বৃহস্পতিবার, ০৭ জুলাই ২০২২

বিএসএমএমইউ ও জন হপকিন্স ইউনিভার্সিটির যৌথ উদ্যোগে হবে বিশ্বমানের ক্যান্সার চিকিৎসা কেন্দ্র

বুধবার, অক্টোবর ৬, ২০২১
বিএসএমএমইউ ও জন হপকিন্স ইউনিভার্সিটির যৌথ উদ্যোগে হবে বিশ্বমানের ক্যান্সার চিকিৎসা কেন্দ্র

সময় জার্নাল প্রতিবেদক:

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) ও চিকিৎসা, স্বাস্থ্যবিষয়ক গবেষণা ধর্মী বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান জন হপকিন্স ইউনিভার্সিটির যৌথ উদ্যোগে জাতির পিতার নামে প্রতিষ্ঠত এই বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠিত করা হবে সকল ধরণের ক্যান্সারের চিকিৎসার বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা কেন্দ্র। এর মূল্য লক্ষ্য হলো বিভিন্ন ধরণের ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীরা যাতে চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে না যায়। 

দেশেই যাতে ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীরা সর্বোত্তম  ও সর্বাধুনিক চিকিৎসা পায় সে লক্ষ্যেই এই বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হবে। ইত্যেমধ্যে এই লক্ষ্য পূরণে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে ও কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

ক্যান্সারের চিকিৎসার বিষয়ে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত করতে পারলে রোগীদের ভোগান্তি যেমন কমে আসবে তেমন তাঁরা স্বল্পখরচে উন্নত চিকিৎসাসেবা পাবেন এবং সাথে সাথে অনেক বৈদেশিক মুদ্রারও সাশ্রয় হবে।

বুধবার (৬ অক্টোবর) তারিখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের এফ ব্লকে ‘আমাদের অঙ্গীকার, থাকবে না আর জরায়ু-মুখ ও স্তন ক্যান্সার, নিরাপদে থাকবে নারী, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ি’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে এইচপিভি ল্যাবের শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ এ কথা বলেন। 

এসময় উপাচার্য আরো বলেন, জরায়ু-মুখ ক্যান্সার বাংলাদেশে নারীদের ক্যান্সারজনিত মৃত্যুর অন্যতম কারণ। জরায়ু-মুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে এইচপিভি ডিএনএ টেস্টের ভূমিকা অনস্বীকার্য। নারীদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা ও নারীদের মৃত্যুর হার কমিয়ে আনা, মহিলাদের জরায়ু মুখ ক্যান্সারের ঝুঁকি কমানোর উদ্দেশ্যে কার্যকরভাবে জরায়ু-মুখ ক্যান্সার নির্ণয়ের লক্ষ্যে এইচপিভি ল্যাবের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।


‘জীবনে সব চাইতে শিক্ষক মা-বাবা’ 
এদিকে ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ বলেছেন, শিক্ষকরা সমাজের সবচাইতে সম্মানিত ব্যক্তি। তারা মানুষ গড়ার প্রধান কারিগর। তবে জীবনে সব চাইতে বড় শিক্ষক হলেন যার যার মা-বাবা। এজন্য মা-বাবার কথা মেনে চলার সাথে সাথে তাঁরা যাতে কষ্ট না পায় এবং পরিবারে কোনো ধরণের অবহেলার শিকার না হয় সেদিকে অবশ্যই সকল সন্তানের খেয়াল রাখা উচিত।

সময় জার্নাল/এমআই


Somoy Journal is new coming online based newspaper in Bangladesh. It's growing as a most reading and popular Bangladeshi and Bengali website in the world.

যোগাযোগ:
এহসান টাওয়ার, লেন-১৬/১৭, পূর্বাচল রোড, উত্তর বাড্ডা, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ
কর্পোরেট অফিস: ২২৯/ক, প্রগতি সরণি, কুড়িল, ঢাকা-১২২৯
ইমেইল: somoyjournal@gmail.com
নিউজরুম ই-মেইল : sjnewsdesk@gmail.com

কপিরাইট স্বত্ব ২০১৯-২০২২ সময় জার্নাল