আজ মঙ্গলবার, জানুয়ারী ২৬, ২০২১ | ১৩ মাঘ, ১৪২৭

শিরোনাম

সংগীত ঐতিহ্যের পথ রক্ষার্থে জাবি

প্রকাশিত: বুধবার, ডিসেম্বর ৩০, ২০২০


সংগীত ঐতিহ্যের পথ রক্ষার্থে জাবি

সিলভিয়া আক্তার :

সংগীতে  অনুভূতি, সংগীতে পবিত্রতা। সংস্কৃতির অন্যতম একটি উপাদান ও স্মৃতি রক্ষার বাহক- সংগীত। এর ছন্দ-তাল-লয় আমাদের সুপ্ত অনুভূতিগুলোকে জাগিয়ে জীবনকে করে তোলে মধুর ও পরিপূর্ণ। মানুষের মনকে করে তোলে মহৎ ও পবিত্র।
সংগীত ঐতিহ্যে বাংলাদেশ সমৃদ্ধ। বাংলা সংগীতের ইতিহাস হাজার বছর পুরোনো। চর্যাপদ, ধর্মশাস্ত্র থেকে শুরু করে প্রতিটি ক্ষেত্রেই সংগীতের ব্যবহার লক্ষ্যনীয়। সংগীত সমাজের সকল স্তরে পরিব্যাপ্ত। রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলসংগীত কিংবা লোকসংগীত (ভাওয়াইয়া, ভাটিয়ালি, বাউল গান, মুর্শিদী, গম্ভীরা, কবিগান, জারি, সারি ইত্যাদি) সবই বাংলার ঐতিহ্য ও গর্ব। বাংলা সংগীতে ফুটে উঠে বাংলার প্রকৃতি, বাঙালির জীবনযাত্রা, সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা, বাঙালির মুক্তিযুদ্ধ বাঙালির গর্বের ইতিহাস। কালের বিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সংগীতের ধরন পরিবর্তন হলেও গান মানুষের আত্মার খোরাক হিসেবেই কাজ করে। একটি গানকে সমৃদ্ধ করতে ও হৃদয়গ্রাহী করতে প্রয়োজন সংগীতের সঙ্গে মেধা, জ্ঞান, দক্ষতা ও সৃজনশীলতার সমন্বয়।

 
বাংলা সংগীতের আধুনিক যুগে এসেছে নানান রকম পরিবর্তন। বর্তমানের গান গুলোর মধ্যে নেই সেই প্রাণ। নেই অতীতের মতো ভাষাগত দক্ষতা। বর্তমান প্রজন্মের সাথে বাংলার ঐতিহ্যকে পরিচয় করিয়ে দিতে এবং বাংলা সংগীতকে ধরে রাখতে প্রয়োজন এর চর্চা। সংগীতকে ঘিরে বাংলার সংস্কৃতিকে ধরে রাখতে তাই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে কতগুলো সাংস্কৃতিক সংগঠন। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিজস্ব কিছু বাংলা ব্যান্ড রয়েছে যেমন- যোদ্ধা, বিশেষ দ্রষ্টব্য, পীপিলিকা, অবান্তর, ছন্নছাড়া, আক্ষেপ ইত্যাদি। সাংস্কৃতিক রাজধানী খ্যাত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। বাংলার সংস্কৃতিকে ধরে রাখতে ও এর সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে পরিচয় করিয়ে দিতে বছর জুড়ে নানান রকম আয়োজন করে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক সংগঠন গুলো। সংগীতকে ঘিরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে যে সাংস্কৃতিক সংগঠন গুলো কাজ করছে তার মধ্যে রয়েছে- রিদম, সুসওয়ার (সুস্বর), জলসিঁড়ি, আনন্দন ইত্যাদি। 

রিদম:  

সাংস্কৃতিক সংগঠন রিদমের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় ক্যাম্পাসের জহির রায়হান মিলনায়তনে ১৪ নভেম্বর, ২০১৬। সংগঠনের মূল কেন্দ্রবিন্দুই হলো সংগীত। তাই গানকে কেন্দ্র করেই চলে এর সমস্ত কার্যক্রম। তবে এর সাথে আবৃত্তিও চর্চা করে। চিত্রশিল্প বা কারুশিল্পের দিকে আগ্রহ থাকায় এটি প্রদর্শনীর আয়োজনও করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রের ১০নং কক্ষে সপ্তাহের দুই দিন- রবি ও মঙ্গলবার নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে এই সংগঠনটি।

