বুধবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২২

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও কমেছে

বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ২৪, ২০২২
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও কমেছে

নিজস্ব প্রতিনিধি:

আগস্টে দুই বিলিয়ন ডলার করে রেমিট্যান্স এসেছিল। তবে এর পরের দুই মাস (সেপ্টেম্বর-অক্টোবর) টানা দেড় বিলিয়ন ডলারের ঘরে নেমে আসে রেমিট্যান্স। চলতি মাস নভেম্বরেও দুই বিলিয়ন ডলারের ঘরে পৌঁছানোর সম্ভাবনা নেই। এখন পর্যন্ত ইতিবাচক ধারায় ফেরেনি রেমিট্যান্সের গতিপ্রবাহ।

চলতি নভেম্বর মাসে প্রতিদিন গড়ে ৫ দশমিক ৮ কোটি ডলার করে রেমিট্যান্স আসছে। যদিও বৈধপথে রেমিট্যান্স বাড়াতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও সরকার।

চলমান ডলার সংকট মোকাবিলায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে প্রতিনিয়ত ডলার সরবরাহ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। চলতি নভেম্বর মাসের শুরুতে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার মজুত (ডলার) ছিল ৩৫ দশমিক ৭২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। সবশেষ গত বুধবার (২৩ নভেম্বর) রিজার্ভ থেকে ১১৫ মিলিয়ন ডলার বিক্রি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে রিজার্ভ কমে দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ০৭ বিলিয়ন ডলারে। মজুতের এ রিজার্ভ দিয়ে চার মাসের (প্রতি মাসে ৮ বিলিয়ন হিসাবে) আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। 

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, চলতি নভেম্বর মাসের প্রথম দিন দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ মজুত ছিলো ৩৫ দশমিক ৭২ বিলিয়ন ডলার। ৭ নভেম্বর সেটা আরও কিছুটা বেড়ে দাঁড়ায় ৩৫ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলারে। তবে একই দিন (৭ নভেম্বর) রিজার্ভ থেকে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) ১৩৫ কোটি ডলার পরিশোধ করা হয়। পাশাপাশি আমদানি দায় মেটাতে ১৩ কোটি ১০ লাখ ডলার বিক্রি করা হয়। ফলে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে হয় প্রায় ৩৪ দশমিক ২৮ বিলিয়ন ডলার। 

গত ৯ নভেম্বরে রিজার্ভ ছিল ৩৪ দশমিক ২৫ বিলিয়ন, ১৪ নভেম্বর বেড়ে দাঁড়ায় ৩৪ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলারে, ১৫ নভেম্বর রিজার্ভ থেকে ১১৫ মিলিয়ন ডলার বিক্রি করায় তা নেমে আসে ৩৪ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলারে। ১৬ নভেম্বর ৬৯ মিলিয়ন ডলার বিক্রি করা হলে রিজার্ভ দাঁড়ায় ৩৪ দশমিক ২৪ বিলিয়ন ডলার, ১৭ নভেম্বর আবারও বেড়ে ৩৪ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলার হয়।

তবে গত সোমবার (২১ নভেম্বর) তা কমে দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলারে। গত ২২ নভেম্বর ৩৫ মিলিয়ন ডলার বিক্রি করায় রিজার্ভ দাঁড়ায় ৩৪ দশমিক ০৯ বিলিয়ন ডলারে আর সবশেষ ২৩ নভেম্বর রিজার্ভ মজুত আরও কমে ৩৪ দশমিক ০৭ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রতিনিয়ত উঠানামা করে। এখান থেকে সরকারি ক্রয়ে ডলার ছাড় করা হয়। আবার প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিনিয়ত রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন। এক্ষেত্রে বলা যায় প্রতিদিনই রিজার্ভ কম-বেশি হয়। তবে আমাদের যে রিজার্ভ পজিশন সেটিতে ভয়ের কিছু নেই।

হুন্ডির মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠানোয় জড়িত থাকার অভিযোগে ২৩০ জন বেনিফিশিয়ারির হিসাব সাময়িকভাবে উত্তোলন স্থগিত করে আর্থিক খাতের এ সংস্থাটি। পরে বৈধ পথের প্রতিশ্রুতিতে এসব হিসাবগুলো পুনরায় খুলে দেওয়ার কথা জানানো হয়।

সময় জার্নাল/এলআর


Somoy Journal is new coming online based newspaper in Bangladesh. It's growing as a most reading and popular Bangladeshi and Bengali website in the world.

যোগাযোগ:
এহসান টাওয়ার, লেন-১৬/১৭, পূর্বাচল রোড, উত্তর বাড্ডা, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ
কর্পোরেট অফিস: ২২৯/ক, প্রগতি সরণি, কুড়িল, ঢাকা-১২২৯
ইমেইল: somoyjournal@gmail.com
নিউজরুম ই-মেইল : sjnewsdesk@gmail.com

কপিরাইট স্বত্ব ২০১৯-২০২২ সময় জার্নাল