ডিআইইউ প্রতিনিধি :
ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (ডিআইইউ) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে চতুর্থ আন্তর্জাতিক কনফারেন্স ‘ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন ইলেকট্রিক্যাল, কম্পিউটার অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজিস (ইসিসিটি ২০২৬)’। তিন দিনব্যাপী এ আয়োজনটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হবে।
ডিআইইউ’র সিএসই ও ইইই বিভাগ, সেন্টার ফর ইন্টেলিজেন্ট কম্পিউটিং এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ কনফারেন্সে দেশ-বিদেশের গবেষক, একাডেমিশিয়ান ও প্রযুক্তিবিদরা অংশ নেবেন। বিশ্বের ৫০টিরও বেশি দেশের অংশগ্রহণকারী এতে যুক্ত হবেন এবং ২০০টিরও অধিক দেশ থেকে গবেষণাপত্র জমা পড়েছে।
কনফারেন্সে মোট ৭১৩টি গবেষণাপত্র জমা পড়ে, যার মধ্যে ২৫২টি (প্রায় ৩৫ শতাংশ) গৃহীত হয়েছে। গৃহীত গবেষণাপত্রগুলো অ্যাটলান্টিস প্রেস (স্প্রিংগার) ও টেইলর অ্যান্ড ফ্রান্সিস গ্রুপের মাধ্যমে প্রকাশিত হবে এবং স্কোপাস ইনডেক্সড জার্নালে অন্তর্ভুক্তির সুযোগ পাবে।
তিন দিনব্যাপী এ কনফারেন্সে ৩৩টি টেকনিক্যাল সেশন, ৭টি কীনোট স্পিচ এবং ২টি ইনভাইটেড টক অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া থাকবে একাধিক ইন্ডাস্ট্রি টক, স্টিয়ারিং কমিটি মিটিং এবং সমাপনীতে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।
টেকনিক্যাল সেশনগুলোতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার সিকিউরিটি, বাংলা ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং, স্মার্ট আইওটি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও অটোনোমাস ট্রান্সপোর্টেশনসহ সমসাময়িক বিভিন্ন প্রযুক্তি বিষয়ে গবেষণা উপস্থাপন করা হবে।
কনফারেন্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. এম. সোহেল রহমান। এছাড়া অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ডিআইইউ’র ট্রেজারার অধ্যাপক ড. এ.টি.এম. মাহবুবুর রহমান সরকার, টিপিসি চেয়ার অধ্যাপক ড. এম. শামীম কায়সার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন অ্যাডভোকেট শাহেদ কামাল পাটোয়ারী, অধ্যাপক ড. আহমেদ ওয়াসিফ রেজা ও অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল বাছেত।
সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববী হাজ্জাজ। এছাড়া সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, উপাচার্য অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলাম এবং অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুর রহমানসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
কনফারেন্সের অর্গানাইজিং চেয়ার অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল বাছেত বলেন, 'ইসিসিটি ২০২৬' কনফারেন্সটি একটি বৈশ্বিক গবেষণা প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। এর মাধ্যমে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক গবেষকদের মধ্যে জ্ঞান বিনিময়, নতুন প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং গবেষণার গুণগত মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আয়োজকরা আশা করছেন, এ আন্তর্জাতিক কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রযুক্তি ও গবেষণার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে এবং বাংলাদেশ বৈশ্বিক গবেষণা অঙ্গনে আরও শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।
একে