সাপ্তাহিক বৈঠকগুলোয় সংগীত চর্চা করে; নতুন নতুন গান তোলে; বাদ্যযন্ত্র শেখানো হয়; সঙ্গীত, আবৃত্তি, সংস্কৃতি নিয়ে গঠনমূলক আলোচনাও চলে। বছরের বিশেষ বিশেষ দিনগুলোতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠান গুলো প্রধানত হয় মুক্তমঞ্চে বা ক্যাম্পাসের অন্য কোনো জায়গায়। ইদানীং ক্যাম্পাসের বাইরেও আমন্ত্রিত হলে তারা অংশগ্রহণ করে।

রিদমের সংগীত প্রযোজনাতে রয়েছেঃ "তোমার টানে সারাবেলার গানে", "তুমি কি দখিনা পবন", “আনন্দগান উঠুক বাজি", স্ট্রিট কনসার্ট "গোধূলির ওপারে", "সঙ্গীত কর্মশালা-২০১৯", অনলাইন "কোয়ারেন্টাইন কভারস-২০২০" ইত্যাদি।

সুসওয়ার (সুস্বর): 

সংগীত সংগঠন সুস্বর এর যাত্রা শুরু হয় ২৪ডিসেম্বর, ২০১৩। “শুদ্ধ সঙ্গীত প্রসারে...” স্লোগানকে ধারণ করে আত্মপ্রকাশ করে এই সংগঠন। সুস্বর ক্যাম্পাসের শিল্পী, সংগীতজ্ঞ এবং সংগীতপ্রেমীদের সাথে সম্পর্কিত এবং অনেক বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটের নিয়মিত সহযোগী। শুদ্ধ সংগীত প্রচার ও প্রসার করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সুস্বর। তারা তাদের কার্যক্রম গুলো পরিচালনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রের ১৮নং কক্ষে।

এটি কেবলমাত্র ক্যাম্পাসে একটি সাংস্কৃতিক পরিবেশ তৈরি করার জন্যই নয়, পাশাপাশি সংগীতপ্রেমী, প্রতিভা সংগ্রহ এবং দেশের পাশাপাশি ক্যাম্পাসের মানুষের সাথে বন্ধন প্রতিষ্ঠার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এখনও এটি পুরো শক্তি নিয়ে চলছে এবং "জাবিতে একক সংগীত-ভিত্তিক সংস্থা" এর গৌরব অর্জন করেছে। শুরু থেকেই সুস্বর এর ক্রিয়াকলাপগুলি উন্নত করার চেষ্টা করে আসছে। সুস্বর সবসময়ই মঞ্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান তৈরি এবং সংগীত কর্মশালা, আলোচনা সভা, প্রদর্শনী ইত্যাদির মতো অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করতে অত্যন্ত সচল। এটি বিশ্ববিদ্যালয় এবং জাতীয় আন্দোলনে তাদের ক্রিয়াকলাপের দ্বারা সর্বদা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। "সুসওয়ার" বাদ্যযন্ত্র সংস্থা নিজেকে ‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একক সংগীত সত্ত্বা’ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। জাহাঙ্গীরনগরে অবস্থিত বিভিন্ন স্থানে সুস্বর পরিবেশনা উপস্থাপন করে। প্রতিটিই সেখানে ঘটে যাওয়া ইভেন্টগুলির জন্য বিশেষভাবে উপযুক্ত। বাংলা সংগীত ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির জন্য শুদ্ধ সংগীত খুবই জরুরি, যা এই সংগঠন চর্চা করছে ও আমদের সংস্কৃতিকে করছে আরো উন্নত।

সুস্বরের সংগীত প্রযোজনায় রয়েছেঃ “অনুরাগে হিয়া জাগে”, “ভাব সায়রের নাইয়া”, “গানে গানে রবি-নজরুল”, “সপ্তসুরে সুস্বর” ইত্যাদি।

জলসিঁড়ি:

