল ইসলাম:
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে ভোটের লড়াইয়ে আছেন বিএনপির মোঃ শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ডা. মো: রেজাউল করিম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো: ইব্রাহিম, জাপার এ, কে, এম মহি উদ্দিন, এনপিপির সেলিম মাহমুদ এবং এলডিপির মো: সামছুদ্দিন। মোট ৬জন প্রার্থীলড়বেন এই আসনের সাংসদ হতে। এই আসনের এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায় ভালো সম্ভাবণা রয়েছে ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী শিবিরের সাবেক সভাপতি ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের সেক্রেটারী ডা. রেজাউল করিমের। দুজনকেই প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করতে দেখা গেছে।
দুই প্রার্থীর সাথে কথা বললে শহীদ উদ্দিন চৌধুরী জানান তিনি এই অঞ্চলে কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তুলবে। আর এই এলাকাকে ইকোনমিক জোন (অর্থনৈতিক অঞ্চল) হিসেবে গড়ে তুলতে চান ডা. মো: রেজাউল করিম।
কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপি প্রার্থী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, আমাদের লক্ষ্মীপুর কৃষি কেন্দ্রিক। সম্পূর্ণভাবে অ্যাগ্রিকালচার ডিপেন্ডেন্ট বা অ্যাগ্রিকালচার রিলেটেড এলাকা। এর বাইরে আমাদের যাওয়ার কোনো সুযোগ নাই। তাহলে আধুনিক কৃষিকে আমি প্রায়োরিটি দিয়েছি এবং এর মাধ্যমে আমি আমার এলাকাকে স্বনির্ভর করতে পারি এবং বাণিজ্যিকভাবে আমরা এখানে স্বাবলম্বী হতে পারি, বাণিজ্যিক ফায়দা নিতে পারি, সুবিধা নিতে পারি। সেজন্য সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছি।
মি. এ্যানি বলেন, আমাদের লক্ষ্মীপুরের ধান, সয়াবিন, নারিকেল, সুপারি, শাকসবজি উৎপাদন অনেক বেশি চাষ হয়। সুতরাং যদি আমরা পরিকল্পিতভাবে করি এবং যুগের সাথে মিলিয়ে করি তাহলে কৃষি রিলেটেড যে শিল্প কলকারখানা গড়ে উঠবে, ভালো বীজের উৎপাদন হবে, ভালো কীটনাশক সারের প্রয়োজন আছে। সব দিক বিবেচনা করে আমরা আমাদের এখানে যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নত হবে। পরিকল্পিত ভাবে সেই পাইকারি মার্কেট হবে। মার্কেট থেকে এখানে উৎপাদিত জিনিস কেনা বেচা হবে এবং লক্ষ্মীপুর থেকে বাইরে বিভিন্ন ডিস্ট্রিক্টে পাঠাবো। এখান থেকে ওনারা কিনে নিয়ে যাবেন। তারপর এক্সপোর্টের ব্যবস্থা থাকবে। আমরা যথেষ্ট নজর দিয়েছি। উৎপাদিত কৃষিপণ্য যেন আমাদের এই এলাকায় মানুষ করে সেটা ফায়দা নিতে পারেন, সুবিধা নিতে পারেন, উপকারভোগী হন সেই দিকে। আমাদের একদম পরিকল্পিত প্রশিক্ষণ দিয়ে আমরা সেই কৃষি টাকে ডেভেলপ করব, যেই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে। আমাদের স্লোগানটা হলো কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি। লক্ষ্মীপুরের সমৃদ্ধি সেদিকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিয়েছি। এই ব্যাপারে আমরা সরকারের সহযোগিতা নিয়ে কাজটা সম্পূর্ণ করার চেষ্টা করব ইনশাল্লাহ।
