দুলাল বিশ্বাস, গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি:
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার কলাবাড়ী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার চাষকৃত বাঙ্গী আড়তে নয়, সড়কের পাশে রেখেই বিক্রি করতে দেখা যাচেছ। এতে কৃষকরা লাভবান হচ্ছে বলে জানান তারা।
এর আগে এই পাকা বাঙ্গি বিক্রি করা হতো আড়তে।
ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের কৃষকরা ফুটি বাঙ্গি ও তরমুজ বিক্রি করতে স্থানীয় কালিগঞ্জ বাজারে অস্থায়ী আড়তে নিয়ে যেতেন।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পাইকারগণ এই আড়তে গিয়ে কৃষিপণ্য ক্রয় করে নিয়ে যেতেন অন্যান্য হাটবাজারে।
গত দু'বছর যাবৎ আড়তে তেমন কৃষি পন্য নিয়ে যেতে দেখা যায় না কৃষকদের।
খোঁজ নিয়ে দেখাযায় কৃষকদের বেশি লাভের আশায় নলুয়া,কুমুরিয়া, মাছপাড়া, তেঁতুল বাড়ী, গোলাবাড়ী, চকপুকুরিয়া, বুরুয়াসহ বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা সড়কের পাশে রেখে ফুটি- বাঙ্গী বিক্রি করছেন।
কৃষকদের কাছ থেকে জানা যায়, সরাসরি জমি থেকে বাঙ্গী যদি সড়কের পাশে রেখে বিক্রি করা হয় তাহলে আড়তদারি খরচ,লেবার খরচ আড়ত পর্যন্ত যেতে পরিবহন খরচ কিছুই দেয়া লাগে না।
পাইকারদের কাছে সরাসরি বিক্রি করা যায় এতে কৃষকরা অনেক লাভবান হন।
এই বিষয়ে হিজল বাড়ী গ্রামের বাঙ্গী চাষী পরিতোষ হালদার বলেন,আমরা রাস্তায় এনে বাঙ্গী বিক্রি করি। আড়তে বিক্রি করলে আড়তদারেরা শতকরা ৭ টাকা কমিশন নিয়ে নেয় ,প্রতিপিস বাঙ্গী থেকে লেবার খরচ নেয় দুই টাকা ,খাজনা বাবদ নেয় ১ টাকা এই টাকাটা বাদ দিয়েই পাইকারগণ বাঙ্গির দাম করে , এতে কৃষকরা প্রতারিত হয়।
যদি আড়ত বাদ দিয়ে সরাসরি রাস্তায় এনে বিক্রি করি তাহলে এই টাকাটা আমাদের মালের (বাঙ্গীর) উপর পরে যা কিনা বেশি দাম দিয়ে পাইকারা আমাদের কাছ থেকে কিনে নেয় আমরাও লাভবান হই।
শরীয়তপুরের কাজিরহাট থেকে বাঙ্গি ক্রয় করতে আসা থেকে মোঃ শফিউল বলেন, আগে আড়ত থেকে বাঙ্গি ক্রয় করতাম এখন মাঠে পাওয়া যায় বলে খরচ একটু কম হয়, বর্তমানে আড়তে কেনাবেচা কমে গেছে। এদিকে (সড়কের পাশে) কেনাবেচা বেশি হয় এ কারণে এখান থেকেই বাঙ্গি কিনে নেই, আমরাও লাভবান হচ্ছি।
অপরদিকে কালিগঞ্জ বাজারের তরজমু ফুটি আড়তদার অসীম হালদার বলেন কিছু কুচক্রী মহল কালিগঞ্জ বাজারে তরমুজ বাঙ্গি আড়তদারদের সম্পর্কে মিথ্যা ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করছে এতে আমাদের ফুটি তরমুজ বিক্রির সুনাম নষ্ট হচ্ছে।
এমআই