আজ থেকে ১৮বছর আগে ২৫সেপ্টেম্বর, ২০০২ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে জলসিঁড়ির পদচারণা শুরু। সেই শুরু থেকেই জলসিঁড়ি চেষ্টা করছে গৌরবময় সংস্কৃতির মূলধারায় থেকে নতুন এবং বৈচিত্রধর্মী অনুষ্ঠান করার। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রের ৭নং কক্ষে সপ্তাহের চারদিন- রবিবার থেকে বুধবার সংগঠনের কার্যক্রম গুলো পরিচালনা করে আসছে। সপ্তাহব্যাপী সাংস্কৃতিক উৎসব সহ বছরে বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সেই সাথে বাহিরের সংগীত সংগঠন, নাট্য সংগঠন ও গুণিজনদেরও তারা আমন্ত্রণ জানায় তাদের উৎসব গুলোতে।

সংগীতের বিভিন্ন অঙ্গনে জলসিঁড়ির পদচারণা রয়েছে। ধ্রুপদী গানের প্রতি জলসিঁড়ি বরাবরই আসক্ত। তারা রবীন্দ্র, নজরুল, হাসন, লালন এবং শাহ আব্দুল করিমের মৌলিক গানের বেশ কয়েকটি প্রযোজনা মঞ্চস্থ করেছে। নিয়মিত সংগীত, নাটক ও আবৃত্তি চর্চার মাধ্যমে বাংলার সংস্কৃতিকে ও সংগীত ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে এবং নতুন প্রজন্মের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে জলসিঁড়ি তার কার্যক্রম গুলো চমৎকার ভাবে পরিচালনা করছে।

জলসিঁড়ির সংগীত প্রযোজনাতে রয়েছেঃ- “কাওয়ালি সন্ধ্যা”, “অম্বরে মৃদঙ্গ বাজে”, “গজল সন্ধ্যা”, “শুন্যের কারবারি”, “হাসন রাজার গান”, “বাংলা সিনেমার গান”, “নাইওরি”, “ছায়াছন্দ”, “শহুরে কবিতার কবি”, “জীবন খুঁজে পাবি”, “ওপার বাংলার গান”, “রবীন্দ্র নজরুল সংগীত সন্ধ্যা”, “ইন্সট্রুমেন্টাল”, “হিমালয় থেকে সুন্দরবন”, “আজি গানের তালে”, “সোনালি দিনের গান”, “কুল ভাঙ্গা নদী”, “দেহ তরঙ্গ এবং কালনীর ঢেউ” ইত্যাদি।

আনন্দন:

কবি শামসুর রহমান এর হাত ধরে আনন্দনের যাত্রা শুরু ২৫ অক্টোবর, ২০০০। এটি সঙ্গীতচর্চা, সঙ্গীতানুষ্ঠান ও উৎসব আয়োজনের মাধ্যমে অব্যাহত রেখেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সংস্কৃতির বিকাশকে। সংগীতের অঙ্গনে এর পদচারণার দ্বারা শিক্ষার্থীরা সংগীত চর্চার সুযোগ পাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রের ০৬নং কক্ষে সপ্তাহের রবি, সোম ও বুধবার আনন্দনের কার্যক্রম গুলো চলে। 

বিশ্ব জুড়ে করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে সবকিছু থমকে গেলেও এই সংগঠন গুলো পিছিয়ে নেই। জুম অ্যাপ অথবা গুগল মিট অ্যাপ এর দ্বারা আলোচনা সভা এবং ফেসবুক লাইভে আড্ডা ও সংগীত পরিবেশন করছে। বিজয়ের মাসে দেশাত্মবোধক গান নিয়ে অনলাইনেই চলছে নানান রকম আয়োজন। এতে করে শিক্ষার্থীরা দেশপ্রেমে উদ্ধত হচ্ছে এবং করোনার ভয়াবহ পরিস্থিতি নিয়ে মানসিক চাপ ও হতাশায় থাকা শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত করে তুলছে সংগঠন গুলো। কারণ সংগীত মানুষের মন ও আবেগের ওপর প্রভাব ফেলে। মনকে করে তোলে সতেজ ও জীবনে নিয়ে আসে আনন্দ। সংগীতের অঙ্গনে নিজেদের জায়গা করে নিয়ে জাবির এই সংগঠন গুলো ক্যাম্পাস তথা দেশের সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বাংলা সংস্কৃতিকে, বাংলা গানকে বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে কাজ করে যাচ্ছে এই সংগঠন গুলো।