এ বিষয়ে ডা. রেজাউল করিম বলেন, বাংলাদেশ তো কৃষিনির্ভর। এটা আমাদের অনেক জায়গায় কৃষির সাথে সম্পৃক্ততা। লক্ষ্মীপুরের এই চরাঞ্চল অনেকগুলো এলাকা রয়েছে। কিন্তু এখন এই অঞ্চলটা আসলে খাদ্য ঘাটতির এলাকায় পরিণত হয়েছে। সুতরাং প্রথম আমাদের কৃষকদের জন্যই কৃষির যে প্রণোদনা গুলো, তাদের যে সার, মেশিনারিজ দিব। এবং তারা যা উৎপাদন করে সত্যিকার অর্থে ন্যায্যমূল্যে এখানে পায় না। এজন্যই আমরা তাদের জন্য এখানে হিমাগার তৈরি করতে চাই এবং তাদের জন্য এই সাপোর্ট গুলো যদি আমরা বিনামূল্যেই দিতে পারি, তাহলে একদিকে আমাদের এই এলাকার খাদ্য ঘাটতির যে অংশটা আছে সেটা আমরা পূরণ করতে পারব।
লক্ষ্মীপুরের এই অঞ্চলে কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি কতটা সম্ভব এ বিষয়ে কথা কৃষিবিজ্ঞানী অধ্যাপক ডা. ফেরদৌস আরার সাথে। তিনি বলেন, এজন্য পণ্য বিক্রির ব্যবস্থা করতে হবে। কমিউনিটিভিত্তিক বিক্রির ব্যবস্থা করতে হবে। এবং কৃষি কার্ডের মাধ্যমে যেটা বলা হচ্ছে, সার, কীটনাশক এসব তো দিতেই হবে। ট্রেনিংটাও দিতে হবে। নতুন যে কৃষি উদ্যোক্তা তৈরি হবে, সেসব ইয়াং ছেলেদেরকে আপনার এখানে ইনক্লুড করতে হবে। তাদেরকে বলতে হবে তোমরা কৃষি কাজ করবে। সেজন্য তাদেরকে মর্যাদা দিতে হবে।
যেমন আমাদের কৃষকদের কোনো মর্যাদা নাই। কিন্তু আমরা বলি যে, কৃষি আমাদের সব কিন্তু পেশাগতভাবে লিখতে পারে না। কৃষক যখন একটা ইয়াং ছেলে লিখতে পারবে, আমি কৃষক। কৃষক তার পেশা একটি প্রাইভেট সার্ভিস বা কৃষি। এই গুলো যখন হবে তখন কৃষি অর্থনীতিতে বাড়বে।
একমাত্র বাংলাদেশে কৃষি অর্থনীতি ছাড়া, কৃষি ছাড়া বাংলাদেশ আগানোর আর কোনো উপায় নেই। কারণ গারমেন্টসের উপর ডিপেন্ড করে, রেমিট্যান্সের উপর নির্ভর করে বাংলাদেশ কিন্তু আগায়নি। একাত্তরের যুদ্ধে, করোনায় প্রমাণিত হয়েছে কৃষি উৎপাদন বন্ধ হয় নাই। সুতরাং এই দুটো উদাহরণ দেখলেই হবে। নাইলে সারা পৃথিবী প্রচার করছিল বাংলাদেশে করোনার পরে দুর্ভিক্ষ লাগবে। কিন্তু আমার কৃষক কিন্তু গ্লাভ্স পরে মাঠে নামেনি। সে কিন্তু উৎপাদন করেছে। সুতরাং আমার এই লক্ষ্মীপুর-৩ এলাকাতে আমি যেটা দেখি, এলাকার জলাবদ্ধতা, কৃষি উৎপাদন, শ্রমিকের প্রয়োজন ইত্যাদি অত্যন্ত নাজুক অবস্থায় আছে। তরুণদেরকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। বিশেষ প্রোগ্রাম নিতে হবে উদ্যোক্তা তৈরি করতে। তাহলে কৃষি অর্থনীতি হবে।
নির্বাচনের সার্বিক অবস্থা এবং তরুণ ভোটার টানতে বিএনপির পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাইলে শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, একটা স্বতঃস্ফূর্ত নির্বাচন এবং সব দিকে ধানের শীষের জোয়ার ইনশাল্লাহ। আমরা বিশ্বাস করি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার পর পরই আমাদেরকে অনেক দায়িত্ব নিয়েই কাজ করতে হবে। দেশের জন্য, মানুষের জন্য, বিশেষ করে এই যে ইয়াং জেনারেশন ছাত্র, যুবক, তরুণ। আমাদের বিশেষ করে কর্মসংস্থানের জন্য একটা বেকারভাতা থাকবে এক বছরের এবং এক বছরের ট্রেনিং এর ব্যবস্থা থাকবে। আমরা প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদেরকে এমন একটা পরিস্থিতির সৃষ্টি করে দিব যেন তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে নিজেরা আত্মনির্ভরশীল হতে পারে, স্বনির্ভর হতে পারে। সেজন্য আমরা বিশেষ নজর রেখেছি। এই ব্যাপারে আমাদের প্রোগ্রামও আছে।
