নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ ও ব্রুনাই দারুসসালামের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে ঢাকাস্থ ব্রুনাই হাই কমিশনে এক ফলপ্রসূ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে অংশ নেন বিশিষ্ট কলামিস্ট, সমাজসেবক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম রেজাউল করিম এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রুনাই দারুসসালামের হাইকমিশনার মহামান্য হাজি হারিস বিন ওসমান।
শনিবার (১৭ মে) অনুষ্ঠিত এ বৈঠকের পর হাইকমিশনার এক আনুষ্ঠানিক বার্তায় ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিমের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
চিঠিতে হাইকমিশনার হাজি হারিস বিন ওসমান বলেন, ঢাকাস্থ ব্রুনাই হাই কমিশনে ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিম এবং প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী লেফট্যানেন্ট কর্নেল (অব.) প্রফেসর ড. আকরাম আলীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়, আঞ্চলিক উন্নয়ন এবং ব্রুনাই-বাংলাদেশ সহযোগিতার ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে অত্যন্ত অর্থবহ ও গঠনমূলক আলোচনা হয়েছে।
এসময় ব্রুনাই হাই কমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি মিস্টার রোজাইমি আবদুল্লাহও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। তার অংশগ্রহণের প্রশংসা করায় ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিমকে ধন্যবাদ জানান হাইকমিশনার।
হাইকমিশনার তার বার্তায় উল্লেখ করেন, দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ভিত্তি হিসেবে মানবসম্পদ উন্নয়ন, বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পৃক্ততা এবং জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক (পিপল-টু-পিপল কানেকশন) জোরদারের বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে। তিনি এ আলোচনাকে সময়োপযোগী ও উৎসাহব্যঞ্জক বলে অভিহিত করেন।
বৈঠকে প্রফেসর ড. আকরাম আলীর সদ্য প্রকাশিত গ্রন্থ “July Revolution: And Its Aftermath Politics” হাইকমিশনারের কাছে উপহার হিসেবে তুলে দেওয়া হয়। বইটি গ্রহণ করে হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক বিবর্তন ও সামগ্রিক উন্নয়ন সম্পর্কে আরও গভীর ধারণা পেতে বইটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এছাড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী গবেষণা কেন্দ্র, সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট (CHRHD) এবং ডেমোক্রেসি রিসার্চ সেন্টারের (DRC) চেয়ারম্যান হিসেবে ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম রেজাউল করিমের দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গবেষণা, সংলাপ, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও মানবসম্পদ উন্নয়নে ভূমিকার প্রশংসা করেন ব্রুনাইয়ের হাইকমিশনার।
চিঠির শেষাংশে তিনি ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিমের সুস্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ সাফল্য কামনা করেন।পাশাপাশি বাংলাদেশ ও ব্রুনাই দারুসসালামের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও সহযোগিতার বন্ধন আরও শক্তিশালী করতে এ ধরনের সৌহার্দ্যপূর্ণ যোগাযোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
একে