লেখক : সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অধ্যয়ন বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।

জমি রক্ষা ও পরিবারের উপর হামলার বিচার দাবি প্রতিবন্ধী মানিক মিয়ার

জমি রক্ষা ও পরিবারের উপর হামলার বিচার দাবি প্রতিবন্ধী মানিক মিয়ার

ফরিদপুরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ : আহত ১০ ১৫টি দোকান ও বাড়ি ভাংচুর

ফরিদপুরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ : আহত ১০

পুঁজিবাজার ডিজিটালাইজেশন : ৭ মিলিয়ন ডলার চেয়েছে বিএসইসি

পুঁজিবাজার ডিজিটালাইজেশন : ৭ মিলিয়ন ডলার চেয়েছে বিএসইসি

শৈশবে পুষ্টি

শৈশবে পুষ্টি

জো বাইডেন প্রশাসনে বাংলাদেশী মেয়ে ফারাহ

জো বাইডেন প্রশাসনে বাংলাদেশী মেয়ে ফারাহ

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী পরিষদ ও কর্মচারী সমিতির দায়িত্ব হস্তান্তর

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী পরিষদ ও কর্মচারী সমিতির দায়িত্ব হস্তান্তর

বেগম জিয়ার গ্যাটকো মামলার চার্জ শুনানি ৩ মার্চ

বেগম জিয়ার গ্যাটকো মামলার চার্জ শুনানি ৩ মার্চ

চসিক নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১৪ হাজার সদস্য মোতায়েন

চসিক নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১৪ হাজার সদস্য মোতায়েন

১০ বছর ধরে পলিথিনে মোড়ানো ঝুপড়ি ঘরে রোকিয়া ও তার স্বামীর বসবাস

১০ বছর ধরে পলিথিনে মোড়ানো ঝুপড়ি ঘরে রোকিয়া ও তার স্বামীর বসবাস

নোয়াখালী পৌরসভা এলাকায়  ১৪৪ ধারা জারি একই স্থানে আ’লীগের দুগ্রুপের সভা আহবান

নোয়াখালী পৌরসভা এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি

বিশ্বে করোনা শনাক্ত ১০ কোটি ছাড়াল

বিশ্বে করোনা শনাক্ত ১০ কোটি ছাড়াল

টিকা রপ্তানিতে কড়াকড়ি আরোপের হুমকি ইউরোপীয় ইউনিয়নের

টিকা রপ্তানিতে কড়াকড়ি আরোপের হুমকি ইউরোপীয় ইউনিয়নের

জলবায়ুর ক্ষতি পুষিয়ে নিতে অর্থ ও রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবই দায়ী : প্রধানমন্ত্রী

জলবায়ুর ক্ষতি পুষিয়ে নিতে অর্থ ও রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবই দায়ী : প্রধানমন্ত্রী

৩টি বিলে রাষ্ট্রপতির সম্মতি, এইচএসসির ফল শিগগির

৩টি বিলে রাষ্ট্রপতির সম্মতি, এইচএসসির ফল শিগগির

ধর্মঘট প্রত্যাহার, সারা দেশে নৌচলাচল শুরু

ধর্মঘট প্রত্যাহার, সারা দেশে নৌচলাচল শুরু

সিরিজ সেরা সাকিব, ম্যাচ সেরা মুশফিক

সিরিজ সেরা সাকিব, ম্যাচ সেরা মুশফিক

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পাচ্ছেন ১০ গুনীজন

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পাচ্ছেন ১০ গুনীজন

সাব-এডিটরস কাউন্সিলের সভাপতি মামুন, সম্পাদক হৃদয়

সাব-এডিটরস কাউন্সিলের সভাপতি মামুন, সম্পাদক হৃদয়

ক্রিকেটের জনক খ্যাত ইংল্যান্ডকেও ছাড়িয়ে দুই নম্বরে বাংলাদেশ

ক্রিকেটের জনক খ্যাত ইংল্যান্ডকেও ছাড়িয়ে দুই নম্বরে বাংলাদেশ

চলতি বছর অটোপাস দেওয়া সম্ভব নয় : শিক্ষামন্ত্রী

চলতি বছর অটোপাস দেওয়া সম্ভব নয় : শিক্ষামন্ত্রী