লক্ষ্মীপুর-৩ অঞ্চল নিয়ে পরিকল্পনা জানতে চাইলে দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী রেজাউল করিম অর্থনৈতিক অঞ্চল করতে এই এলাকাকে শিক্ষানগরী ও তরুণদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থার কথা তুলে ধরে বলেন, আমাদের অন্যতম টার্গেট হচ্ছে এই লক্ষ্মীপুরের সাথে আমরা রেল লাইন সংযোগ করার মাধ্যমে এখানে আমরা অনেক কলকারখানা প্রতিষ্ঠা করতে চাই। তার মাধ্যমে আমাদের বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান আমরা তৈরি করতে চাই। লক্ষ্মীপুরে আমাদের আগামী দিনের টার্গেট হচ্ছে একটি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিক্যাল কলেজ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন হয়ে আছে বটে তার কার্যক্রম এখনো শুরু হয়নি। সেটা আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে। এবং আমরা একটি উইমেন ইউনিভার্সিটি এবং ক্যানসার হসপিটাল-এর পরিকল্পনা রয়েছে। এই প্রতিষ্ঠান, শিক্ষানগরী পরিণত হওয়ার সাথে সাথে তখন এই জনপদটাকে আরেকদিকে কর্মসংস্থানেরও একটা অবস্থানে আমরা নিয়ে যেতে পারবো।
মি. করিম বলেন, আপনারা জানেন যে লক্ষ্মীপুরে আমাদের রেমিট্যান্স যোদ্ধা অনেক। এখানে বিদেশি আয়ের বিরাট সুযোগ আমাদের রয়েছে। কিন্তু লক্ষ্মীপুরের প্রধানতম সমস্যা হলো : সন্ত্রাস এবং মাদক। এই জনপদ এখন অনেকটাই সন্ত্রাসের জনপদ হিসেবে পরিচিত। সুতরাং এই পরিচিতিটা আমরা মুছে ফেলতে চাই। আমরা এই দুটির ব্যাপারে যদি দুর্নীতি, সন্ত্রাস এবং মাদককে আমরা যদি এখানে না বলতে পারি, তাহলে এই জনপদে আমাদের রেমিট্যান্স যোদ্ধা যারা বিদেশে থাকেন তারা এখানে অনেক ইনভেস্ট করার সুযোগ দিতে পারেন। লক্ষ্মীপুরের অন্যতম হচ্ছে এখানে চারটি মৌলিক জিনিস রয়েছে যেগুলো রপ্তানি করা যায় নারিকেল, সুপারি, সয়াবিন এবং ইলিশ। এই চারটির একটি পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে। আমরা এগুলোকে রপ্তানি করে এই জায়গাটাকে অর্থনৈতিক একটা জমি, বিশেষ করে আমরা একটা ইকোনমিক জোন অর্থাৎ নৌবন্দর যেটা লক্ষ্মীপুর আমরা সেটাও আমাদের স্থাপন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
নির্বাচনে পর্দাশীল নারীদের জন্য এবং পরবর্তীতে নারীদের কর্মসংস্থানের জন্য কোনো নির্দিষ্ট পরিকল্পনা আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, তরুণ এবং নারী ভোটার। এবার আসলে এই পরিবর্তনের মূল তারাই ভূমিকা পালন করবে। ইতোমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে তরুণ প্রজন্ম, তারা উই ওয়ান্ট জাস্টিস স্লোগানটা তারা দিয়েছে। এটির পক্ষেই তারা রায় দিয়েছে। অর্থাৎ বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরকে তারা গণ রায়ের মাধ্যমে তারা গ্রহণ করেছে। সুতরাং এখন নারীদের ভোটারের মধ্যেও এবার আমরা লক্ষ্য করছি তারা একটা ইনসাফের বাংলাদেশ চায়। তারা একটা পরিবর্তন চায়। এবং তাদের মধ্যে বড়ো অংশ গবেষণায় দেখা যায় যে, দাঁড়িপাল্লার প্রতি তাদের একটা বড়ো সমর্থন আছে। সুতরাং আমাদের এটি দ্বিতীয় আরব হিসেবে খ্যাত। এই জনপদের আমাদের নারী ভোটাররা অত্যন্ত পর্দানশিন। ইসলামের প্রতি তাদের বিরাট ভালোবাসা রয়েছে এবং অন্য ধর্মে যারা রয়েছে তারাও আমাদের সাথে সম্পৃক্ততা অনেক ভালো। সুতরাং এই