নিজস্ব প্রতিবেদক:
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, ‘সরকারের অনেক আমলা বিভিন্ন কোম্পানির এজেন্ট হিসেবে পারপাস সার্ভ করছে। অনেক আমলা সরকারি চাকরির এই ট্যাগটাকে ব্যবহার করে বিভিন্ন কোম্পানির পারপার্স সার্ভ করে এবং পলিসিতে তারা তাদের ব্যক্তিগত এজেন্ডাকে বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করে।’
রোববার রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে এনসিপি’র সংস্কার বাস্তবায়ন কমিটি আয়োজিত জাতীয় কনভেনশনের ‘জ্বালানি নিরাপত্তা: বর্তমান সংকট এবং ভবিষ্যৎ করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে দেয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আমি লাস্ট কিছুদিন জ্বালানি বিষয়ক একটা জাতীয় জ্বালানি বিষয়ক কমিটিতে আছি। সেই জায়গায় দেখলাম, আমলাদের মধ্যে অনেকেই যে এলএনজির সঙ্গে রিলেটেড তিনি গভমেন্টকে পুশ করার চেষ্টা করে। এলএনজি কীভাবে আমাদের দেশে এনার্জি সংকট নিরশনে সহায়তা করবে। কারণ, এলএনজি কোম্পানিগুলো তারা ইম্পোর্ট করে, মানে হচ্ছে ইনভেস্ট করে। অবসরের পরে ওই আমলা, ওই এলএনজি কোম্পানির কোনো একটা পোস্টে চাকরি করে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আবার যারা এইচএফও নিয়ে কাজ করে, দেখা যায় তারা গভমেন্টকে পুশ করে। পলিসিতে পুশ করে, আমাদের হেভি ফুয়েল অয়েলগুলা যদি আমরা বেশি বেশি ইমপোর্ট করি, সেটা কীভাবে আমাদের এনার্জি ক্রাইসিসকে সলভ করবে। দেখা যায়, ডিজেল নিয়ে যিনি কাজ করেন, তিনি গভমেন্টকে পুশ করেন। গভমেন্ট ডিজেল বিভিন্ন জায়গা থেকে কেনে, স্পট মার্কেট থেকে কেনে। সবাই তাদের স্বার্থ ঠিক রেখে সরকারকে পুশ করে।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আমাদের যে জনআকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছিল, রাষ্ট্রের যে আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছিল, সেই জায়গা থেকে গভমেন্টকে অনেক দূরে সরিয়ে নিচ্ছে। এখানে আমাদের সংস্কারের ইনস্টিটিউশনাল আমাদের ইন্ডিপেন্ডেন্ট হওয়ার কথা ছিল। আমাদের জুডিশিয়ারি ইন্ডিপেন্ডেন্ট হওয়ার কথা ছিল। আমাদের আমলাতন্ত্রের জায়গায় একটা ম্যাসিভ রিস্ট্রাকচার হওয়ার দরকার ছিল। আমাদের পুলিশ সংসার কমিশন হওয়ার দরকার ছিল। এই সব জায়গা থেকে গভমেন্ট অনেক দূরে সরে গেছে। কারণ গভমেন্টের কাছে মনে হচ্ছে, সে যদি সবকিছুকে নিয়ন্ত্রণ না করতে পারে সবগুলোকে যদি মিসএপ্রোপ্রিয়েট না করতে পারে, সে নাকি সরকার যথাযথভাবে চালাতে পারবে না।’
এমআই