নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের জন্য আবেদনকারী ১৪৩ দলের মধ্যে প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ে টিকেছে ২২টি। এর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ সল্যুশন পার্টি, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), ফরোয়ার্ড পার্টি, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক পার্টি (বিজিপি), মৌলিক বাংলা, ভাসানী জনশক্তি পার্টি, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) প্রভৃতি।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী নিবন্ধন পেতে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়, অন্তত এক-তৃতীয়াংশ জেলায় কার্যকর অফিস এবং ১০০ উপজেলা বা মহানগর থানা পর্যায়ে কার্যালয় থাকতে হয়। এছাড়া প্রতিটি কার্যালয়ে ন্যূনতম ২০০ ভোটারের সমর্থন তালিকাভুক্ত করতে হয়।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, টিকে যাওয়া দলগুলোর মধ্যে অনেকের জেলা-উপজেলায় কার্যকর কার্যালয় নেই। অনেক জায়গায় তালাবদ্ধ ছোট অফিস কিংবা বাসাবাড়িতে সাইনবোর্ড টানিয়ে কার্যালয়ের পরিচয় দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক যাচাইয়ের পর মাঠপর্যায়ে তদন্ত চালাচ্ছে ইসি। জেলা ও আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের কাছে ৩১ আগস্টের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ সল্যুশন পার্টির সভাপতি শামছুল হক স্বীকার করেছেন, গাজীপুর ছাড়া অন্য জেলা কার্যালয়ের সুনির্দিষ্ট ঠিকানা তার জানা নেই। তবে স্থানীয় নেতাদের সহায়তায় তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।
এনসিপি তাদের আবেদনে ৩০ জেলা ও ১৩০ উপজেলা কমিটির তথ্য দিলেও, সরেজমিনে দেখা গেছে কিছু কার্যালয় বন্ধ বা অস্থায়ী। একই অবস্থা মৌলিক বাংলা ও বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের ক্ষেত্রেও।
এদিকে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ও নেজামে ইসলাম পার্টি এবং বাংলাদেশ বেকার সমাজ (বাবেস) দাবি করছে, তারা অতীত নির্বাচনে ৫ শতাংশ ভোট পাওয়ায় নিবন্ধনের যোগ্য।
নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ জানান, “প্রাথমিক বাছাই উত্তীর্ণ দলগুলোর তথ্য মাঠপর্যায়ে যাচাই করা হচ্ছে। সব শর্ত পূরণ করলে তবেই নিবন্ধন দেওয়া হবে।”
একে