জায়গায় নারী ভোটারদের যে গণজোয়ার, এটাকে রুখবার জন্যে একটি দলের পক্ষ থেকে নারীদের উপরে হামলা হয়েছে, আপনারা জানেন। বিভিন্ন ইউনিয়নে আমাদের নারী কর্মীদেরকে হেনস্তা করা হয়েছে। তাদেরকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করা হয়েছে এবং আমরা গত সংবাদ সম্মেলনে বলেছি, বেশ কিছু জায়গায় আমাদের নারী নেত্রীদের কে তারা হুমকি ধমকি দিয়েছে, বারো তারিখে ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার কথা বলেছে। কিন্তু এই সব কিছুকে অতিক্রম করে আমরা আশা করছি নারী ভোটাররা এখানে ব্যাপকভাবে উপস্থিত হবে।
আর নারী ভোটারদের জন্যে, স্পেশালি নারীদের জন্যে আমাদের কর্মসংস্থানের প্যাকেজটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা তাদেরকে বিনা সুদে লোন দিতে চাই এবং ষাটোর্ধ্ব যাদের বয়স, আমাদের আমিরে জামাত বলেছেন, বিনা টাকায় তারা চিকিৎসা পাওয়া। পাঁচ বছর পর্যন্ত তাদের শিশুদের জন্য যে সুবিধাগুলো তা দেয়া। আমরা এখানে বুটিক, বাটিক, হস্তশিল্প, ষোলোটা আইটেমের পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে। নারীদেরকে যদি আমরা বিনা সুদে লোন দিয়ে তাদের একটি খামার, একটি প্রকল্প এবং হস্তশিল্পের জন্য যদি তাদেরকে বিনিয়োগ করা যায় বিনা সুদে। তাহলে আমরা আশা করি নারী ভোটারদের কর্মসংস্থানের যে সমস্যাটি এখানে রয়েছে, আমরা সেটিও এখানে পূরণ করতে পারবো।
এবারের নির্বাচনে সাড়ে চার কোটি ভোটার যাদের বয়স আঠারো থেকে তাদের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট তার পক্ষ থেকে বা জামাতের পক্ষ থেকে কোন পরিকল্পনা আছে কিনা জানতে চাইলে ডা. রেজাউল করিম বলেন, তরুণ ভোটারদের বড়ো অংশ কিন্তু এবার দাড়িপাল্লা কর্তৃক এগারো দলীয় জোটের প্রতি তাদের সমর্থন। বিশেষ করে জুলাইয়ে আন্দোলন যারা করেছে এনসিপিও কিন্তু আমাদের এগারো দলীয় জোটের অন্তর্ভুক্ত। তার মধ্য দিয়ে আসলে তরুণ প্রজন্মের হাইপ আপনি বলতে পারেন যে দাঁড়িপাল্লা অর্থাৎ এগারো দলীয় জোটের দিকে। আমরা তাদের জন্যে বেকার ভাতা নয়, তাদের জন্য সম্মানের ভিত্তিতে, যোগ্যতার ভিত্তিতে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে চাই। স্পেশালি আমাদের লক্ষ্মীপুরে একটা আইটি পার্কের আমাদের একটা পরিকল্পনা রয়েছে। যাতে এখানে ইন্টারনেট ফ্যাসিলিটিজ সহ যা দেয় সেগুলো তারা পায়।
তরুণদের জন্য আমাদের জাতীয় পরিকল্পনার মধ্যে আমরা তাদেরকে যারা মেধাবী কিন্তু বিদেশে পড়ালেখা করতে যেতে চায়। তাদের হয়ত অর্থনৈতিক সংকট আছে। তাদেরকে বিনা টাকায় সরকারের পক্ষ থেকে বিদেশে পাঠিয়ে পড়ালেখার সুযোগ করে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তরুণদের জন্যে আমরা মনে করি, আমাদের তরুণদেরকে যদি তাদের দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তোলা যায় তাহলে আমাদের তরুণরা আর বেকার থাকবে না। বরং বিশ্বের মানচিত্রে বাংলাদেশকে উঁচু করে দাঁড় করাবার ক্ষেত্রে এখানে তরুণদের যে এখন একটা বিরাট গণজোয়ার রয়েছে, সেটি হয়তো এই সময়ে যদি আমরা ধরতে পারি। তাহলে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরকে অতিক্রম করবার ক্ষেত্রে এই তরুণরাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
এমআই