নিজস্ব প্রতিবেদক:
ঈদকে সামনে রেখে রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে সবজির দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে। কয়েকদিন আগেও তুলনামূলক কম দামে পাওয়া গেলেও এখন অনেক সবজির দাম বেড়ে গেছে। এতে চাপে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা, বিশেষ করে স্বল্প আয়ের মানুষ।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, মৌসুমি অনেক সবজির দাম কেজিতে ৮০ থেকে ১২০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। এতে বাজারে আসা ক্রেতাদের অনেকেই অসন্তোষ প্রকাশ করছেন।
বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, করলা, চিচিঙ্গা ও ধুন্দল প্রতি কেজি ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একই দামে বিক্রি হচ্ছে সিমের বিচি ও গোল বেগুন। লম্বা বেগুনের দাম তুলনামূলক কিছুটা কম, কেজি ৮০ টাকা। শসার দামও প্রায় একই, কেজি ৮০ টাকা।
এদিকে টমেটো কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। জালি কুমড়া ৬০ টাকা কেজি, আর বড় কুমড়া বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে। পেঁপের দামও কেজিতে ৩০ থেকে ৪০ টাকার মধ্যে রয়েছে।
বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ কিছুটা কমে যাওয়ায় দাম বেড়েছে। পাশাপাশি পরিবহন খরচও বেড়েছে।
রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর এক সবজি বিক্রেতা বলেন, ঈদের আগে সব সময়ই বাজারে চাহিদা বাড়ে। অনেকেই বেশি করে বাজার করেন। পাইকারি বাজারে দাম বাড়ায় আমাদেরও একটু বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।
আরেক বিক্রেতা জানান, গ্রাম থেকে সবজি আনা-নেওয়ার খরচ আগের তুলনায় বেড়েছে। তার ওপর কিছু সবজির সরবরাহ কম। এজন্য দাম কিছুটা বেশি।
বাজারে দেখা গেছে, অনেক ক্রেতাই আগের মতো বেশি পরিমাণ সবজি কিনছেন না। কেউ কেউ এক কেজির বদলে আধা কেজি করে কিনছেন। এতে বোঝা যায়, দাম বাড়ার প্রভাব সরাসরি পড়ছে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন কেনাকাটায়।
ক্রেতাদের দাবি, বাজারে নিয়মিত তদারকি বাড়ানো হলে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে হয়তো সবজির দাম কিছুটা কমতে পারে। তবে ঈদ সামনে রেখে বাজারে যে দাম বাড়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, তাতে আপাতত স্বস্তির কোনো লক্ষণ দেখছেন না সাধারণ মানুষ।
এমআই